উচ্চ শক্তিদায়ক, উচ্চ প্রোটিনযুক্ত, কম ফ্যাটযুক্ত খাবার দিতে হবে। সব খাবারই খাওয়া যাবে। তবে হজমে সমস্যা হলে লঘুপাক খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য দুধ, ডিম, কম তেলযুক্ত মাছ, মুরগি ও ডাল দেওয়া যায়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allকোনো রোগে আক্রান্ত হলে তাড়াতাড়ি সেরে ওঠার জন্য যে বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করা হয় তাই পথ্য।
পথ্য রোগের জটিলতা ও তীব্রতা কমিয়ে আনে। রোগের কারণে শরীরের যে সকল পুষ্টি ও শক্তির ক্ষয় হয় তা পূরণে পথ্য সাহায্য করে। পথ্য রোগীকে স্বাভাবিক সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
পুষ্পার তৈরি করা খাবারটি তার শাশুড়ির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পুষ্পার শাশুড়ি ডায়বেটিসে আক্রান্ত। এ রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই গ্লুকোজ মূলত আসে খাবার থেকে। তাই এ রোগে যে খাবারগুলো শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ দ্রুত বাড়িয়ে দেয় সেগুলো পরিহার করতে হয়।
কিন্তু পুষ্পার শাশুড়ি প্রায়ই আবদার করে ক্ষীরের 'পাটিসাপটা পিঠা খাওয়ার জন্য। পুষ্পা তা তৈরিও করে দেন। ক্ষীরের পাটিসাপটা পিঠা মিষ্টি জাতীয় খাবার। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে রোগীকে আরো অসুস্থ করে তোলে। তখন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাই পুষ্পার শাশুড়ির ওপর ক্ষীরের পাটিসাপটা পিঠা বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি।
উপযুক্ত পথ্য পুষ্পার শাশুড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কারণ পথ্য রোগের জটিলতা ও তীব্রতা কমিয়ে আনে।
পুষ্পার শাশুড়ি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনোভাবেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। ডায়াবেটিসের ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই পথ্যের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
পুষ্পার শাশুড়ি বেশি করে সব রকমের শাকসবজি, ফলের মধ্যে জাম, জামরুল, আমলকী, লেবু ইত্যাদি খেতে পারবে। হিসাব করে ভাত, রুটি, চিড়া, খৈ, মুড়ি, আলু, দুধ, ছানা, পনির, মাছ, মাংস, ডাল, ডিম, বাদাম এবং মিষ্টি ফল যেমন- কলা, পাকা পেঁপে, পাকা আম ইত্যাদি খেতে পারবে। সাদা চাল ও সাদা আটার চেয়ে লাল চালের ভাত ও ভুসিসহ আটার রুটি তার জন্য বেশি উপকারী। তাকে চিনি, গুড়, মিশরির রস, শরবত, সফ্ট ড্রিংকস, জুস, সবরকমের মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর, পেস্ট্রি, কেক ইত্যাদি পরিহার করতে হবে। এতে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক থাকবে। এভাবে পথ্য নির্বাচন করলে পুষ্পা তার শাশুড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে।
ডায়রিয়ায় পরিপাকতন্ত্র সরাসরি আক্রান্ত হয়।
ডেঙ্গু জ্বর হলে দেহের তাপমাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তখন দেহে পানি ও শক্তির চাহিদা বেড়ে যায়। সেই সাথে দেহে প্রোটিনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা বেড়ে যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!