যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে - যায়, তখন সেস্থানের অণুচক্রিকাগুলো ভেঙে যায় এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন | নামক পদার্থ সৃষ্টি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের আমিষ প্রোগ্রমবিনকে ! থ্রমবিনে পরিণত করে। ভ্রমবিন পরবর্তীতে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তের তখন ঘটায়।
-ফাইব্রিন এক ধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা | প্রস্তুত করে। এটি ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
Related Question
View Allরক্ত সংবহনতন্ত্র এর মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে প্রবাহিত হয়।
রক্ত, হূৎপিন্ড ও রক্তবাহিকার সমন্বয়ে গঠিত তন্ত্রের নাম রক্ত সংবহনতন্ত্র।
হৃৎপিন্ড হৃদপেশি দিয়ে তৈরি ।
আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্ত বাহিকা ৩ ধরনের।
হৃৎপিন্ড প্রাণিদেহে পাম্পের মতো কাজ করে।
ধমনির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারাদেহে প্রবাহিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!