যদি কোনো বন্ডকে তার ধারক প্রয়োজনে বা নিজ ইচ্ছায় কোম্পানির সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত করতে পারে তাহলে এমন বন্ডকে রূপান্তরযোগ্য বন্ড বলে।
যে শেয়ারের মালিকগণ অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিভিন্ন দিক বিচারে অধিক সুবিধা ও মর্যাদা ভোগ করে সে শেয়ারকে সাধারণ শেয়ার বলে।
সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণই কোম্পানির প্রকৃত মালিক হিসেবে গণ্য হয়। কারণ সাধারণ শেয়ার বিনিয়োগকারীকে কোম্পানির মালিকানা দেয়। সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ভোটাধিকার থাকায় কোম্পানি নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা পায়। যা অন্য শেয়ারের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না।
সুরমা বন্ডের প্রকৃত মূল্য নির্ণয় :
এখানে
অভিহিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
মেয়াদপূর্তি মূল্য (MV) = ১,০০০ টাকা
মেয়াদকাল (n) = ১০ বছর
প্রত্যাশিত আয়ের হার (K) = ১২% বা, ০.১২
আমরা জানি,
জিরো কুপন বন্ডের প্রকৃত বা বর্তমান মূল্য,
=
=
=
= ৩২১.৯৭ টাকা
সুতরাং সুরমা বন্ডের প্রকৃত বা বর্তমান মূল্য ৩২১.৯৭ টাকা।
জনাব রনির বিনিয়োেগ সিদ্ধান্তের যথার্থতা গাণিতিকভাবে মূল্যায়ন :
তিস্তা বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় :
এখানে
অভিহিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
মেয়াদপূর্তি মূল্য (MV) = ১,০০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ১,১০০ টাকা
মেয়াদকাল (n) = ৮ বছর
সুদের পরিমাণ (I) = ১,০০০ × ২০% = ২০০ টাকা
প্রত্যাশিত আয়ের হার (Ka) = ১২% বা, ০.১২
আমরা জানি,
পরিশোধযোগ্য বন্ডের বর্তমান মূল্য,
= (২০০ ৪.৯৬৭৬৪২) + ৪০৩.৮৮৩২৫৭
= ৯৯৩.৫২৮৪ + ৪০৩.৮৮৩২৫৭
= ১,৩৯৭.৪১ টাকা
লক্ষণীয় যে, তিস্তা বন্ডের বাজারমূল্য ১,১০০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ১,৩৯৭.৪১ টাকা হতে কম। এক্ষেত্রে বন্ডটি ক্রয় করলে লাভ হবে (১,৩৯৭.৪১ -১,১০০) = ২৯৭.৪১ টাকা। কিন্তু সুরমা বন্ডের বাজারমূল্য ৯৫০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ৩২১.৯৭ টাকা হতে বেশি। এক্ষেত্রে বন্ডটি ক্রয় করলে ক্ষতি হবে (৯৫০ – ৩২১.৯৭) = ৬২৮.০৩ টাকা। এমতাবস্থায় বলা যায়, জনাব রনির তিস্তা বন্ডে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত যথার্থ হয়েছে।
Related Question
View Allযে বন্ডের অভিহিত মূল্যের ওপর নির্দিষ্ট সময় অন্তর একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ প্রদান করা হয় তাকে কুপন বন্ড বলে।
একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য যে মূলধনের প্রয়োজন হয় তাকে কার্যকরী মূলধন বলে।
চলতি সম্পদ ও চলতি দায় নিয়ে কার্যকরী মূলধন গঠিত। কার্যকরী মূলধনকে ব্যবসায়ের জীবনীশক্তি বলা হয়। কারণ এটা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কোম্পানির উৎপাদন ও বিক্রয়কার্য পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
A বন্ডের চলতি আয়ের হার নির্ণয় :
এখানে,
অভিহিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ১১০০ টাকা
সুদের পরিমাণ (I)= ১০০০ ১২ % = ১২০ টাকা
আমরা জানি,
চলতি আয়ের হার
=
= ১০.৯১%
সুতরাং A বন্ডের চলতি আয়ের হার ১০.৯১%।
A বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় :
এখানে,
অভিহিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ১,১০০ টাকা
প্রত্যাশিত আয়ের হার (Kd) = ১০%
সুদের পরিমাণ (I) = ১,০০০ × ১২% = ১২০ টাকা
আমরা জানি,
অপরিশোধযোগ্য বন্ডের বর্তমান মূল্য,
= ১,২০০ টাকা
B বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় :
এখানে,
পরিপক্ক মূল্য (MV) = ১,৫০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ৬০০ টাকা
মেয়াদকাল (n) = ১২ বছর
প্রত্যাশিত আয়ের হার (Kd) = ১০% বা, ০.১০
আমরা জানি ,
জিরো কুপন বন্ডের মূল্য
=
=
=
= ৪৭৭.৯৫ টাকা
লক্ষণীয় যে, A বন্ডের বাজারমূল্য ১,১০০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ১,২০০ টাকা হতে কম। এ বন্ডে বিনিয়োগ করলে লাভ হবে (১,২০০ - ১,১০০) = ১০০ টাকা। অপরপক্ষে, B বন্ডের বাজারমূল্য ৬০০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ৪৭৭.৯৫ টাকা হতে বেশি। এ বন্ডে বিনিয়োগ করলে ক্ষতি হবে (৬০০ – ৪৭৭.৯৫) = ১২২.০৫ টাকা। এমতাবস্থায় জনাব স্বপনের A বন্ডে বিনিয়োগ করা উত্তম হবে।
৫ বছরের অধিক সময়ের জন্য যে অর্থায়ন করা হয় তাকে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে।
যে শেয়ারহোল্ডারগণ লভ্যাংশ প্রাপ্তিতে ও মূলধন প্রত্যাবর্তনে অন্যান্য শেয়ারহোল্ডারদের চেয়ে অগ্রাধিকার পায় তাকে অগ্রাধিকার শেয়ার বলে।
যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে নির্দিষ্ট হারে আয় প্রত্যাশা করে, তাদের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার একটি ভালো বিনিয়োগ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক অগ্রাধিকার শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের বিকল্প সুযোগ থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!