ছেলেদের আসক্তিজনিত এই সমস্যা অর্থাৎ মাদকাসক্তি সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে বলে আমি মনে করি।।
উদ্দীপকে রফিক সাহেবের মেয়েকে এলাকার কিছু ছেলে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত। এসব ছেলেরা নানা ধরনের নেশা দ্রব্য গ্রহণ করে যা মাদকাসক্তিকে নির্দেশ করে। মাদকাসক্তি রোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সবচেয়ে কার্যকর। এজন্য সমাজে নৈতিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। মাদক বিরোধী সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ মাদক প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। এছাড়া সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, পোস্টার, বিলবোর্ড ও লিফলেট ইত্যাদির মাধ্যমে আসক্তিজনিত সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা যেতে পারে। সুস্থ বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ তৈরি করতে হবে। আসক্তিজনিত সমস্যা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনি পদক্ষেপগুলো গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। মাদক উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আসক্তিজনিত সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allসামাজিক সমস্যা হলো সমাজে বিরাজিত একটি অবস্থা, যা জনগণের উপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে এবং এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য কিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালায়। বাংলাদেশে নানা সামাজিক সমস্যা রয়েছে।
বাংলাদেশে নানা সামাজিক সমস্যা রয়েছে। তার মধ্যে কিশোর অপরাধ ও মাদকাসক্তি দুটি বড়ো সমস্যা। বর্তমানে এ দুটি সমস্যা সবার জন্যই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাধারণভাবে রাষ্ট্র বা সমাজ স্বীকৃত নয় এমন কজকে অপরাধ বলে। অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে বা কিশোরদের দ্বারা সংগঠিত বিভিন্ন ধরনের অপরাধকেই বলা হয় কিশোর অপরাধ। কিশোর বয়সে এরা রাষ্ট্র ও সমাজের আইন ও নিয়ম ভাঙে বলেই তারা কিশোর অপরাধী।
বিভিন্ন দেশের সমাজবিজ্ঞানী ও আইনবিদদের মধ্যে কিশোর অপরাধের বয়স নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কাজকে কিশোর অপরাধ বলা হয়। অন্যদিকে, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডে কিশোর অপরাধীর বয়স ৭ থেকে ১৮ বছর। আর জাপানে এ বয়সীমা ১৪ থেকে ২০ বছর।
আমাদের দেশে কিশোর অপরাধের অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্র্য। দরিদ্র পরিবারের কিশোরদের অনেক সাধ বা ইচ্ছাই অপূর্ণ থেকে যায়। এর ফলে তাদের মধ্যে বাড়ে হতাশা এবং এ হতাশাই তাদের অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।
বাড়ির বাইরে বা কর্মস্থলে অতি ব্যস্ততার কারণে মাতাপিতার পক্ষে তাদের সন্তানদের যথেষ্ট সময় বা মনোযোগ দিতে না পারা, আদর-যত্নের অভাব, মাতাপিতার অকালমৃত্যু বা বিবাহবিচ্ছেদ এমনকি অভিভাবকদের অতিরিক্ত শাসনের কারণেও অনেক কিশোর ধীরে ধীরে অপরাধী হয়ে ওঠে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!