জাফর আলী একজন দরিদ্র কিন্তু সৎ কৃষক। তার একটি গাভী আছে। তিনি দুধ বিক্রি করে কোনো রকমে সংসার চালান। তার সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে। তাই তার স্ত্রী জামিলা অতিরিক্ত আয়ের জন্য মাঝেমধ্যে দুধে পানি মিশিয়ে এবং ওজনে কম দিয়ে বিক্রি করতে বলেন। কিন্তু তিনি স্ত্রীকে বুঝিয়ে বলেন, "মানুষকে ফাঁকি দেওয়া গেলেও আল্লাহর দৃষ্টিকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়"।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আরবি 'জিকির' শব্দের অর্থ- স্মরণ করা, মনে রাখা, বর্ণনা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নিজের জন্মভূমি বা দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসাই দেশপ্রেম। দেশপ্রেম এক ধরনের মানসিক অনুভূতি। মাতৃভূমির প্রতি গভীর অনুরাগ, ভালোবাসা, আনুগত্য প্রকাশ, প্রভৃতির মধ্যে দেশপ্রেম নিহিত। বস্তুত দেশপ্রেম হচ্ছে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। এটি ছাড়া স্বাধীনতা অর্জন এবং রক্ষা করা যায় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রমুখ বরণীয় ব্যক্তিত্ব দেশপ্রেমের মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জামিলার চরিত্রে প্রতারণার বিষয়টি ফুটে ওঠেছে। প্রতারণা মিথ্যারই এক বিশেষ রূপ। মানুষকে ঠকানো, ফাঁকি দেওয়া, বিশ্বাস ভঙ্গ করা, পণ্যে ভেজাল দেওয়া, পণ্যের দোষ গোপন করা, ওজনে কম দেওয়া প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত। এ পদ্ধতিতে প্রকৃত বিষয় আড়ালে রেখে ধোঁকার মাধ্যমে স্বার্থসিদ্ধি করা হয়। মুদ্রা জাল করা, পণ্য নকল করা, মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এমনকি নিজ নিজ দায়িত্ব ঠিকমতো পালন না করাও প্রতারণার শামিল। প্রতারণা ইসলাম পরিপন্থি কাজ। যা জামিলার মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত জাফর আলী দরিদ্র হলেও একজন সৎ কৃষক। তিনি গাভীর দুধ বিক্রি করে কোনোরকমে সংসার চালান। সংসারের অতিরিক্ত আয়ের জন্য তার স্ত্রী জামিলা মাঝেমধ্যে দুধে পানি মিশিয়ে এবং ওজনে কম দিয়ে বিক্রি করতে বলেন। দ্রব্যে ভেজাল বা ওজনে কম দেওয়া প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত। রাসুল (স) বলেন, 'যে প্রতারণা করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়' (তিরমিযি)। তাই দুধে পানি মিশিয়ে এবং ওজনে কম দিয়ে বিক্রি করাও প্রতারণা মূলক কাজ আর এ থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, দুধে পানি মিশানো ও ওজনে কম দেওয়া সংক্রান্ত জনাব জাফর আলীর মন্তব্যটি আমি সমর্থন করি। জাফর আলীর স্ত্রী মাঝেমধ্যে দুধে পানি মিশিয়ে এবং ওজনে কম দিয়ে বিক্রয় করতে বললে তিনি স্ত্রীকে বলেন, 'মানুষকে ফাঁকি দেওয়া গেলেও আল্লাহর দৃষ্টিকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়।' এতে তার তাকওয়া বা আল্লাহভীতির বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, একমাত্র আল্লাহর ভয়ে সব ধরনের পাপাচার ও অন্যায় থেকে নিজেকে বিরত রেখে কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশ অনুযায়ী জীবনযাপন করাকে তাকওয়া বলে। যিনি তাকওয়া অবলম্বন করেন তাকে বলা হয় মুত্তাকি। আর একজন প্রকৃত মুত্তাকি কখনো কারো সাথে প্রতারণা করেন না, কাউকে ধোঁকা দেন না। কেননা তিনি জানেন সবাইকে ফাঁকি দেওয়া গেলেও আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। মানুষের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা জানেন। অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে সংসার চালালেও একমাত্র আল্লাহর ভয়ে জনাব জাফর আলী দুধের সাথে পানি মেশানো এবং ওজনে কম দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। তার স্ত্রীকে বলেন, মানুষকে ফাঁকি দেওয়া গেলেও আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়। এরূপ মন্তব্য তার তাকওয়াবান হওয়ার বিষয়টিই প্রকাশ করে। আর এ তাকওয়ার মাধ্যমে ইমানের পূর্ণতা এনে তিনি আল্লাহর কাছে একজন মর্যাদাবান ব্যক্তি হতে পারবেন। আল্লাহ বলেন- 'তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে বেশি মর্যাদাবান, যার মধ্যে অধিক তাকওয়া রয়েছে' (সুরা হুজুরাত : ১৩)।

পরিশেষে বলা যায়, দৈনন্দিন জীবনে মানুষের যাবতীয় কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা জানেন। তাই মানুষকে ধোঁকা দেওয়া বা প্রতারিত করা গেলেও আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। এজন্য আল্লাহর ভয়ে আমাদের সব ধরনের পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত থাকা উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
120
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়ত নির্দেশিত বৈধ উপায়ে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
320
উত্তরঃ

পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সালাম অর্থ শান্তি। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের দেখা হলে প্রথমে সালাম বিনিময় করে। এর মাধ্যমে অন্যের শান্তি তথা কল্যাণ কামনা করা হয়। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালামের উত্তর না দিলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী সে গুনাহগার হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
380
উত্তরঃ

আবদুল বাতেন তার ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম- পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখার জন্য ইসলাম শিক্ষা অধ্যয়ন করতে বলেছেন। যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। এটি কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা, হালাল উপার্জন ও কর্মমুখী জীবন গঠন, দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তিলাভ প্রভৃতি ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য। আবদুল বাতেন তার ছেলেকে এ বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।

উদ্দীপকের আবদুল বাতেন তার একমাত্র ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখানোর জন্য একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। তিনি এখানে ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলামের বিধিবিধান এবং আল্লাহর ইবাদতের পদ্ধতি শেখানো, জীবনের সবক্ষেত্রে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং ব্যক্তির চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শন করে এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণ করাও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
301
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আবদুল বাতেন হালাল-হারামের বিধান মেনে চলেন। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। আবদুল বাতেন দৈনন্দিন জীবনে এ বিধানটি মেনে চলার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব আবদুল বাতেন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করেন। তিনি হালাল পথে উপার্জন করেন। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করেন। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের প্রধান পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন। হারাম বা অবৈধ জিনিস প্রহণের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
236
উত্তরঃ

হাক্কুল্লাহ বলতে আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্যকে বোঝায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্য পালনের মানে হচ্ছে যথাযথভাবে তার ইবাদত করা। জীবনের সবক্ষেত্রে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। যেকোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করা। তার নেয়ামতের শোকর করা এবং সুখে-দুঃখে তার ওপর ভরসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
567
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews