মূলধন বাজেটিং এর পদ্ধতি ৪টি।
মূলধন বাজেটিং হলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের একটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।
মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি বিনিয়োগের লাভজনকতা সম্পর্কে জানা যায়। আবার, ঐ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকির সম্ভাবনাও এ প্রক্রিয়ায় জানা সম্ভব। এছাড়া একাধিক বিকল্প বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত থাকলেও এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোত্তম বিকল্পটি নির্বাচন করা যায়।
জাহিদ ট্রেডার্সের গড় মুনাফার হার নির্ণয়
বিবরণ | পরিমাণ (টাকায়) | ||
| বছর-১ | বছর-২ | বছর-৩ |
আয় বাদ: চলতি ব্যয় (আয়ের ৩৫%) বাদ: অবচয় মুনাফা/ক্ষতি বাদ: কর (৩০%) নিট মুনাফা/ক্ষতি
| ৪,০০,০০০ ১,৪০,০০০ ৫,৩৩,৩৩৩ (২,৭৩,৩৩৩) (২,৭৩,৩৩৩)
| ৭,০০,০০০ ২,৪৫,০০০ ৫,৩৩,৩৩৩ (৭৮,৩৩৩) (৭৮,৩৩৩)
| ৯,০০,০০০ ৩,১৫,০০০ ৫,৩৩,৩৩৪ ৫১,৬৬৬ ১৫,৫০০ ৩৬,১৬৬ |

বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রকল্পের বা বিকল্পগুলোর যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে মূলধন বাজেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কোনো বিনিয়োগ প্রকল্পের নগদ আন্তঃপ্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহ বিবেচনা করে লাভজনক ভিত্তিতে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াকে মূলধন বাজেটিং বলে। এটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের একটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।
উদ্দীপকে জাহিদ ট্রেডার্স একটি প্রকল্পে ১৬,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথম তিন বছরে প্রাক্কলিত আয় যথাক্রমে ৪,০০,০০০ টাকা, ৭,০০,০০০ টাকা এবং ৯,০০,০০০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য চলতি খরচ ও করের হার যথাক্রমে ৩৫% ও ৩০%। উক্ত তথ্য থেকে প্রকল্পটির গড় ক্ষতির হার বের করা হয়েছে ১৩.১৫%।
মূলধন বাজেটিং-এর মাধ্যমে কোনো বিনিয়োগ প্রকল্প থেকে বিক্রয়,
চলতি খরচ, কর, অবচয় ইত্যাদি প্রাক্কলন করা হয়। এরপর সবকিছুকে বিবেচনায় নিয়ে নিট লাভ ও নগদ প্রবাহ প্রাক্কলন করা হয়। এক্ষেত্রে
মূলধন বাজেটিং এর বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে বিনিয়োগের লাভজনকতা বিচার করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় উদ্দীপকের প্রকল্পটি ক্ষতি নির্দেশ করছে। তাই এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করা উচিত হবে না। সুতরাং আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে মূলধন বাজেটিং এর মূল্যায়ন পদ্ধতিগুলো বিনিয়োগকারীকে যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!