টিস্যু কালচারের উদ্দেশ্যে উদ্ভিদের যে অংশ পৃথক করে নিয়ে ব্যবহার করা হয় তাই হলো Explant।
থ্যালাসেমিয়া লোহিত রক্ত কণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগ। লোহিত রক্তকণিকার - গ্লোবিউলিন ও - গ্লোবিউলিন নামক প্রোটিনদ্বয়ের জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। - গ্লোবিউলিনের অভাবে হয় -থ্যালাসেমিয়া এবং - গ্লোবিউলিনের অভাবে হয় -থ্যালাসেমিয়া। তাছাড়াও এ রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি মূলত রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব উদ্ভাবন করা বা পাওয়া সম্ভব। নিচে ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো-
উদ্দীপকের বর্ণিত প্রক্রিয়াটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তি সর্বাধুনিক জীবপ্রযুক্তি। শস্য উন্নয়নে ও চিকিৎসাক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
বর্তমানে শস্য উন্নয়নে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
Related Question
View Allযে প্রযুক্তি প্রয়োগে কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব এর উদ্ভাবন বা উক্ত জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা হয় তাকে জীব প্রযুক্তি বলে।
GMO এর পূর্ণ রূপ হলো Genetically Modified Organism. জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রস্তুত করা হয়। এর মাধ্যমে DNA-এর কাঙ্ক্ষিত অংশ ব্যাকটেরিয়া থেকে মানুষে, উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে, প্রাণী থেকে উদ্ভিদে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে। জিনগত পরিবর্তিত নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এই জীবকে বলা হয় GMO.
ড. হায়দার নিজের গবেষণার সাহায্য নিয়ে জঙ্গলের গাছটির রোগ প্রতিরোধী জিন তার বাগানের গাছের মধ্যে প্রবেশ কবিয়ে নতুন রোগ প্রতিরোধী উন্নত ফলনশীল জাতের লেবু গাছ পেতে সক্ষম হলেন।
ড. হায়দার সাহেবকে লেবু গাছের জাত উন্নয়নের জন্য নিম্নলিখিত ল্যাবরেটরি কৌশল অবলম্বন করতে হবে:
i. কাঙ্খিত DNA (রোগ প্রতিরোধী জিন) নির্বাচন।
ii. একটি বাহক নির্বাচন, যার মাধ্যমে কাঙ্খিত DNA খণ্ডটি স্থানান্তর সম্ভব।
iii. নির্দিষ্ট স্থানে DNA অণুকে ছেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় রেস্ট্রিকশন এনজাইম নির্বাচন।
iv. ছেদনকৃত DNA খণ্ডসমূহ সংযুক্ত করার জন্য DNA লাইগেজ এনজাইম নির্বাচন।
v. কাঙ্খিত DNA সহ বাহক DNA এর অনুলিপনের জন্য একটি পোষক নির্বাচন।
vi. কাঙ্খিত DNA খণ্ড সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত রিকম্বিনেন্ট DNA এর বহিঃপ্রকাশ মূল্যায়ন।
অতঃপর টিস্যু কালচারের মাধ্যমে নতুন উন্নত জাতের উদ্ভিদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে এবং বাইরের পরিবেশে স্থানান্তর করতে হবে।
টিস্যু কালচার প্রযুক্তির কৌশলকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে উদ্ভিদ প্রজননের ক্ষেত্রে এবং উন্নত জাত উদ্ভাবনে ব্যাপক সাফল্য পাওয়া গেছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে যে নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভিদ জাতের উদ্ভাবন করা হয় তার সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য ল্যাবরেটরিতে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হয়। তাই ড. হায়দারও তার উদ্ভাবিত উন্নত ফলনশীল লেবুগাছটির সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য টিস্যু কালচার পদ্ধতি অবলম্বন করলেন। ড. হায়দার এই প্রক্রিয়ায় চারা তৈরির মাধ্যমে নিম্নলিখিত সুবিধাদি নিশ্চিত করতে পারবেন:
i. এর মাধ্যমে উদ্ভিদাংশ থেকে কম সময়ের মধ্যে একই বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন অসংখ্য চারা সৃষ্টি করা যাবে।
ii. সহজেই রোগমুক্ত বিশেষ করে ভাইরাসমুক্ত চারা উৎপাদন করা যাবে।
iii. ঋতুভিত্তিক চারা উৎপাদনের সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হওয়া যাবে।
iv. স্বল্প সময়ে কম জায়গার মধ্যে যথেষ্ট সংখ্যক চারা উৎপাদনের সুবিধা থাকায় চারা মজুদের সমস্যা এড়ানো যাবে।
V. উৎপাদিত নতুন বৈশিষ্ট্যের চারা নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা যাবে।
কাজেই সঙ্গত কারণেই ড. হায়দার টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তার নতুন উদ্ভাবিত জাতের চারা তৈরি করবেন।
Tobacco Mild Green Mozaic Virus কে সংক্ষেপে TMGMV বলে।
আবাদ মাধ্যম হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তির একটি অংশ। উদ্ভিদের বৃদ্ধির অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি, ভিটামিন, ফাইটোহরমোন গ্লুকোজ এবং প্রায় কঠিন মাধ্যম তৈরির জন্য জমাট বাধার উপাদান যেমন-অ্যাগার, প্রভৃতি সঠিক মাত্রায় মিশিয়ে যে মাধ্যম তৈরি করা হয় তাই হলো আবাদ মাধ্যম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
