টানা ভারী বর্ষণে বাঁধ ভেঙে বন্যায় ক্ষেতের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিচলিত হয়ে পড়েন করিমগঞ্জের কৃষকরা। বন্যার হাত থেকে বাঁচার জন্য মাতব্বর রহিম সরদার নামকরা পীর মনোয়ার হাজীকে নিয়ে আসেন। কিন্তু করিমগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিন চৌধুরী বন্যা প্রতিরোধে পীরের উপর নির্ভর না করে এলাকার যুবকদের সংগঠিত করেন। বয়স্করা যখন বন্যা ঠেকাতে পীরের দ্বারস্থ হন, তখন মতিন চৌধুরীর নেতৃত্বে যুবকরা প্রাণপণে বাঁধ মেরামত করে বন্যা ঠেকানোর চেষ্টা করতে থাকেন। 

Updated: 11 months ago
87

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলোচ্য উক্তিটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি বা পিসির মুখনিসৃত। স্বামীর অবহেলা, শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন এবং প্রতিকূল পরিবেশের মুখেও আহ্লাদির অসাধারণ দৃঢ়তা, ধৈর্য ও প্রতিবাদী সত্তা দেখে তার মাসি বা পিসি বিস্মিত হয়ে এই উক্তিটি করেছিলেন।

যুগ যুগ ধরে নারীত্বের যে দুর্বল, লাঞ্ছিত ও অসহায় প্রতিচ্ছবি সমাজে প্রচলিত ছিল, আহ্লাদি যেন তা ভেঙে দিয়েছিল। চরম বিপদেও আহ্লাদি যখন হাল না ছেড়ে আত্মরক্ষায় সচেষ্ট ছিল এবং তার মাসি-পিসির সাথে এক হয়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিল, তখন তার এই অদম্য মানসিকতা মাসি-পিসিকে বিস্মিত করেছিল। নারীও যে এত দৃঢ়চেতা হতে পারে, তা তারা কল্পনাই করতে পারেননি, এই উক্তির মাধ্যমে সে বিস্ময়ই প্রকাশিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
2.4k
উত্তরঃ

'বহিপীর' নাটকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মীয় ভণ্ডামি, অন্ধ বিশ্বাস এবং পীরতন্ত্রের নামে সমাজে প্রচলিত শঠতাকে তীক্ষ্ণভাবে সমালোচনা করেছেন। এই নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পুরনো ও প্রথাগত পীরতন্ত্রের বিরুদ্ধে আধুনিক, যুক্তিবাদী ও মানবিক চিন্তাধারার সংঘাত।

উদ্দীপকে আব্দুল্লাহর বাবা একজন নামকরা পীর ছিলেন এবং তাঁর অসংখ্য মুরিদান ছিল। তারা আব্দুল্লাহকেও পীর হিসেবে সেবা করতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত আব্দুল্লাহ এই ধরনের পীরতন্ত্র ও অন্ধ আনুগত্য পছন্দ করতেন না। একজন মুরিদান যখন তাঁর পায়ে সালাম করতে যায়, তখন তিনি তাকে বাধা দিয়ে দ্রুত সরে যান। এখানে আব্দুল্লাহর আধুনিক ও যুক্তিবাদী মনোভঙ্গি ফুটে উঠেছে, যা 'বহিপীর' নাটকের কেন্দ্রীয় সংঘাতের একটি দিক, যেখানে কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিপরীতে আধুনিক চিন্তাভাবনাকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মূলত, উদ্দীপকে আব্দুল্লাহর পীরতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান এবং মুরিদানের অন্ধ বিশ্বাস যে পীরের মাধ্যমে বেহেশতের চাবি পাওয়া যায়— এই ধারণাটি 'বহিপীর' নাটকের সেই দিকটিকে প্রতিফলিত করে যেখানে লেখক পীরেরা সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অজ্ঞতা ও সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কীভাবে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে, তা উন্মোচন করেছেন। আব্দুল্লাহর চরিত্রটি যেন নাটকের ভেতরের সেই প্রতিবাদী সুরের প্রতিধ্বনি, যা শিক্ষা ও যুক্তির আলোকে অন্ধবিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং মানবিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেয়।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
1.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আব্দুল্লাহ্ এবং ‘বহিপীর’ নাটকের বহিপীরের মধ্যে চেতনাগত প্রকট বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। আব্দুল্লাহ্ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন প্রগতিশীল মানুষ, যিনি ধর্মকে ব্যক্তিগত লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান না। অন্যদিকে, বহিপীর ধর্মকে পুঁজি করে নিজের ক্ষমতা ও আর্থিক সমৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগান।

উদ্দীপকের আব্দুল্লাহ্ তাঁর পিতার নামজাদা পীর পরিচয় এবং অসংখ্য মুরিদান থাকা সত্ত্বেও পীরতন্ত্রের প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহী নন। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার কারণে তিনি বুঝতে পারেন যে, পীর মুরিদের সম্পর্ক মূলত একটি কুসংস্কারের বেড়াজাল, যা মানুষের অজ্ঞতাকে ব্যবহার করে টিকিয়ে রাখা হয়। যখন একজন মুরিদান তাঁর পায়ে সালাম করতে আসে, তখন তিনি তাকে দ্রুত বাধা দিয়ে সরে যান, যা তাঁর কুসংস্কারমুক্ত এবং আত্মমর্যাদাশীল চেতনার পরিচয় বহন করে। তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত পীরগিরি থেকে নিজেকে দূরে রেখে প্রগতিশীল ও যুক্তিবাদী জীবনযাপনে বিশ্বাসী।

অপরদিকে, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘বহিপীর’ নাটকের বহিপীর ধর্মকে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার করেন। তিনি একজন ভণ্ড পীর, যিনি নিজের পানিপড়া ও তাবিজের ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়ান। হাতেম আলীর সংসারে প্রবেশ করে রমাকে জোরপূর্বক বিয়ে করার প্রচেষ্টা এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা লাভের চেষ্টা বহিপীরের অর্থলিপ্সা, ক্ষমতার মোহ ও ধর্মকে ব্যবসার পণ্য বানানোর প্রবণতাকে ফুটিয়ে তোলে। তিনি সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ও মানুষের ধর্মীয় সরলতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান এবং এর জন্য নৈতিকতার সীমা অতিক্রম করতেও পিছপা হন না।

সার্বিক বিশ্লেষণে বলা যায়, আব্দুল্লাহ্ আধুনিক মনস্কতার প্রতীক, যিনি মানুষের কুসংস্কার দূর করতে চান এবং নিজেই এই ধরনের প্রথা থেকে দূরে থাকতে চান। বিপরীতে, বহিপীর ভণ্ডামি ও স্বার্থপরতার প্রতীক, যিনি ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে নিজের প্রভাব বিস্তার করেন এবং মানুষের সরল বিশ্বাসকে শোষণ করেন। এই দুই চরিত্রের চেতনাগত বৈসাদৃশ্য প্রগতিশীলতা বনাম রক্ষণশীলতা, আত্মমর্যাদা বনাম ভণ্ডামি এবং মানবতাবাদ বনাম অর্থলিপ্সার দ্বন্দ্বকে নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
530
উত্তরঃ

বহিপীর নাটকের কেন্দ্রীয় ও নাম চরিত্র। তার বাড়ি উত্তরের সুনামগঞ্জ। সাধারণের ভাষা তার কাছে অপবিত্র মনে হওয়ায় তিনি বহি বা বইয়ের ভাষায় কথা বলেন। এ কারণেই তার নাম বহিপীর

Abdullah Ahmed
Abdullah Ahmed
2 years ago
6.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews