'কুতুবে হানাফিয়্যা' তে তিরাশি হাজার মাসআলা নিয়ে রচিত হয়েছিল।
আইনের শাসন বলতে আইনের যথাযথ প্রয়োগকে বোঝায়। অর্থাৎ যেখানে দোষী বা অপরাধীকে আইন মোতাবেক শাস্তি দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা হয় তাই আইনের শাসন। এক কথায় আইনের শাসনের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করা হয়।
জনাব মোস্তাফিজুর রহমান ইসলামের অনন্য সংগঠন হিলফুল ফুযুলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে 'কসবা' সমাজ কল্যাণ সংঘ' গঠন করেছিলেন।
মহানবি (স.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে আরব সমাজের লোকেরা নবি ও রাসুলের শিক্ষা ভুলে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। নরহত্যা, রাহাজানি, খুন-খারাবি, ডাকাতি, মারামারি, জুয়াখেলা, মদ্যপান, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দান এক. কথায়, অপরাধের এমন কোনো দিক ছিল না যা তারা করত না।
বর্বরতায় জর্জরিত আরব জাতিকে আলোকের পথে ফিরিয়ে আনার জন্য মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) আরবের কতিপয় শান্তিকামী যুবকদের নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' বা 'শান্তি সংঘ' নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল আর্তের সেবা করা, অত্যাচারীকে প্রতিরোধ করা, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। হিলফুল ফুযুল সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সদা সচেষ্ট ছিল।
জয়পুর গ্রামে চুরি, রাহাজানি, ডাকাতি, ইভটিজিং প্রভৃতি অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধমূক্ত এলাকা গড়ে তুলতে মোস্তাফিজুর রহমান কয়েকজন যুবককে নিয়ে 'কসবা সমাজ কল্যাণ সংঘ' গঠন করেন।
তাই বলা যায়, মোস্তাফিজুর রহমান তার সংগঠন প্রতিষ্ঠায় হিলফুল ফুফুলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠনটি হলো- 'কসবা সমাজ কল্যাণ সংঘ'। সমাজ উন্নয়নে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার তাৎপর্য অত্যধিক।
যুব সমাজ একটি সমাজের অমূল্য সম্পদ। এদের শক্তি ও মেধার সমন্বয় করে যদি যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায় তাহলে সমাজ উন্নয়ন করা খুবই সহজ। উদ্দীপকে 'কসবা সমাজ কল্যাণ সংঘ'-এর মাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক একত্রিত হয়েছে। তাদের লক্ষ্য তাদের এলাকাটিকে অপরাধমুক্ত করা। তাদের এ মহতী উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাদের এ সংগঠন আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করব। ফলে সমাজ হতে ধীরে ধীরে অন্যায়, অনাচার ও অপরাধ দূর হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে উঠবে। মোটকথা এরূপ সংগঠন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি নিশ্চিতকরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
Related Question
View Allহযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দাদার নাম আব্দুল মুতালিব।
সত্যবাদী, পরোপকারী, শান্তিকামী যুবক হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততায় মুগ্ধ হয়ে আপনপর সকলে তাঁকে আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করল।
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ 'মহামানব মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শের সাথে উদ্দীপকের সাঈদের কাজের আংশিক মিল রয়েছে। মহানবি (স.) শুধু একজন দীন প্রচারকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মানবীয় গুণের অধিকারী। মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ কামনাই ছিল রাসুল (স.)-এর সাধনা। তিনি আরববাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কুরাইশ গোত্রের সমমনা কয়েকজনকে সাথে নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' নামের একটি মানব কল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন।
উদ্দীপকের সাঈদ সাহেব মহানবি (স.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুরআনের শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে এলাকায় মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। গরিব-দুঃখীদের অবস্থা চিন্তা চিন্তা করে করে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত আফরোজা বেগমের কার্যক্রম মহানবি (স.)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে মিল রয়েছে।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন আরবের একজন বিখ্যাত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। তিনি মহানবির সুন্দর চরিত্র, সততা দেখে তাঁর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
হযরত মুহাম্মদ (স.) হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে বাড়িতে এসে খাদিজা (রা.)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। সব শুনে তিনি মহানবিকে সান্ত্বনা দিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ইসলাম প্রচারে মুহাম্মদ (স.)-কে সাহস ও উৎসাহ প্রদান করতেন।
'কুতুবে হানাফিয়্যা' তে তিরাশি হাজার মাসআলা নিয়ে রচিত হয়েছিল।
আইনের শাসন বলতে আইনের যথাযথ প্রয়োগকে বোঝায়। অর্থাৎ যেখানে দোষী বা অপরাধীকে আইন মোতাবেক শাস্তি দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা হয় তাই আইনের শাসন। এক কথায় আইনের শাসনের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!