টিপু ও সুলতান যুক্তিবিদ্যা নিয়ে বিতর্ক করছে। টিপু বলল, যুক্তিবিদ্যার পাঠ ছাড়া মানুষ যুক্তিকৌশল রপ্ত করতে ও ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে না। যুক্তিবিদ্যা চিন্তাহীন ও যুক্তিশূন্য মানুষের মধ্যে চিন্তা ও যুক্তিকে সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, সুলতানের যুক্তি হলো যুক্তিবিদ্যা না হলে মানুষ যুক্তিহীন হয়ে যেত একথা সঠিক নয়। কেননা মানুষ স্বভাবগতভাবেই যুক্তিবাদী। তবে বাস্তব জীবনে যুক্তিবিদ্যা পাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

"যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের সারসত্তা"- এ কথাটি বলেছেন বার্ট্রান্ড রাসেল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যাকে বলা হয় 'সকল কলার কলা', অর্থাৎ যুক্তিবিদ্যা হলো শীর্ষ আর্ট। বিভিন্ন কলার উদ্দেশ্য হলো সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। এজন্য, সকল কলাবিদ্যাকেই যুক্তিবিদ্যার মূলনীতি, যুক্তিবিন্যাস ও যুক্তিকৌশলকে মেনে চলতে হয় এবং অনুসরণ করতে হয়। কলাবিদ্যার নির্ভুলতা ও নিপুণতা নির্ভর করে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উপর, আর বৈজ্ঞানিক জ্ঞান নির্ভর করে যুক্তিপদ্ধতির উপর বা যুক্তিবিদ্যার উপর। এজন্য বলা হয় যুক্তিবিদ্যা হলো 'সকল কলার কলা' বা 'শীর্ষকলা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের টিপুর মতানুযায়ী যুক্তিবিদ্যা বিভিন্ন উপায়ে চিন্তাহীন ও যুক্তিশূন্য মানুষের মাঝে চিন্তা ও যুক্তি সৃষ্টি করতে পারে- যুক্তিবিদ্যার মৌলিক নিয়ম হলো চিন্তন ক্রিয়ার কাজ। এ চিন্তন ক্রিয়ার কাজ অনুশীলন বা চর্চা করলে মেধা ও ধীশক্তি প্রখর ও তীক্ষ্ণ হয়। যুক্তি মানুষের মূর্ত ও অমূর্ত 'চিন্তার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে, মানুষের চিন্তার বিভিন্ন দিককে উন্নত ও পরিপুষ্ট করে। 'যুক্তিবিদ্যা সমস্ত বিজ্ঞানের মধ্যে ভিত্তি হিসেবে নিহিত'। কি গণিত, কি পদার্থ, কি কম্পিউটার সকল বিজ্ঞানের মধ্যে যুক্তির নিয়ম ও কৌশল রয়েছে। কাজেই সুস্থ ও পরিশীলিত জ্ঞানের জন্য, পরিষ্কার ও স্পষ্ট ধারণার জন্য যুক্তিবিদ্যার পাঠ অনস্বীকার্য। যুক্তিবিদ্যা মানুষের স্বাভাবিক যুক্তির পারদর্শিতা ও ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এবং স্বভাবজাত আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে সঠিক পথে চলতে সহায়তা করে। যুক্তির কলাকৌশল আয়ত্ত করে অন্যের যুক্তি খণ্ডন করে নিজের যুক্তি প্রতিষ্ঠা করার দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায় যুক্তিবিদ্যা পাঠের মাধ্যমে। মানুষ যুক্তির নিয়মনীতি অনুসরণ করে সঠিক যুক্তি গঠন ও প্রয়োগ করে সত্য আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়। যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান আমাদের মনকে কুসংস্কার ও নির্বিচার বিশ্বাস থেকে মুক্ত করে। যার ফলে আমরা সকল কিছুকে নিরপেক্ষ ও সংস্কারমুক্ত মন দিয়ে বিচার বা মূল্যায়ন করার ক্ষমতা লাভ করি। এ সংস্কারমুক্ত ও নিরপেক্ষ মনের সাহায্যেই প্রকৃত জ্ঞানলাভ করা যায় এবং সঠিক পথে নিজেকে পরিচালিত করা যায়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাস্তব জীবন হলো ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক জীবন। শান্তিময় জীবনের প্রত্যাশায় অশান্তি পরিহার করে দক্ষতা, ক্ষমতা, নিপুণতা ও যুক্তি দিয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক জীবনে স্থিতিশীলতা আনয়ন করাই হলো যুক্তিবিদ্যার প্রধান উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। অনেকেই বাস্তব জীবনে যুক্তিবিদ্যার প্রয়োগ নিয়ে সমালোচনা করেন। কিন্তু যুক্তিবিদ্যা দাবি করে না যে যুক্তিবিদ্যা না হলে মানুষ যুক্তিহীন হয়ে যেত। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল জন্মগ্রহণ করার পূর্বে মানুষ একেবারে অযৌক্তিক ছিল একথা ঠিক নয়। আদিকালের মানুষ যেভাবে যুক্তিতর্ক করতে পারত, ভুলকে নির্ধারণ করতে পারত, বর্তমানকালের মানুষও সে কাজ অধিকতর নির্ভুলভাবে করতে পারে। তবে মানুষের মধ্যে জীববৃত্তির পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তি আছে। স্বভাবগতভাবেই সে চিন্তা করতে পারে এবং একটি বস্তুর সাথে অপর বস্তুর সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নির্ধারণ করতে পারে। সমাজ জীবনে 'শিক্ষিত' ও 'অশিক্ষিত' সমস্ত মানুষই কমবেশি এ গুণের ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু অশিক্ষিত মানুষ যতখানী যুক্তিতে পারদর্শী শিক্ষিত মানুষ তার চেয়ে অধিক পারদর্শিতা দেখাতে পারে। চিন্তা ও যুক্তির ক্ষেত্রে এরিস্টটলের গবেষণা ও অবদান ছিল অনন্যসাধারণ। পূর্বে মানুষ তর্কবিতর্ক করত, কিন্তু তর্কে কী পরিমাণ ভুল হতো তা জানত না। কীভাবে ভুল যুক্তি পরিহার করা যায়, যুক্তির পদ্ধতি কত প্রকার ইত্যাদি এরিস্টটল সুচিন্তিতভাবে তা লিপিবদ্ধ করেন। যার প্রেক্ষিতে বর্তমানকালে মানুষ কথা বলা, উপস্থাপন ইত্যাদি বিষয়ে ভাষার যৌক্তিকতা ও দুর্বলতা খুঁজে পায়। অর্থাৎ যুক্তিবিদ্যার পাঠ ব্যবহারিক জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে ও ভ্রান্তি পরিহার করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
166
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে 'যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
325
উত্তরঃ

দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। জগৎ, জীবন সম্পর্কে সার্বিক আলোচনাই হলো দর্শন। দর্শন শুধু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি অতীন্দ্রিয় জগৎ, সত্তা, যেমন- প্রাণ, স্রষ্টা, আত্মা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে থাকে। বিশ্ব জগতে এমন কোনো বিষয় নেই যা দর্শনের আলোচ্য বিষয় নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
533
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কর্মকাণ্ডে যুক্তিবিদ্যার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যার মাধ্যমে অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করা যায়। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা যাচাই করার জন্য যুক্তিবিদ্যা নিয়ম প্রণয়ন করে। সত্যের আদর্শকে সামনে রেখেই যুক্তিবিদ্যা কতকগুলো সাধারণ নিয়ম প্রণয়ন করে।

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী এবং যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী বলা যায় যে, রিপেরে কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্তিবিদ্যার মিল রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা যেমন বৈধ-অবৈধ যুক্তি পৃথক করে; তেমনি রিপন কোন কাজ দরকারী, কোনটি পরিহার্য তা পৃথক করতে পারে। বৈধ-অবৈধ যুক্তির পার্থক্য করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। রিপন সাহেব জানে যে ভালো বক্তৃতা দিতে কীভাবে দোষ-ত্রুটি, পরিহার করতে হয় তার নিয়ম-কানুন। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপনের কর্মকাণ্ডে ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশলের কথা বলা হয়েছে এবং বক্তব্যের বিভিন্ন দোষ-ত্রুটি শনাক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত যা যুক্তিবিদ্যার সাথে মিলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
307
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন, স্বপনের মধ্যে যে ধরনের পার্থক্য আছে তা হলো নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্যের মতো।

যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। চিন্তার নিয়মাবলি নির্ণয় করে। যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা বিচার করে। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা নির্দেশের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। শুধু প্রণয়ন করে না, এর দ্বারা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে জ্ঞান অর্জন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

নীতিবিদ্যা হলো আদর্শ নিষ্ঠ বিজ্ঞান। সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। এখন আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কার্যকলাপের সাথে যুক্তিবিদ্যার বিষয়গত মিল রয়েছে; স্বপন সাহেবের সাথে নীতিবিদ্যার কার্যাদির মিল পাওয়া যায়।

রিপন সাহেব বুঝতে পারে কোন কাজ দরকারি, কোন কাজটি পরিহারি; স্বপন তার কর্মকাণ্ডে সব সময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন। রিপন ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে অবগত এবং বক্তৃতা করার সময় দূষণীয় বিষয়গুলো কীভাবে পরিহার করতে হয় তার কৌশল সম্পর্কে জানেন। যেমনভাবে যুক্তিবিদ্যায় বৈধ-অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্যের কৌশল বর্ণিত আছে। অপর দিকে স্বপন পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন ও সৎ জীবনযাপন করেন যা নীতিবিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত।. সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রিপনের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হয় আর স্বপনের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
310
উত্তরঃ

শিক্ষা হলো এমন বিষয় যার দ্বারা অভ্যাস, মনোভাব, ও দক্ষতার বিকাশ হয় এবং যা মানুষকে সফল জীবনযাপনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
351
উত্তরঃ

জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সার্বিক আলোচনা করে থাকে দর্শন। জগৎ ও জীবন সম্পর্কে একটি বাস্তব, সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, প্রায়োগিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করাই হলো দর্শনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এটি জগৎ ও জীবন সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকে। নন্দনতত্ত্ব, নীতিবিদ্যা, গণিত, শিক্ষা, জগতের উৎপত্তি-ক্রমবিকাশসহ এমন কোনো দিক নাই যা দর্শন আলোচনা করে না। আর এ কারণে দর্শন জীবন ও জগতের সাথে সম্পৃক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
642
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews