জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুযায়ী শিক্ষার মাধ্যমিক স্তর নিচে উল্লেখ করা হলো :
Related Question
View Allজন্ম থেকে শুরু করে সচেতন অবস্থায় মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষ যে জ্ঞান অর্জন করে এবং তার জন্য যে সময় ব্যয় করে সেই সময়কেই শিক্ষাজীবন বলে।
শিক্ষার্থীর শাখা নির্বাচনের আগে ভবিষ্যতে যে পেশা গ্রহণ করতে চায় সেই বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
পেশার সাথে পড়ালেখার বিষয় জড়িত। যেমন, যদি কেউ ডাক্তার হতে চায় তাহলে তাকে বিজ্ঞান শাখায় পড়াশুনা করতে হবে। আর যদি কেউ ব্যাংকার অথবা বড় ব্যবসায়ী হতে চায় তাহলে তাকে ব্যবসায়শিক্ষা শাখায় পড়াশুনা করতে হবে। তাই শাখা নির্বাচনের আগে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই তার ভবিষ্যতের পেশা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।
মিথুনের ভবিষ্যৎ পেশার কথা চিন্তা করলে তার জন্য ব্যবসায় শিক্ষা শাখা উপযুক্ত।
শিক্ষার্থীরা শাখা নির্বাচন করতে চাইলে তাকে তার ভবিষ্যৎ পেশা গ্রহণের বিষয়টি চিন্তা করতে হবে। কারণ পেশার সাথে পড়ালেখা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উদ্দীপকে মিথুন একজন শিক্ষার্থী। সে পড়ালেখায় ভালো এবং তার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল বের হওয়ার পর দেখল যে, সে বিজ্ঞান বিষয়ে সবচেয়ে ভালো করেছে। তার ইচ্ছা সে বড় হয়ে ব্যাংকার হবে। আর এই লক্ষ্য পূরণে তাকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা গ্রহণ করতে হবে। কারণ ব্যবসায় শিক্ষা শাখার সাথেই ব্যাংকিং বিষয়গুলো জড়িত যা ভবিষ্যতে সাফল্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন
মিথুন যদি বিজ্ঞান শাখা নির্বাচন করে তাহলে তার ব্যাংকার হওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধার তুলনায় অসুবিধাই বেশি হবে।
ব্যাংকার হতে হলে ব্যাংকিং বিষয়গুলো জানতে হয়। বিজ্ঞান শাখায় ব্যবসায় কিংবা ব্যাংকের কোনো বিষয়বস্তু আলোচনা করা হয় না।
সাধারণত বিজ্ঞান শাখার বিষয়গুলো হলো পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, রসায়ন বিজ্ঞান ইত্যাদি। আর এসব বিষয়ে ব্যবসায় ও ব্যাংকিংসংক্রান্ত কিছুই অন্তর্ভুক্ত থাকে না। বিজ্ঞান শাখায় শুধু বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করা হয়। অপরদিকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার বিষয়গুলো হচ্ছে হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ, পরিসংখ্যান, ব্যাংকিং, ফিন্যান্স ও বিমা। এসব বিষয়ে ব্যবসায় ও ব্যাংকিং বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকে।
ব্যাংকের ম্যানেজার হওয়ার জন্য মিথুনকে হিসাব ও ব্যাংকিং বিষয়বস্তু জানতে হবে। কিন্তু যদি সে বিজ্ঞান শাখায় পড়াশুনা করে তাহলে এসব বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবে না। তাই ব্যাংকের ব্যাংকার হতে হলে মিথুনকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পড়াশুনা করাই অধিকতর সুবিধাজনক।
কপড়া-লেখা, হিসাব-নিকাশ, শোনা ও বলার দক্ষতাকেই মৌলিক দক্ষতা বলে।
কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে গুণাবলি মুখ্য হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি গুণাবলি নিচে উপস্থাপন করা হলো। যথা:
১. নিজের শেখা জ্ঞানকে প্রয়োগ করতে পারা।
২. অন্যের সাথে সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারা।
৩. নতুন কিছু সৃষ্টি করার দক্ষতা।
৪. বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা করতে পারা।
৫. নিজের আচরণ, আবেগ ইত্যাদির ওপর নিয়ন্ত্রণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
