এ-ওয়ান সিস্টেম হলো গুদাম বিন্যাসের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে গুদামটি ডক বা ঘাট থেকে পণ্যসামগ্রী গ্রহণ করবে এবং তা মজুদ এলাকায় প্রবেশ করাবে। পরবর্তীতে মজুদ সংগ্রহকারী আলাদা ফরমায়েশ পূরণ করে মজুদ উত্তোলন করবে।
যান্ত্রিক কটেজ হলো অফিস বিন্যাসের এমন একটি মতবাদ যেখানে অফিসে নিয়োজিত অনেক কর্মী একটি কক্ষে কাজ করে এবং নিকটবর্তী অফিস প্রধান বা অফিসের সাথে কম্পিউটার দ্বারা যুক্ত হয়। যান্ত্রিক কটেজের এ ধারণাটি কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে একই অফিসের একাধিক কার্য ইউনিট একই বিল্ডিং অথবা অন্যকোনো বিল্ডিং এ স্থাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকা অফিসের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন এবং নির্দেশনা থেকে শুরু করে নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। এ কারণে যান্ত্রিক কটেজকে কম্পিউটারনির্ভর একটি অফিস বিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'নোঙর' শপে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র বিন্যাস পরিলক্ষিত হয়।
যে বিন্যাসের মাধ্যমে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের পণ্য ও অন্যান্য সাজসরঞ্জামকে সাজিয়ে রাখা যায়, তাকে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র বিন্যাস বলে। খুচরা বিন্যাসের মূল উদ্দেশ্য হলো বিপণিতে পণ্য ও কর্মচারী চলাচলে পাশাপাশি আগত ক্রেতাদের সহজ আগমন ও প্রস্থান। এ বিনাদের সাথে ক্রেতা আকর্ষণের বিষয়টি জড়িত থাকে।
উদ্দীপকের জনাব আরিফ তার কয়েকজন বন্ধু নিয়ে ঢাকার পান্থপথে 'নোঙর' নামে একটি বিপণি প্রতিষ্ঠা করেন। নতুন এই শপে পণ্যগুলোকে পৃথক পৃথক বিভাগে সাজিয়ে রাখা হয়। নির্দিষ্ট বিভাগ থেকে ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করে। সুন্দর, মনোরম, সুসজ্জিত এই শপটি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে। তার বিপণির বিন্যাস ব্যবস্থাটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র বিন্যাসের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব আরিফের 'নোঙর' নামক শপটিতে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র বিন্যাস পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত নতুন স্থানের বিন্যাসটি হচ্ছে গুদাম বিন্যাস যা কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখে।
গুদাম বিন্যাস হলো এমন একটি বিন্যাস যার মাধ্যমে গুদামের অভ্যন্তরে রক্ষিত পণ্যদ্রব্যকে মানসম্মত ও কার্যকরভাবে সাজিয়ে রাখা যায়। উৎপাদনমুখী কারখানার ন্যায় গুদামেও এক কার্যক্ষেত্র হতে অন্য কার্যক্ষেত্রে পণ্য চলাচল করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব আরিফ প্রথমে 'নোঙর' নামক একটি শপ প্রতিষ্ঠা করেন। সেক্ষেত্রে তিনি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র বিন্যাস অনুসরণ করেন। তার প্রতিষ্ঠানের ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে থাকায় শপটিতে চলাচলের অসুবিধা পরিলক্ষিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আরিফ নতুন একটি স্থানের অভ্যন্তরে পণ্যদ্রব্যকে মানসম্মত ও কার্যকরভাবে সাজিয়ে রাখার কথা চিন্তা করছেন। তার এই কার্যক্রমটি গুদাম বিন্যাসের পরিচয় বহন করে। এ বিন্যাসের ফলে কোনোরূপ পরিবর্তন ছাড়াই গুদামে বা একটি নির্দিষ্ট স্থানে পণ্য একস্থান হতে অন্য স্থানে আনা-নেওয়া করা হয়। কর্মীদের চলাচল এবং পণ্যের আগমন-নির্গমন সহজ করার জন্য গুদাম বিন্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত শপটিতে চলাচলের অসুবিধা দূর করার জন্য নতুন স্থানের বিন্যাস তথা গুদাম বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
Related Question
View Allসমজাতীয় পণ্য উৎপাদনের জন্য কাজের পর্যায়ক্রমিক বিভিন্ন বিভাগ, মেশিন বা যন্ত্রপাতি সুসজ্জিত করাকেই পণ্য বিন্যাস বলে।
স্থির বিন্যাসে পণ্য নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে।
যে বিন্যাসের ক্ষেত্রে পণ্যটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থাকে; কর্মীরা তাদের হাতিয়ার এবং যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার জন্য পণ্যটির নিকট যায় তাকে স্থির বিন্যাস বলে। এ বিন্যাসের ক্ষেত্রে পণ্যটি একটি 'নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থাকে। এ বিন্যাসের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের সাথে জড়িত সময়, ঝুঁকি, আইনগত জটিলতা ইত্যাদি দূর করা সম্ভব।
জাহাজ নির্মাণ, বড় ধরনের ইঞ্জিন সংযোজন, মহাকাশ যান নির্মাণ, তেল কূপ খনন ইত্যাদি ক্ষেত্রে স্থির বিন্যাস ব্যবহার করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি রিটেইল লে-আউট অনুসরণ করেছে।
যে বিন্যাস ব্যবস্থার মাধ্যমে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের পণ্য ও অন্যান্য সাজসরঞ্জাম সাজিয়ে রাখা যায় তাকে রিটেইল লে-আউট বলে। এ বিন্যাসের মূল উদ্দেশ্য হলো বিক্রয়কেন্দ্রে পণ্য ও কর্মচারী চলাচলের পাশাপাশি আগত ক্রেতাদের সহজ আগমন ও প্রস্থান। এ ধ্বনের লে-আউটে খুচরা দ্রব্য বিক্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।উদ্দীপকে 'সাবা গ্রুপ' সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্রে বহুতলবিশিষ্ট একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর স্থাপন করেছে। স্টোরটির প্রত্যেক তলায় পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথক পণ্যের বিক্রয়ের ব্যবস্থা আছে। ফলে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের চাহিদামতো পণ্য ক্রয় করে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তাদের এই ব্যবসায় কার্যক্রমের সাথে রিটেইল লে-আউটের মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি রিটেইল লে-আউট অনুসরণ করেছে।
ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে ও ঝামেলাবিহীনভাবে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে গৃহীত রিটেইল লে-আউট ব্যবহারের যৌক্তিকতা রয়েছে।
রিটেইল লে-আউটের ক্ষেত্রে পণ্যের প্রকৃতি, আকৃতি, রং, মূল্য, ক্রেতার প্রকৃতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের লে-আউটে খুচরা দ্রব্য বিক্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
উদ্দীপকে 'সাবা গ্রুপ' সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্রে বহুতলবিশিষ্ট একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর স্থাপন করেছে। স্টোরটির প্রত্যেক তলায় পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথক পণ্যের বিক্রয়ের ব্যবস্থা আছে। ফলে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের চাহিদামতো পণ্য ক্রয় করে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।
উদ্দীপকে 'সাবা গ্রুপের' কার্যক্রমটি রিটেইল লে-আউটের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ ধরনের লে-আউট দোকানে আগত ক্রেতা, কর্মচারী ও ক্রেতাদের চলাচল নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে করা হলেও এর পাশাপাশি এ বিন্যাসের আরেকটি মূল লক্ষ্য হলো ক্রেতা আকর্ষণ করা। এ ধরনের লে-আউটে দোকানে আগত কর্মচারীরা অবাধে চলাচল করতে পারে। এতে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের পণ্য ক্রয় করতে পারে। তাই বলা যায়, ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে ও ঝামেলাবিহীনভাবে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে গৃহীত রিটেইল লে-আউট ব্যবহারের যৌক্তিকতা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কর্মকেন্দ্রসমূহকে সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াকে বিন্যাস বলে।
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কর্মকেন্দ্রসমূহকে সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াকে বিন্যাস বলে।
বিন্যাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিভাগ, যন্ত্রপাতি ও কর্মকেন্দ্রসমূহকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানে স্থানের সর্বোত্তম ব্যবহার করা সম্ভব হয়। কিন্তু বিন্যাসের ত্রুটির কারণে যদি স্থানের অপব্যবহার হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানের অপচয় বৃদ্ধি পাবে। ফলে উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে, যা প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!