কোনো আর্থিক স্বার্থের বিষয়টিকে প্রাধান্য না দিয়ে বরং সামাজিক কল্যাণ অর্জনের বিষয়কে বিবেচনায় এনে ব্যবসায় পরিচালনা করাকেই সামাজিক ব্যবসায় বলে।
পণ্য ও সেবার মান উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সংস্থা ISO যে সনদ প্রদান করে তাই ISO সনদ নামে খ্যাত।
একটা প্রতিষ্ঠান কতটা মানসম্মত পণ্য ও সেবা সরবরাহ করে এবং তাদের ব্যবস্থাপনার মান কেমন এ বিষয়ে সনদ প্রদানকারী একটা আন্তর্জাতিক মান প্রতিষ্ঠানই হলো ISO (International Standard Organization)। ISO সর্বপ্রথম সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে ISO ৯০০০ নামে একটা মান নির্দিষ্ট করে তা পর্যবেক্ষণপূর্বক এই মান সনদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়। বর্তমানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৬টা মান সনদ চালু রয়েছে।
উদ্দীপকে কপিরাইট আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কপিরাইট একটি আইনগত অধিকার।
লেখক বা শিল্পী কর্তৃক তার সৃষ্ট কর্মের ওপর একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থায়ী আইনগত অধিকারকে কপিরাইট বলে। এর উদ্দেশ্য হলো নকশ করা থেকে প্রকৃত লেখক, শিল্পী বা সৃষ্ট কর্মের স্বত্বাধিকারীর স্বার্থ সুরক্ষা করা, যা না করা হলে স্বত্বাধিকারী বা মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হন।
উদ্দীপকের জনাব অর্ণব একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি গান লিখেন এবং সুর করেন। প্রিজম নামের একজন নতুন শিল্পী গানের একক অ্যালবাম বাজারে ছাড়েন। জনাব অর্ণব প্রিজমের প্রকাশিত সিডির একটি গানের সুর তার নিজের বলে দাবি করে আদালতে মামলা করেন। যেহেতু কপিরাইট আইন দ্বারা লেখক বা শিল্পী কর্তৃক তার সৃষ্ট কর্মের ওপর আইনগত অধিকার সংরক্ষণ করা হয়। তবে এক্ষেত্রে আইনগত অধিকার পাওয়ার জন্য কপিরাইট অবশ্যই নিবন্ধন করা উত্তম। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে কপিরাইট আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
কপিরাইট নিবন্ধন করা ছিল না বিধায় জনাব অর্ণবের আদালতের আশ্রয় নিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার যৌক্তিকতা বিদ্যমান।
লেখক বা শিল্পী কর্তৃক তার সৃষ্টকর্মের ওপর একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থায়ী আইনগত অধিকারকে কপিরাইট বলে। এটি একটি আইনগত ধারণা। যার উদ্দেশ্য হলো নকল করা থেকে প্রকৃত লেখক, শিল্পী বা সৃষ্টকর্মের স্বত্বাধিকারীর স্বার্থ সুরক্ষা করা; যা না করা হলে এর স্বত্বাধিকারী বা মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এক্ষেত্রে কপিরাইট নিবন্ধিত করা হলে তা আইনানুগ প্রকাশ্য দলিলের মর্যাদা লাভ করে। অন্যথায় তা সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়ে প্রমাণ করতে হয়; যা কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল।
উদ্দীপকের জনাব অর্ণব একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি গান লিখেন এবং সুর করেন। প্রিজম নামের একজন নতুন শিল্পী গানের একক অ্যালবাম বাজারে ছাড়েন। জনাব অর্ণব প্রিজমের প্রকাশিত সিডির একটি গানের সুর তার নিজের বলে দাবি করে আদালতে মামলা করেন। কিন্তু তাতে কোনো প্রতিকার পাননি। কেননা জনাব অর্ণব যে উক্ত গানের সুরের প্রকৃত মালিক তা তার প্রমাণস্বরূপ তিনি কপিরাইট নিবন্ধন করেননি কিংবা তিনি সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমেও তা প্রমাণ করতে পারেন নি। তাই বলা যায়, কপিরাইট নিবন্ধন করা ছিল না বিধায় জনাব অর্ণবের আদালতের আশ্রয় নিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার যৌক্তিকতা বিদ্যমান।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!