কোষ জীববিজ্ঞান ( কোষীয় জীববিজ্ঞান বা সাইটোলজিও ) জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা কোষের গঠন , কার্যকারিতা এবং আচরণ অধ্যয়ন করে । সমস্ত জীবন্ত প্রাণী কোষ দিয়ে তৈরি। কোষ হল জীবনের মৌলিক একক যা জীবের জীবনযাত্রা এবং কার্যকারিতার জন্য দায়ী। কোষ জীববিজ্ঞান হল কোষের কাঠামোগত এবং কার্যকরী এককগুলির অধ্যয়ন। কোষ জীববিজ্ঞান প্রোক্যারিওটিক এবং ইউক্যারিওটিক উভয় কোষকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং এর অনেক উপ-বিষয় রয়েছে যার মধ্যে কোষ বিপাক , কোষ যোগাযোগ , কোষ চক্র , জৈব রসায়ন এবং কোষ গঠনের অধ্যয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে । কোষের অধ্যয়ন বিভিন্ন মাইক্রোস্কোপি কৌশল, কোষ সংস্কৃতি এবং কোষ ভগ্নাংশ ব্যবহার করে করা হয়। এগুলি কোষ কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কিত আবিষ্কার এবং গবেষণার জন্য অনুমোদিত হয়েছে এবং বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত বৃহত্তর জীবকে বোঝার জন্য অন্তর্দৃষ্টি দেয়। কোষের উপাদানগুলি এবং কোষগুলি কীভাবে কাজ করে তা জানা সমস্ত জৈবিক বিজ্ঞানের জন্য মৌলিক, একই সাথে ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগের মতো জৈব চিকিৎসা ক্ষেত্রে গবেষণার জন্যও অপরিহার্য। কোষ জীববিজ্ঞানের গবেষণা অন্যান্য ক্ষেত্রের সাথে আন্তঃসংযুক্ত, যেমন জেনেটিক্স , আণবিক জেনেটিক্স , আণবিক জীববিজ্ঞান , চিকিৎসা মাইক্রোবায়োলজি , ইমিউনোলজি এবং সাইটোকেমিস্ট্রি ।
Related Question
View Allভাইরাসের নিউক্লিক এসিডকে ঘিরে অবস্থিত প্রোটিন আবরণটির নামই ক্যাপসিড।
যে প্রক্রিয়ায় ফায ভাইরাস পোষক ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি সম্পন্ন করে ও অপত্য ভাইরাসগুলো পোষক দেহের বিদারণ বা লাইসিস (lysis) ঘটিয়ে নির্গত হয় তাকে লাইটিক চক্র বলে। E.coli নামক ব্যাকটেরিয়ায় T₂ ফায লাইটিক চক্রের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি সম্পন্ন করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ১ম ধরনের দ্বিসূত্রক DNA বিশিষ্ট অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস। নিচে এর গঠনের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো-

উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষোক্ত ধরনের আদিকোষী অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। নিচে ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. ব্যাকটেরিয়া হতে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরি করা হয়।
যেমন- সাবটিলিন, পলিমক্সিন ইত্যাদি।
২. ব্যাকটেরিয়া হতে কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা প্রভৃতি রোগের প্রতিষেধক প্রস্তুত করা হয়। ডি.পি.টি. (ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার) রোগের প্রতিষেধকও ব্যাকটেরিয়া হতে প্রস্তুত হয়।
৩. উদ্ভিদ ও প্রাণীর যাবতীয় মৃতদেহ, বর্জ্য পদার্থ ও অন্যান্য জঞ্জাল পচন প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. চা, কফি, তামাক প্রভৃতি প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫. চামড়া হতে লোম ছাড়ানোর ব্যাপারে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা-অপরিসীম।
৬. দুধ হতে মাখন, দই, পনির প্রভৃতি তৈরি করতে হলে ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতার প্রয়োজন।
৭. ব্যাকটেরিয়ার পাচন ক্রিয়ার ফলেই পাটের আঁশগুলো পৃথক হয়ে থাকে এবং আমরা পাটের আঁশ পেয়ে থাকি।
৮. ভিনেগার, ল্যাকটিক এসিড, অ্যাসিটোন প্রভৃতি রাসায়নিক দ্রব্য প্রস্তুতের জন্য শিল্প ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়।
৯. জৈব বর্জ্য পদার্থকে দ্রুত রূপান্তরিত করে ব্যাকটেরিয়া পয়ঃপ্রণালিকে সুষ্ঠু ও চালু রাখে।
১০. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ব্যাকটেরিয়ার অবদান অনেক। মাটির জৈব পদার্থ সঞ্চয়ে ব্যাকটেরিয়ার প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে।
১১. জিন প্রকৌশলে Bacteria গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Clostridium botulinum নামক ব্যাকটেরিয়া খাদ্যে Botulin নামক বিষাক্ত পদার্থ সৃষ্টি করে। এর বিষক্রিয়ায় মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এরূপ বিষক্রিয়াকে বটুলিজম বলে।
ভাইরাস হলো নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত অতি আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের ভিতরে সক্রিয় থাকে এবং জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে। জীবদেহ কোষীয় হলেও ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি, কোষপ্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া এসব নেই। তাই ভাইরাসকে অকোষীয় বস্তু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!