উদ্দীপকে জহিরুল সরকারের ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন যা ভেজাল খাদ্য ও পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।
পানি দূষণ আধুনিক সভ্যতার এক অভিশাপ, এর ফলে অনেক মানুষের স্বাস্থ্যহানী হচ্ছে। অসৎ উপায়ে মাননিয়ন্ত্রণহীনভাবে অখাদ্য- কুখাদ্য বাজারজাতকরণ করাকেই খাদ্যে ভেজাল বলে।
উদ্দীপকে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে, টমেটো, কলা ইত্যাদি পাকানো হচ্ছে। খাবারের রং, ঘ্রাণ, স্বাদ বাড়ানো জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে সরকারের প্রয়োজন বুড়িগঙ্গার পাড়ে অবস্থিত সকল ট্যানারি কারখানাগুলোকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা এবং বর্জ্য পদার্থ পরিশোধন করে নিষ্কাশন করার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি আইন প্রণয়নের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হতে হবে। এজন্য সরকার যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এবং জনগণ আইন মান্য করে চললে বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধ করা সম্ভব। তাই জনাব জহিরুল সরকারি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন।
পরিশেষে বলা যায়, যত্রতত্র জলাশয়ে শিল্পবর্জ্য নিক্ষেপ করার ফলে পুকুর, খাল, বিল, নদীর পানি ব্যাপকভাবে দূষিত হয়। যার অন্যতম উদাহরণ ঢাকার বুড়িগঙ্গার ঘন কালো দুর্গন্ধযুক্ত পানি। তাই ভেজাল খাদ্য ও পানি দূষণ রোধে সরকারি সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের জ্ঞান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সেজন্য মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব । প্রত্যেক মানুষ নিজের জন্য নিজের সন্তান-সন্ততির জন্য ভালো কিছু প্রত্যাশা করে । যা তার অন্যের জন্যও করা বা চাওয়া উচিত । এখানেই সামাজিক দায়িত্ববোধ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রশ্ন । কোনো ব্যবসায়ী যখন জেনে-বুঝে পরিবেশ দূষণ করে, ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় তখন সে কতটা অনৈতিক ও অবিবেচকের মত কাজ করছে তা সম্পূর্ণ বুঝে উঠতে পারে না; মুনাফা অর্জনই তার কাছে হয়ে ওঠে মুখ্য । ক'দিন আগে টেলিভিশনে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের এক অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দেখলাম । যিনি তার তিন যুবক সন্তান হারিয়েছেন একে একে । পরে মৃত্যুর কারণ জানা গেল । তারা ক্ষেতে কীটনাশক বিষ স্প্রের কাজ করতো । কিন্তু নাকে-মুখে কাপড় দিত না । এই বিষ শরীরে ঢুকে প্রত্যেকেরই ক্যান্সারে মৃত্যু ঘটেছে । তাই ঝুঁকিমুক্ত ভাবে নিজে বাঁচতে ও অন্যকে বাঁচাতে সবাইকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে ।সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের জ্ঞান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সেজন্য মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব । প্রত্যেক মানুষ নিজের জন্য নিজের সন্তান-সন্ততির জন্য ভালো কিছু প্রত্যাশা করে । যা তার অন্যের জন্যও করা বা চাওয়া উচিত । এখানেই সামাজিক দায়িত্ববোধ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রশ্ন । কোনো ব্যবসায়ী যখন জেনে-বুঝে পরিবেশ দূষণ করে, ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় তখন সে কতটা অনৈতিক ও অবিবেচকের মত কাজ করছে তা সম্পূর্ণ বুঝে উঠতে পারে না; মুনাফা অর্জনই তার কাছে হয়ে ওঠে মুখ্য । ক'দিন আগে টেলিভিশনে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের এক অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দেখলাম । যিনি তার তিন যুবক সন্তান হারিয়েছেন একে একে । পরে মৃত্যুর কারণ জানা গেল । তারা ক্ষেতে কীটনাশক বিষ স্প্রের কাজ করতো । কিন্তু নাকে-মুখে কাপড় দিত না । এই বিষ শরীরে ঢুকে প্রত্যেকেরই ক্যান্সারে মৃত্যু ঘটেছে । তাই ঝুঁকিমুক্ত ভাবে নিজে বাঁচতে ও অন্যকে বাঁচাতে সবাইকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে ।
চিত্র: CSR এর অন্যতম নিদর্শন সফল উদ্যোক্তা মরহুম জহুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ
এ অধ্যায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা (শিখন ফল)
১. ব্যবসায়িক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে
২. ব্যবসায়িক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৩. ব্যবসায়ের সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৪. ব্যবসায়ের সামাজিক দায়বদ্ধতার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে
৫. সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে পারবে
৬. ব্যবসায়িক কারণে পরিবেশ দূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারবে
৭. পরিবেশ সংরক্ষণে বণিক সমিতি/ব্যবসায় সংগঠনসমূহের দায়িত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে
৮. সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের গৃহিত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করতে পারবে
৯. খাদ্য সংরক্ষণে যে সকল রাসায়নিক ব্যবহার হয় সেগুলোর ক্ষতিকর দিক শনাক্ত করতে পারবে
১০. রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত খাদ্যের ক্ষতিকর দিকগুলো বিশ্লেষণ করতে পারবে
১১. ক্ষতিকারক পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো শনাক্ত করতে পারবে
১২. খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণে রাসায়নিক ব্যবহারে সতর্কতা ও করণীয়দিকগুলো চিহ্নিত করতে পারবে