জাফর কৃষিকাজ করেন। এ বছর তিনি চড়াসুদে ঋণ নিয়ে আলু উৎপাদন করলেন। ফলনও খুব ভালো হলো। কিন্তু বাজারে আলুর দাম অত্যন্ত কম। রাস্তাঘাট ও যানবাহনের অভাবে জেলা শহরের বাজারে নিতে পারেননি। এ অবস্থায় স্থানীয় আড়তদারদের কাছে সস্তাদামে বিক্রি করতে হয়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ উঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

একজন কৃষক ফসল ফলানোর জন্য যে জমি ব্যবহার করে থাকে তাকে কৃষি খামার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অর্থকরী সম্পদ। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে চিংড়ি খাত ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। বাংলাদেশ থেকে হিমায়িত চিংড়ি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্স, হংকং, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরবসহ অন্যান্য উন্নত দেশে রপ্তানি হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয়েছে ২.২৭ লাখ মেট্রিক টন চিংড়ি যার মধ্যে ৫৪ হাজার ৮৯১ টন চিংড়ি রপ্তানি হয়েছে। এ কারণে, চিংড়ি রপ্তানির মাধ্যমে দেশ আর্থিকভাবে ব্যাপক লাভবান হওয়ায় চিংড়িকে সাদা সোনা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জাফর আলুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার মূল কারণ হলো কৃষি পণ্য বিপণনের সমস্যা। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

→ বাংলাদেশে নিম্নমানের বীজ, শস্যোৎপাদনকালে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, কীট-পতঙ্গের আক্রমণ, প্রাচীন পদ্ধতিতে ফসল কর্তন, সংরক্ষণের অভাব ইত্যাদি কারণে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের গুণগত মান নিম্ন হয়। তাছাড়া পণ্যের সুষ্ঠু শ্রেণিবিভাগ, মান নির্ধারণ ও নমুনাকরণের অভাবেও কৃষকরা পণ্যের উপযুক্ত দাম পায় না।

→ এদেশের কৃষকরা দারিদ্র্যের জন্য কিংবা পণ্য গুদামজাত করা ও তা সংরক্ষণের অভাবে ফসল ওঠার পরপরই তা বিক্রি করে ফেলে। ফলে তারা পণ্যের উপযুক্ত দাম থেকে বঞ্চিত হয়।

→ এদেশে কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক মধ্যস্বত্বভোগী অবস্থান করে। এদের কারণে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করতে পারে না। ফলে ভোক্তারা বেশি দামে পণ্য ক্রয় করলেও কৃষকরা তার সুফল পায় না।

→ অনুন্নত পরিবহনব্যবস্থার জন্য কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য দূরের বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে পারে না। দোরগোড়াতেই কম দামে মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের কাছে পণ্য বিক্রি করে তার উপযুক্ত দাম থেকে বঞ্চিত হয়।

অতএব বলা যায়, কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থায় নানা ধরনের সমস্যা বিদ্যমান। তাই কৃষকরা পণ্যের উপযুক্ত দাম পায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের আলোকে কৃষিপণ্য বিপণনের সমস্যা সমাধানে সরকারের ভূমিকা রয়েছে, যা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇒পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি: সরকারকে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করতে হবে। পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে কৃষকেরা অল্প ব্যয়ে তাদের উৎপাদিত পণ্য দূরবর্তী বাজারে পাঠিতে ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে।

⇒ পণ্যের শ্রেণিবিভাগ ও মান নির্ধারণ সরকার গুণাগুণ বিচার করে কৃষিজাত পণ্যের যথাযথভাবে শ্রেণিবিভাগ ও মান নির্ধারণের ব্যবস্থা করতে পারে। এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দেশে ও বিদেশে আমাদের কৃষিজাত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। ফলে কৃষকরা তাদের পণ্য ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে।

⇒ মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের বিলোপসাধন: সরকারকে দালাল, ফড়িয়া, আড়তদার, বেপারি প্রভৃতি মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের বিলোপ সাধন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার কৃষিজাত পণ্য ক্রয় এজেন্সি গঠন করতে পারেন। ক্রয় এজেন্টরা মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের সংখ্যা কমে যাবে। ফলে তাদের নির্ধারিত দামে কৃষিপণ্য ক্রয় করলে আপনা-আপনি দ্বারা কৃষকদের আর প্রবঞ্চিত হওয়ার ভয় থাকবে না।

⇨ সমবায় বিক্রয় সমিতি গঠন: মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে সরকারকে সর্বত্র সমবায় বিক্রয়
সমিতি গঠন করতে হবে। এ সমিতির মাধ্যমে কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে এবং মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের দৌরাত্মা
কমে যাবে।

⇒ একই মানের ওজন ও মাপের প্রবর্তন: সরকারকে দেশে সাধারণ মানের ওজন ও মাপের প্রবর্তন করতে হবে।
দেশের সর্বত্রই একই মানের ওজন ও মাপ প্রবর্তিত হলে দালাল ও ফড়িয়ারা কৃষকদের ঠকাতে পারবে না। দেশে সুষ্ঠু ওজন ও মাপ সুনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন পাস করতে হবে।

⇨ পণ্যের গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা: কৃষকেরা যাতে তাদের উৎপাদিত দ্রব্য গুদামজাত করে রাখতে পারে তার জন্য সরকারকে পল্লী অঞ্চলে গুদাম তৈরি করতে হবে। সমবায় সমিতিগুলো এরূপ গুদাম নির্মাণ

এবং পণ্য সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে। সমবায় বিক্রয় সমিতি পল্লী অঞ্চলে গুদাম ঘর নির্মাণ করে তাতে কৃষকদের পণ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে।
সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশে কৃষিপণ্যের বিপণন সমস্যাগুলো সমাধান করার ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
17
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সেচ হলো কৃত্রিমভাবে কৃষিজমিতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
104
উত্তরঃ

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১% কৃষি খাতে নিয়োজিত। কিন্তু এ দেশের অধিকাংশ কৃষক ভূমিহীন ও দরিদ্র। ফলে কৃষিকাজের সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণ করতে হয়। তাই কৃষকরা বিভিন্ন উৎস থেকে কৃষিঋণ গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনা অনুসারে আব্দুল করিম কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-উৎপাদিত ফসল ভোক্তার নিকট তথা ক্রেতার নিকট পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম বা প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণ বলে। এ ধরনের পেশার লোকদের দালাল বা ফড়িয়া বলে। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা বা ভোক্তার চাহিদামতো কৃষিপণ্য উৎপাদন করা বাজারজাতকরণের প্রথম ধাপ। বিপুল কৃষিপণ্য একসাথে বিক্রি করা যায় না। ফলে কৃষিপণ্য গুদামজাত ও সংরক্ষণ করতে হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে কৃষিপণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌছানোর জন্য পরিবহনের প্রয়োজন হয়। ক্ষেত থেকে ফসল ক্রয় করা, গুদামজাতকরণ, পরিবহন ইত্যাদির জন্য বিপণনের কাজে ব্যবসায়ী/কৃষকের অর্থের যোগান থাকতে হয়। অতঃপর উক্ত কৃষিপণ্যসমূহ বাজারে বিক্রয় করতে হয়। আব্দুল করিমও ফসলের মৌসুমে কৃষকদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন তাদের ফসল কেনার জন্য। কৃষকদের থেকে সংগৃহীত ফসল তিনি শহরের বাজারে সরবরাহ করেন। এই মধ্যপন্থী কার্যক্রম, অর্থাৎ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আয় করে তার সংসার চালান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
79
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, বাজারজাতকরণ বা বিপণন পেশা আমাদের দেশে প্রয়োজনীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এ দেশের অধিকাংশ কৃষক অশিক্ষিত। তারা অনেক পরিশ্রম করে শস্য ফলায়। তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করলে ভালো দাম পায় না। তাই তারা দালাল বা ফড়িয়াদের কাছে সাধারণ দামের চেয়ে একটু বেশি দামে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রির চেষ্টা করে। দালাল বা ফড়িয়ারা ওই ফসল শহরে আরও বেশি দামে বিক্রি করে। এতে তারা নিজেরাও লাভবান হয়, আবার কৃষকরাও সাধারণের থেকে একটু বেশি লাভবান হয়। এই দালাল বা ফড়িয়াদের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম থেকে গঞ্জে এবং গঞ্জ থেকে শহরে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভোক্তার কাছে আসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করার কাজেও এ ধরনের দালাল বা ফড়িয়াদের অবদান রয়েছে। আমাদের দেশে এই ধরনের দালাল ও ফড়িয়ারা আছে বলেই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বিক্রি করতে পারছে। তবে বর্তমানে কিছু ভুয়া দালাল ও ফড়িয়া কৃষকদের ঠকিয়ে তাদের কষ্টে উৎপাদিত পণ্য আত্মসাৎ করছে। যার ফলে সরকার ওই দালাল ও ফড়িয়াদের দূর করতে নিজেরাই কৃষকদের কাছ থেকে ধান/চাল কিনছে। কিন্তু এ দেশে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে দালাল ও ফড়িয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই আমি মনে করি, আমাদের দেশে এ ধরনের পেশা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
95
উত্তরঃ

একজন কৃষক ফসল ফলানোর জন্য যে জমি ব্যবহার করে থাকে তা-ই কৃষি খামার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
99
উত্তরঃ

কৃষি খামারে একটি মাত্র ফসলের পরিবর্তে একাধিক ফসল উৎপাদন করাকে বলা হয় শস্য বহুমুখীকরণ। এ ক্ষেত্রে একই জমিতে বছরের নানা সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা হয়। ১৯৯০-এর দশকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকার শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
102
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews