জলবায়ুর অন্যতম উপাদান তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত। বাংলাদেশের কৃষির উপর এ দুটির প্রভাব রয়েছে। এছাড়াও আমাদের দেশের জলবায়ু প্রধানত শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপে বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে এবং ঐ তাপমাত্রা ও চাপে বায়ু সর্বোচ্চ যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে তাদের অনুপাতকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদে ফুল ধরার জন্য রাতের দৈর্ঘ্যের চেয়ে দিনের দৈঘ্য বেশি প্রয়োজন সে সকল উদ্ভিদকে দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ বলে। সয়াবিন ফসল ১২ ঘণ্টা বা তার অধিক দৈর্ঘ্যে ফুল ধারণ করে। এই নির্দিষ্ট সময়সীমার চেয়ে দিনের দৈর্ঘ্য কম হলে এ উদ্ভিদে ফুল ধরবে না। বড় দিনের উদ্ভিদে আলো পাওয়ার সময়ের চেয়ে অন্ধকার থাকার সময়কাল কম হলে ফুল ধরে। তাই সয়াবিনকে দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্যান ও মাঠ ফসলের উপর উদ্দীপকে বর্ণিত তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের প্রভাব রয়েছে।

বেঁচে থাকার জন্য সকল উদ্ভিদের একটি সর্বনিম্ন, সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে, এর কমবেশি হলে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঠান্ডা ঋতুর ফসল অপেক্ষাকৃত কম তাপ পছন্দ করে। যেমন- গম, আলু ইত্যাদি। উষ্ণ ঋতুর ফসল অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রায় জন্মে। যেমন-পাট, রাবার ইত্যাদি। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসল উৎপাদনে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। উৎপাদন ঋতুতে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বাংলাদেশে উফশী ধানের ফলন কম হয় এবং গমে রোগের আক্রমণ বেড়ে যায়। উচ্চ তাপমাত্রা ফলের বৃদ্ধি ও পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে। যেকোনো শাকসবজি ও ফলের জন্য তাপমাত্রা ১০০ সে. এর নিচে গেলে গাছে ঠান্ডাজনিত ক্ষত হয় এবং ফলন কমে যায়। গ্রীষ্মকালে বোনা আউশ ও পাটের বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল। বৃষ্টিপাত বেশি হলে অনেক শাকসবজির গোড়া পচে যায়, ফুল- ফল ধারণ ব্যাহত ও ফলন কম হয়। খরার পর প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে কলা, টমেটো, আখ প্রভৃতিতে ফাটল দেখা যায়।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত ফসলের উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশের কৃষিতে উদ্দীপকে উল্লিখিত শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি বায়ুর প্রভাব রয়েছে। মৌসুম বা ঋতুভিত্তিক যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে। বাংলাদেশে দুই ধরনের মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়- শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন।

শীতকালে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ুতে তেমন জলীয়বাষ্প থাকে না। তাছাড়া আমাদের দেশের দক্ষিণে কোনো পর্বত না থাকায় বায়ুর উর্ধ্বগমনের মাধ্যমে শীতলীকরণ না হওয়ায় তেমন বৃষ্টিপাত হয় না। এসময় কৃষকরা সীমিত আর্দ্রতা ও শীত পছন্দকারী বিভিন্ন ফসল যেমন- ডাল, গম, তেলবীজ, আলু, লালশাক, পালংশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মশলা ইত্যাদি জন্মায়। পক্ষান্তরে, গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত মৌসুমি বায়ুতে যথেষ্ট জলীয়বাষ্প থাকায় এবং উত্তরে হিমালয় পর্বতের প্রভাবে বায়ুর উর্ধ্বগমনের ফলে শীতলীকরণের সুযোগ থাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। কৃষকরা তখন অত্যাধিক আর্দ্রতা পছন্দকারী ফসল যেমন- ধান, পাট, ইক্ষু, ভুট্টা, পুঁইশাক, পটল ইত্যাদি জন্মায়। দেশের বেশিরভাগ ফসল এ সময় জন্মে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল, যেমন- পাট, তুলা, চা, তামাক, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদির উৎপাদন বেশি হলে এ সব শিল্পের সম্প্রসারণ ও বিকাশ ঘটে। তাছাড়া মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে চা ও রাবার চাষ ভালো হয় যা আমাদের অর্থকরী ফসল। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর- ডোবা, হাওর-বাঁওড় প্রভৃতি পানিতে ভরে যায়। ফলে এসব জলাশয়ে গলদা চিংড়ি, ইলিশ ইত্যাদি মাছের পাশাপাশি অন্যান্য মাছের উৎপাদন বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ উষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত হলেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে যা কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
197

Related Question

View All
উত্তরঃ

জিটিআই বা গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে কর্মমুখী করার লক্ষ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
439
উত্তরঃ

কৃষি ডাইরি কৃষি তথ্য সার্ভিস কর্তৃক প্রকাশিত ডাইরি যেখানে আধুনিক কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তের উল্লেখ থাকে।

বর্তমান গবেষণার ফলাফল ও আধুনিক কৃষির তথ্য উপাত্ত, যেমন- বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত, বীজ, সারের মাত্রা, সেচ, বালাইনাশক, সর্বশেষ প্রযুক্তি, বিভিন্ন পরিসংখ্যান ইত্যাদি তথ্য এ ডাইরিতে পাওয়া যায়। এ ডাইরিতে কৃষি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা, ব্যক্তি, সমিতি, সংগঠন ইত্যাদির ফোন/ফ্যাক্স নম্বর, ই- মেইল, ওয়েবসাইটসহ প্রয়োজনীয় যোগাযোগের ঠিকানা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
468
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আয়োজনটি হলো উঠোন বৈঠক। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে এলাকার কোনো একজন কৃষকের বাড়ির উঠোনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় যাতে আশেপাশে বসবাসরত ৫০-৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। এখানে কৃষকেরা তাদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মূলত এই বৈঠক আয়োজন করা হয়। একটি এলাকার কৃষকদের মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বিভিন্ন কৃষি সমস্যা সমাধান করে থাকে উঠোন বৈঠক। উঠোন বৈঠকে কোনো কৃষক যদি তার কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা উত্থাপন করেন তবে অন্যান্য কৃষক তাকে সেই সংক্রান্ত সমাধান দিয়ে থাকেন। মাঝেমাঝে কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। অনেক সময় এমন সব সমস্যার উদ্ভব হয়, যা এলাকার সব কৃষক একসাথে মিলে সমাধান করেন। যেমন- খরাকালীন সময়ে সেচ সমস্যা, ফসলে রোগ বা পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করা, মূল্যবান কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, নতুন কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ ও বর্জন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি। উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তা সহজেই কোনো এলাকার কৃষি সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকেন। যার মাধ্যমে অল্প সময়ে তিনি কৃষকদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন।

তাই বলা যায়, কৃষি সেবা প্রাপ্তিতে উঠোন বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
342
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তা বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী দিবা দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে ফসল চাষ করতে পরামর্শ দেন। দিবা দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে ফসলকে ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- 

i. স্বল্প দিবস ফসল 

ii. দীর্ঘ দিবস ফসল ও 

iii. দিবস নিরপেক্ষ ফসল।

যেসব ফসলের পুষ্পায়নের জন্য স্বল্পকালীন সময়ব্যাপী দিবালোক প্রয়োজন হয়, সেসব ফসলকে স্বল্প দিবস ফসল বলে। যেমন- ফুলকপি, সরিষা, আমন ধান ইত্যাদি। সাধারণত এসব ফসলের ফুল উৎপাদনের জন্য ১২ ঘণ্টার কম অর্থাৎ, গড়ে ৯-১১ ঘণ্টা দিবালোকের প্রয়োজন হয়। যেসব ফসলের পুষ্পায়নের জন্য দীর্ঘ দিবালোকের প্রয়োজন হয় সেসব ফসলকে দীর্ঘ দিবস ফসল বলে। যেমন- মুলা, আলু ইত্যাদি। এসব ফসলের ফুল উৎপাদনের জন্য দৈনিক ১২ ঘণ্টার বেশি দিবা দৈর্ঘ্য ও অল্প সময়ের অন্ধকারের প্রয়োজন পড়ে। আবার, যেসব ফসলের পুষ্পায়নের উপর দিবা দৈর্ঘ্যের কোনো প্রভাব পড়ে না তাদের দিবস নিরপেক্ষ ফসল বলে। যেমন- আউশ ধান, আমন ধান, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি। কারণ এগুলোর ফুল-ফল উৎপাদনে দিবা দৈর্ঘ্যের প্রভাব কম থাকায় এগুলো আলোক স্থিতিকাল দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

অর্থাৎ, ফসলের ফুল ধারণের ওপর দিবালোকের প্রভাব বিবেচনা করে চাষ করলে সব ধরনের ফসল ফলানো সম্ভব। অতএব, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
654
উত্তরঃ

বসতবাড়ির আশেপাশে, রাস্তার পাশে, পতিত জমিতে, রেললাইনের পাশে, প্রতিষ্ঠানের আশেপাশেসহ বিভিন্ন সামাজিক এলাকায় যে বন গড়ে উঠেছে তাকে সামাজিক বন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
343
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটিতে ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
999
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews