সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত সংবহনতন্ত্র  এর মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে প্রবাহিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত, হূৎপিন্ড ও রক্তবাহিকার সমন্বয়ে গঠিত তন্ত্রের নাম রক্ত সংবহনতন্ত্র।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ড হৃদপেশি দিয়ে তৈরি ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্ত বাহিকা ৩ ধরনের।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ড প্রাণিদেহে পাম্পের মতো কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারাদেহে প্রবাহিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিরা কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহের মোট ওজনের ৮% রক্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মেরুদন্ডী প্রাণীদের রক্ত লাল  বর্ণের ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন তৈরি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের ধমনির রক্তে pH এর মান ৭.৪।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসকে আলাদা করলে এটি হলুদ বর্ণের দেখায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে জৈব ও অজৈব পদার্থের পরিমাণ ১০%।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে প্রোটিনধর্মী জৈব পদার্থ ফাইব্রিনোজেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমগ্র রক্তে রক্তরসের পরিমাণ ৫৫%।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে রক্তকণিকা বা রক্তকোষ ভাসমান অবস্থায় থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা কি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে পানির পরিমাণ ৯০%।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে খাদ্যসার হিসেবে উপস্থিত থাকে অ্যামিনো এসিড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যামোনিয়া রেচন পদার্থ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি নিঃসৃত পদার্থকে হরমোন  বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

CO₂ কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহন করে রক্তরস।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের স্বচ্ছ রস পাওয়া -যায় তাকে সিরাম বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকণিকা তিন ধরনের হয়ে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন এর কারণে রক্ত লাল বর্ণের দেখায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

RBC বলা হয় লোহিত রক্তকণিকাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকা অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে খাদ্যসার হিসেবে উপস্থিত থাকেঅ্যামিনো এসিড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্ত কণিকার আকৃতি চ্যাপ্টা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত কণিকা প্লীহাতে  সঞ্চিত থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিশুর দেহে লোহিত কণিকার পরিমাণ ৬০-৭০ লাখ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পূর্ণবয়স্ক পুরুষ দেহে লোহিত রক্তকণিকার পরিমাণ ৪.৫-৫.৫ লাখ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকণিকা রক্তরসের মধ্যে দিয়ে নিজেই চলতে পারে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে বেসোফিল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকণিকাতে নিউক্লিয়াস বিদ্যমান।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে শ্বেত  কণিকাকে WBC বলা ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে লিউকোসাইট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ ৪-১০ হাজার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দানাযুক্ত লিউকোসাইটকে গ্রানুলোসাইট  বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিম্ফোসাইট শরীরে অ্যান্টিবডি গঠন করে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যামিবার মতো আকার পরিবর্তনে সক্ষম শ্বেত রক্তকণিকা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে গঠনকৃত যৌগটি অক্সি হিমোগ্লোবিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকাকে ইংরেজিতে Platelet বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের রক্তে প্রতি ঘন মিলিমিটারে অণুচক্রিকার পরিমাণ ৫০০০০ - ৪০০০০০।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকা  রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে শর্করার স্বাভাবিক সীমা ৪-৬ m Mol/l

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থগুলোকে বৃত্তে পরিবহন করে রক্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের পলিসাইথিমিয়া অবস্থার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানিমিয়ার কারণে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০ - ১,০০০,০০০ হয় তাহলে তাকে লিউকোমিয়া বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারপুরা রোগে আক্রান্ত হলে অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারপুরা অবস্থা সৃষ্টি ডেঙ্গুজর রোগে আক্রান্ত হলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়াই আক্রান্ত হলে হিমোগ্লোবিনের কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া বংশগত রক্তের রোগ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিজেন বহিরাগত প্রোটিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিজেনকে প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের রক্ত যে পদার্থ তৈরি করে তাকে অ্যান্টিবডি  বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

A গ্রুপের রক্তে অ্যান্টিজেন A থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রুপ AB গ্রুপের রক্তে কোনো অ্যান্টিবডি নেই।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ আনা সম্ভব না হলে ০ গ্রুপের রক্ত দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের গ্রুপ ০ কে ইউনিভার্সাল ডোনার বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রুপ AB কে Universal Acceptor বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডকে পাম্পের সাথে তুলনা করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড দ্বিস্তরী যে পর্দা দিয়ে বেষ্টিত থাকে তার নাম পেরিকার্ডিয়াম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাম নিলয়ের সঙ্গে চারটি পালমোনারি শিরাযুক্ত থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয় তাকে ধমনি বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মহাধমনির উৎপত্তিস্থল রাম নিলয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার সংযোগস্থলকে কৈশিক জালিকা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচনকে সিস্টোল বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৃৎপিণ্ডের স্পন্দনকে হার্টবিট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্ডিয়াক চক্র চারটি ধাপে সম্পন্ন হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডের পেরিকার্ডিয়াম পর্দা দুই স্তরবিশিষ্ট ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের উপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে অ্যাট্রিয়াম বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিরা ও ধমনির সংযোগস্থলের রক্তনালি কৈশিক জালিকা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার সংযোগস্থলে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়ে কৈশিক জালিকা গঠন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হতে ০.৮ সেকেন্ড সময় লাগে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃৎস্পন্দনের যে শব্দ শোনা যায় তাকে হার্টসাউন্ড বলে?

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পালসের স্বাভাবিক গতি প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

১০ ফারেনহাইট তাপ বৃদ্ধির জন্য পালসের গতি মিনিটে  ১০ বার বাড়ে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হার্ট ব্লক এর কারণে প্রতি মিনিটে পালসের গতি ৬০ এর কম হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃৎস্পন্দনের যে শব্দ শোনা যায় তাকে হার্ট সাউন্ড বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের স্পন্দনকে হার্ট বিট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাতের কবজিতে হৃদস্পন্দন অনুভব করাকে পালস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহের সময় যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত ১২০/৮০(mmHg।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে চর্বিযুক্ত খাদ্য খাবার বর্জন করা উচিত ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইপারটেনশন প্রতিরোধে দৈনিক ৭/৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্নেহ ও প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে LDL এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে  HDL পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগ এর আশঙ্কা বাড়ায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন HDL

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

arterio sclerosis কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনসুলিন প্যানক্রিয়াস থেকে নির্গত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তে গ্লুকোজ এর পরিমাণ বেড়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

করোনারি হৃদরোগ রক্তের গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা ৩.৯-৫.৬ m mole/L

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করলে ডায়াবেটিস হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের প্রধান উপাদানগুলো হলো রক্তরস বা প্লাজমা এবং রক্তকোষ। সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকোষ। রক্তকোষ তিন ধরনের, যথা- লোহিত রক্তকোষ, শ্বেত রক্তকোষ ও অণুচক্রিকা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে। রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ। অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ: আয়োডিন এবং O₂, CO₂ এবং N₂ জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ। জৈব পদার্থগুলো হলো-১. খাদ্যসার, ২. রেচন পদার্থ, ৩. প্রোটিন, ৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি,
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন এবং ৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে বিদ্যমান অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O₂, CO₂ ও N₂ জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে বিদ্যমান দুটি খাদ্য সারের নাম হলো-
১. গ্লুকোজ ও ২. অ্যামিনো এসিড।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসের দুটি রেচন পদার্থের নাম হলো-১. ইউরিয়া ও ২. ক্রিয়েটিনিন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসে প্রোটিন হলো জৈব পদার্থের অন্তর্ভুক্ত একটি উপাদান। প্রোটিন হিসেবে রক্তরসে ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথম্বিন ইত্যাদি পাওয়া যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসের দুটি প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি হলো-
১. অ্যান্টিটক্সিন ও ২. অ্যাধুটিনিন

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসের জৈব পদার্থগুলো হলো-
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি।
২. রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি।
৩. প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোগ্রন্থিন ইত্যাদি।
৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগুটিনিন ইত্যাদি।
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন।
৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরসের দুটি কাজ নিম্নরূপ:


১. রক্তকোষসহ রক্তরসের দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা।
২. শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO₂কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহন করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তের জমাট অংশ থেকে যে হালকা হলুদ বা খড়ের রঙের মতো এক ধরনের স্বচ্ছ রস নিঃসৃত হয় তাকে সিরাম বলে। সিরামের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এতে কোনো রক্তকোষ থাকে না। রক্তকোষ না থাকার জন্য এটি অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশগ্রহণ করে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের স্বচ্ছ রস পাওয়া যায় তাকে সিরাম বলে। রক্তরস বা প্লাজমা এবং সিরামের মধ্যে পার্থক্য হলো রক্তরসের রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকে। সিরামে সেটি থাকে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাজমা ও সিরামের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

                                                      প্লাজমা                                   সিরাম
১. প্লাজমা হলো হালকা পীত বর্ণের, মৃদু ক্ষারীয় তরল পদার্থ।১. সিরাম হলো রক্ত জমাট বাঁধার পর প্রাপ্ত স্বচ্ছ তরল পদার্থ।
২. প্লাজমা জমাট বাঁধে। ২. সিরাম জমাট বাঁধে না।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকোষ প্রধানত তিন রকমের; যথা-


১. লোহিত রক্ত কোষ বা এরিথ্রোসাইট।
২. শ্বেত রক্তকোষ বা লিউকোসাইট।
৩. অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকোষের দুটি কাজ হলো-


১. দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
২. হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকোষ দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির। এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়। অন্যভাবে বলা যায়, লোহিত কোষ প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি চ্যাপ্টা আকৃতির ভাসমান ব্যাগ। এ কারণে লোহিত কোষ অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকোষ সর্বক্ষণ অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। অন্যদিকে লোহিত কোষ প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কোষ রক্তরসে সরবরাহ হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকোষের তিনটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-


১. লোহিত রক্তকোষ দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির।
২. এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে।
৩. পরিণত লোহিত কোষগুলোর বিভাজন হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিনের কাজ নিম্নরূপ-


১. হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে মিশে অক্সি-হিমোগ্লোবিনরূপে দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
২. এটি কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।
৩. দেহের আম্ল-ক্ষারক সমতা রক্ষা করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের রসে হিমোগ্লোবিন নামক এক ধরনের প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দেহে প্রতি ঘন মি.মি. রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা ৪.৫ ৫.৫ লাখ। পূর্ণবয়স্ক মহিলার দেহে প্রতি ঘন মি. মি. রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা ৪ ৫ লাখ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন শ্বেত রক্ত কণিকা দুই রকমের; যথা লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট। লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশ করা রোগ জীবাণু ধ্বংস করে। আর মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগ জীবাণুকে ধ্বংস করে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকোষের নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। শ্বেত কোষের গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। শ্বেত রক্তকোষে DNA থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্লাজমে গ্রানিউল বা দানারউপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে শ্বেতরক্ত কোষকে প্রধান দুই ভাগে করা যায়। যথা- ১. অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন এবং ২. গ্রানুলোসাইট বা দানাযুক্ত। অ্যাগ্রানুলোসাইট শ্বেতকোষ আবার দুই রকমের। যথা- ১. লিম্ফোসাইট ও ২. মনোসাইট। অন্যদিকে গ্রানুলোসাইট শ্বেতকোষগুলো নিউক্লিয়াসের আকৃতির ভিত্তিতে তিন প্রকার। যথা- ১. নিউট্রোফিল, ২. ইওসিনোফিল এবং ৩. বেসোফিল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনোসাইট এর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-


১. ছোট, ডিম্বাকার ও বৃত্তাকার নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট বড় কোষ।
২. সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিম্ফোসাইট ও নিউট্রোফিলের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

                         লিম্ফোসাইট                                          নিউট্রোফিল
১. সাইটোপ্লাজম দানাবিহীন ১. সাইটোপ্লাজম সূক্ষ্ম দানাযুক্ত।
২. অ্যান্টিবডি গঠন করে রোগজীবাণু ধ্বংস করে। ২. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকা রক্তকোষের একটি উপাদান। ইংরেজিতে এদেরকে প্লেটলেট বলে। এগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার' এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫ ১০ দিন। এদের প্রধান কাজ রক্ত জমাট বাঁধানোতে সাহায্য করা

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিম্ফোসাইট ও মনোসাইটের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

                                     লিম্ফোসাইট                             মনোসাইট
১. বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট কোষ।১. ছোট নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় কোষ।
২. অ্যান্টিবডি গঠনের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করা রোগজীবাণু ধ্বংস করে২. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু ধ্বংস করে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাগ্রানুলোসাইট হলো শ্বেত কণিকা। এ কণিকার ২টি | বৈশিষ্ট্য হলো-

১. অ্যান্টিবডি গঠন করে,
২. এর সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনোসাইট ও বেসোফিলের মধ্যে তুলনা নিম্নরূপ-

                        মনোসাইট                                    বেসোফিল
১. দানাবিহীন শ্বেতকোষ ১. দানাযুক্ত শ্বেতকোষ।
২. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। ২. হিস্টামিন নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউসিনোফিল ও বেসোফিল এর মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

                                 ইউসিনোফিল                                   বেসোফিল
১. প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ১-৬%। ১. প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ০-১%।
২. এলার্জি প্রতিরোধ করে। ২. রক্ত তঞ্চন রোধ করে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউট্রোফিল ও মনোসাইটের মধ্যে তুলনা আলোচনা করা হলো

                                   নিউট্রোফিল                               মনোসাইট
১. দানাযুক্ত শ্বেত রক্তকোষ। ১. দানাবিহীন শ্বেত রক্তকোষ।
২. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। ২. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্রম্বোসাইট হলো অণুচক্রিকা। ইংরেজিতে এদেরকে প্লেটলেট বলে। এগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষীয় অঙ্গাণুর মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়। এগুলো অস্থিমজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকার দুটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-


১. অণুচক্রিকা গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা বড় আকারের।
২. সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং নিউক্লিয়াসবিহীন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে - যায়, তখন সেস্থানের অণুচক্রিকাগুলো ভেঙে যায় এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন | নামক পদার্থ সৃষ্টি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের আমিষ প্রোগ্রমবিনকে ! থ্রমবিনে পরিণত করে। ভ্রমবিন পরবর্তীতে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তের তখন ঘটায়।
-ফাইব্রিন এক ধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা | প্রস্তুত করে। এটি ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নলিখিত কারণে রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না-


১. বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকায় জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।
২. রক্তবাহিকার মধ্য দিয়ে অনবরত সঞ্চালিত হতে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উভচর ও স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রক্তের লোহিত কোষের দুটি
পার্থক্য নিম্নরূপ:


১. উভচর প্রাণীর লোহিত রক্তকোষ নিউক্লিয়াসযুক্ত কিন্তু অন্যপায়ী প্রাণীদের লোহিত রক্তকোষ নিউক্লিয়াসবিহীন।
২. উভচরের লোহিত রক্তকোষ দ্বি-উত্তল ও ডিম্বাকার। অন্যদিকে স্তন্যপায়ীর লোহিত রক্তকোষ দ্বি-অবতল ও চাকতি আকৃতির।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের দুটি সাধারণ কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-


১. রক্ত অক্সিজেনকে ফুসফুস থেকে টিস্যু কোষে এবং টিস্যু কোষ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডকে ফুসফুসে পরিবহন করে।
২. রক্ত অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের রোগ প্রতিরোধে রক্তের বিভিন্ন কোষ তথা রক্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেহে রোগজীবাণু প্রবেশ করলে মনোসাইট ও নিউট্রোফিলজাতীয় শ্বেত কোষ ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে জীবাণুকে গ্রাস করে ধ্বংস করে। লিম্ফোসাইটজাতীয় শ্বেত কোষ অ্যান্টিবডি গঠন করে দেহের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংস করে এবং বাইরের থেকে জীবাণুর আক্রমণকে প্রতিহত করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পলিসাইথিনিয়া হচ্ছে রক্তের একটি অস্বাভাবিক অবস্থা। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং রক্তকোষের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বৃদ্ধি পেলে পলিসাইথিমিয়া দেখা দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কোষের সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কোষের সংখ্যা সেসবের চাইতেও অত্যধিক হারে বেড়ে যায় তখন লিউকেমিয়া বা ব্লাড় ক্যান্সার হয়।. অর্থাৎ রক্তে শ্বেত রক্তকোষের সংখ্যা অত্যধিক মাত্রায় বেড়ে গেলে লিউকেমিয়া হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিউকোসাইটোসিস ও থ্রম্বোসাইটোসিস উভয়ই রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা। তবে লিউকোসাইটোসিস হলে রক্তে শ্বেত কোষের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যায়। অন্যদিকে থ্রম্বোসাইটোসিস অবস্থায় অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে বারবার লোহিত রক্তকোষের ঘাটতি হতে থাকে। হিমোগ্লোবিন বারবার নিচে নেমে যায়। তাই থ্যালাসেমিয়া রোগীকে নিয়মিতভাবে বারবার রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগটি মানুষের অটোজোমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা ঘটে। যখন পিতা ও মাতা উভয়ের অটোজোমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এই রোগের প্রকাশ ঘটায়। এ কারণে থ্যালাসেমিয়াকে বংশগত রোগ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতার দুটি উদাহরণ নিম্নরূপ-১. পলিসাইথিমিয়া, ২. অ্যানিমিয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসিমিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়। হিমোগ্লোবিনের এ অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়। ফলে মানুষের শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে থ্যালাসিমিয়া রোগ সৃষ্টি 1 হয়। হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়, ফলে দেহে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। এ রোগটি মানুষের অটোসোমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা ঘটে। যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোসোমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্র হয়ে এই রোগের প্রকাশ ঘটায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

                                                            অ্যান্টিজেন                                    অ্যান্টিবডি
১. অ্যান্টিজেনের প্রভাবে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয় ১. অ্যান্টিবডির প্রভাবে অ্যান্টিজেন ধ্বংস হয়
২. অ্যান্টিজেন দেহে রোগ সৃষ্টি করে। ২. অ্যান্টিবডি রোগ প্রতিরোধ করে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের 'AB' ও O' গ্রুপের মধ্যে তিনটি পার্থক্য হলো-

                                 গ্রুপ  AB                              গ্রুপ '০'
১. রক্তে অ্যান্টিজেন A এবং B দুটোই আছে। রক্তে এ কিংবা B কোনো অ্যান্টিজেন নেই।
২. সিরামে A কিংবা ও কারো অ্যান্টিবডি নেইসিরামে A এবং B দুটো অ্যান্টিজেনেরই অ্যান্টিবডি আছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের গ্রুপ না জেনে কাউকে রক্ত দিলে যদি গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ ও একই না হয় তাহলে রঙের কোষের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি-অ্যান্টিজেন বিক্রিয়ার ফলে রক্তের কণিকাগুলো গুচ্ছবদ্ধ হয়ে যায়। এর ফলে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে। এ কারণে রক্তের গ্রুপ না জেনে কাউকে রক্ত দেওয়া ঠিক নয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের গ্রুপ 'A' এর ক্ষেত্রে রক্তে অ্যান্টিজেন A থাকে এবং সিরামে A অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি নেই। কিন্তু B অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি আছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের গ্রুপ 'R' এবং '১' এর মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

                                  গ্রুপ 'B                      গ্রুপ '0'
১. রক্তে অ্যান্টিজেন 'B' বিদ্যমান।১. রক্তে কিংবা 3 কোনো অ্যান্টিজেন নেই।
২. 'B' ও 'AB' গ্রুপকে রক্ত দিতে পারবে। ২. A. B, AB এবং () গ্রুপকে রক্ত দিতে পারবে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিজেন হচ্ছে বহিরাগত কোনো বস্তু বা প্রোটিন, যেটি আমাদের রক্তে প্রবেশ করলে আমাদের শরীরের নিরাপত্তাব্যবস্থা সেটাকে শরীরের জন্য ক্ষতিকর মনে করি তাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। অ্যান্টিজেনকে প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের রক্ত যে পদার্থ তৈরি করে সেটিই হচ্ছে অ্যান্টিবডি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্বামী-স্ত্রী উভয়ের Rh ফ্যাক্টর একই রকম হতে হয়। কারণ, একজন Rh মহিলার সাথে Rh+ পুরুষের বিয়ে হলে তাদের প্রথম সন্তান হবে Rh+. কারণ Rh+ একটি প্রকট বৈশিষ্ট্য। ভ্রুণ অবস্থায় সন্তানের Rh+ ফ্যাক্টরযুক্ত লোহিত কণিকা অমরার মাধ্যমে রক্তে এসে পৌঁছাবে। ফলে মায়ের Rh হওয়ায় তার রক্ত রসে Rh+ এর বিপরীত অ্যান্টিবডি তৈরি হবে। এই অ্যান্টিবডি মায়ের রক্ত থেকে অমরার মাধ্যমে ভূণের রক্তে প্রবেশ করে ভ্রূণের লোহিত কণিকাকে ধ্বংস করে। ফলে ভ্রূণ বিনষ্ট করে এবং গর্ভপাত ঘটে। এ অবস্থায় শিশু জীবিত থাকলেও তার দেহে প্রচন্ড রক্তস্বল্পতা এবং জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

০ গ্রুপের রক্তের লোহিত কণিকায় কোনো অ্যান্টিজেন নেই বলে গ্রুপের রক্ত যে কোনো ব্যক্তি গ্রহণ করতে পারে। আবার, রেসাস ফ্যাক্টর অনুযায়ী, Rh রক্ত সবসময়ই Rh' বিশিষ্ট রক্তের মানুষকে দেওয়া সম্ভব কিন্তু একের অধিকবার Rh রক্ত বিশিষ্ট মানুষকে Rh' বিশিষ্ট রক্ত দেওয়া সম্ভব নয়। তাই রক্তের গ্রুপ জানা না থাকলে ০ রক্ত দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস (+) বা মাইনাস (-) চিহ্নটি Rh ফ্যাক্টরের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। Rh ফ্যাক্টর হলো এক ধরনের অ্যান্টিজেন যা রেসাস নামক বানরের লোহিত রক্ত কণিকায় রয়েছে। যাদের শরীরে এই অ্যান্টিজেন পাওয়া যায় তাদের রক্তকে পজিটিভ বা Rh+ এবং যাদের শরীরে এটি নেই তাদের রক্তকে নেগেটিভ বা Rh দ্বারা চিহ্নিত করা হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রুস ম্যাচিং হলো রক্তের সামঞ্জস্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে রক্ত সঞ্চালনের আগে সম্পাদিত একটি পরীক্ষা। সাধারণত এতে দাতার লোহিত রক্তকোষের নমুনায় প্রাপকের রক্তের প্লাজমা যোগ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের শ্রেণিবিভাগের দুটি গুরুত্ব নিম্নরূপ-
১. কোনো দাতার রক্ত গ্রহীতার দেহে দেওয়ার আগে সবসময়েই দু'জনের রক্তের গ্রুপ জানার জন্য পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরি। ভুল গ্রুপের রক্ত দেওয়া হলে গ্রহীতার রক্তকে জমাট বাঁধিয়ে প্রাণহানির কারণ হতে পারে।
২. কোনো শিশুর পিতৃত্ব নির্ণয়ে জটিলতা দেখা দিলে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে অনেক সময় তার সমাধান করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ড রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত এক ধরনের পাম্প যন্ত্রবিশেষ। এটি অনবরত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারাদেহে রঞ্জ সঞ্চালন ঘটায়। হৃৎপিন্ড দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম পর্দা দিয়ে বেষ্টিত থাকে। উভয় স্তরের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে, যেটি হৃৎপিন্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের হৃৎপিন্ডের হৃদপেশি বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই নিজ থেকে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে হৃদস্পন্দন সৃষ্টি করে বলে মানুষের হৃৎপিণ্ডকে মায়োজৈনিক বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির তিনটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-
১. ধমনির প্রাচীর পুরু এবং তিনটি স্তরে গঠিত।
২. এদের গহ্বর ছোট।
৩. ধমনিতে কোনো কপাটিকা থাকে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেহে রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রে ধমনি তৃহৃৎপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে উচ্চমাত্রায় অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবহন করে। কিন্তু ফুসফুসীয় ধমনি এর ব্যতিক্রম। এই রক্তনালি দিয়ে হৃৎপিন্ড ফুসফুসে রক্ত প্রেরণ করে বলে এটিকে ধমনি বলা হলেও এটি উচ্চমাত্রায় কার্বন ডাইঅক্সাইড যুক্ত রক্ত পরিবহন করে। যা শিরার কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কারণেই ফুসফুসীয় ধমনিকে শিরার অনুরূপ বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিরার তিনটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-


১. শিরার প্রাচীর পাতলা,
২. শিরায় কপাটিকা থাকে ও
৩. এদের গহ্বর বড়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনির কাজ হচ্ছে হৃৎপিন্ড থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে উচ্চমাত্রায় পরিবহন করা। অন্যদিকে, শিরার কাজ হচ্ছে উচ্চমাত্রায় কার্বন ডাইঅক্সাইড পূর্ণ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিন্ডে বহন করা। কিন্তু পালমোনারি শিরা ফুসফুস থেকে উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ডে নিয়ে আসে, যা ধমনির কাজের অনুরূপ। এজন্য ধমনি ও পালমোনারি শিরা সাদৃশ্যপূর্ণ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার মধ্যে ২টি পার্থক্য হলো-

                                  ধমনি                           শিরা
১. ধমনির প্রাচীর পুরু। ১. শিরার প্রাচীর পাতলা।
২. ধমনির গহ্বর ছোট। ২. শিরার গহ্বর বড়
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে রক্ত সংবহনতন্ত্রের প্রধান অংশগুলোর মধ্যে শিরা অন্যতম। শিরার প্রাচীর পাতলা এবং তিনটি স্তরে গঠিত। বেশিরভাগ শিরায় কপাটিকা থাকায় শিরা দিয়ে রক্ত ধীরে ধীরে একমুখে প্রবাহিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি প্রান্তের কৌশিক জালিকাগুলো ক্রমশ একত্রিত হয়ে প্রথমে সূক্ষ্ম শিরা বা উপশিরা গঠন করে। উপশিরাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে পরে শিরা গঠন করে। কতকগুলো শিরা মিলে মহাশিরা গঠন করে। এভাবে শিরা কৈশিক জালিকা থেকে শুরু হয় এবং হৃৎপিন্ডে শেষ হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি পাম্প মেশিন যেমন কতকগুলো কপাটিকা বা ভালব কাজে লাগিয়ে তরল বা গ্যাস সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। তেমনিভাবে এককটি হৃৎপিন্ডও অবিরামভাবে সংকুচিত বা প্রসারিত হয়ে দেহের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে হৃৎপিণ্ডকে পাম্পযন্ত্রের সাথে তুলনা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অলিন্দদ্বয় যখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে, তখন সারা দেহের CO₂ যুক্ত রক্ত উর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা দিয়ে ডান অলিন্দে আসে এবং ফুসফুস থেকে ₂ সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারি শিরা দিয়ে বাম অলিন্দে আসে। অলিন্দ দুটি রক্তপূর্ণ হলে সেগুলো সংকুচিত হয়, অর্থাৎ অলিন্দের সিস্টোল হয়। ফলে ডান অলিন্দ থেকে CO₂ সমৃদ্ধ রক্ত ডান নিলয় এবং বাম অলিন্দ থেকে ১, সমৃদ্ধ রক্ত বাম নিলয়ে আসে। এ সময় নিলয় ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্ডিয়াক চক্র চারটি ধাপে সম্পন্ন হয়। যথা-


১. অলিন্দের ডায়াস্টোল।
২. অলিন্দের সিস্টোল।
৩. নিলয়ের সিস্টোল।
৪. নিলয়ের ডায়াস্টোল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হূৎপিণ্ডের সংকুচিত অবস্থাকে বলা হয় সিস্টোল। সিস্টোল অবস্থায় রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি করে তাকে সিস্টোলিক রক্ত চাপ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পালসরেট গণনার ক্ষেত্রে প্রথমে রোগীর হাতের কবজিতে হাতের তিন আঙুল যেমন অনামিকা, মধ্যমা ও তর্জনী দিয়ে চাপ দিয়ে হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে কতবার হয় তা অনুভব করতে হবে। এরপর হাতের তিন আঙুল এমনভাবে রাখতে হবে যাতে তর্জনী থাকে হৃৎপিন্ডের দিকে, মধ্যমা মাঝখানে এবং অনামিকা হাতের আঙুলের দিকে। এবার এক মিনিটে মধ্যমা আঙুল দিয়ে বোঝা যাবে হাতের রেডিয়াল ধমনি কত বার ধুকধুক করছে। এটাই পালসরেট বা পালসের গতি। আর এভাবেই পালসরেট গণনা করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পালসের স্বাভাবিক গতি হলো প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি, প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১৪০ বার। কিন্তু পরিশ্রম করলে, ঘাবড়ে গেলে, ভয় পেলে, তীব্র যন্ত্রণা কিংবা জ্বর হলে পালসের গতি দ্রুত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কখনো কখনো পালসের গতি স্বাভাবিক অর্থাৎ প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ এর কম-বেশি হলেও তা স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়।
-।
যেমন- স্বাভাবিকভাবে মানসিক উত্তেজনা, ব্যায়াম, সন্ধ্যার দিকে পালসের গতি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় পালসের গতি অধিক হলেও তা স্বাভাবিক ভাবতে হবে। ঘুমানো অবস্থায় এবং রাতে সুনিদ্রার পর সকালে পালসের গতি ৬০-এর কম হতে পারে। এ অবস্থাটিকেও স্বাভাবিক ধরতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তচাপ যেসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা হলো-


১. হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা।
২. ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা।
৩. রক্তের ঘনত্ব ও পরিমাণ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হওয়ার প্রকৃত কারণ আজও জানা যায় নি। তবে অতিরিক্ত শারীরিক ওজন, মেদবহুল শরীর, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া, অপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, ডায়াবেটিস, অস্থিরচিত্ত এবং মানসিক চাপগ্রস্ত, রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য এরকম ব্যক্তিদের মাঝে এ রোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা হার্ট অ্যাটাকের সৃষ্টি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক এবং সুস্থ একজন মানুষের আদর্শ রক্তচাপ হচ্ছে ১২০/৮০ (mm Hg)। তবে উত্তেজনা, চিন্তা, বিষণ্ণতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে এই সীমানা অতিক্রম করে তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইপারটেনশন হতে পারে এমন দুই ধরনের ব্যক্তি হলো-


১. যাদের অতিরিক্ত শারীরিক ওজন রয়েছে।
২. যারা অপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইপারটেনশনের ফলে সৃষ্ট ২টি জটিলতা হচ্ছে-

১. স্ট্রোক ও ২. হার্ট অ্যাটাক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তচাপ প্রতিরোধের চারটি উপায় নিম্নরূপ-


১. ডায়াবেটিস থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা।
২. দেহের ওজন না বাড়ানো।
৩. চর্বিযুক্ত খাদ্য বর্জন করা।
৪. সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সেই সাথে বাড়ে স্ট্রোকের সম্ভাবনাও। তবে শরীরে বেশ কিছু উপকারী কোলেস্টেরলও থাকে। এই কোলেস্টেরলকে High Density Lipoprotein (HDL) বলা হয়। এটি খারাপ কোলেস্টেরলকে শোষণ করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। এমনকি হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
এজন্য HDL আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুই ধরনের কোলেস্টেরল অর্থাৎ HDL ও LDL এর মধ্যে HDL কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। HDL হলো উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন। এটি ট্রাইগ্লিসারাইড, LDL এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক চর্বি লিভারে স্থানান্তর করতে সহায়তা করে। তারপর লিভার এই অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং LDL ভেঙে পিত্তে রূপান্তরিত করে। তখন এই ক্ষতিকর চর্বিগুলো শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়াও HDL হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। এসব কারণে HDL কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

HDL ও LDL এর মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

                                         HDL                                 LDL
১. HDL হলো উচ্চ
ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন।
১. LDL হলো নিম্ন ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন।
২. HDL রক্তনালীকে সুস্থ রাখে.২. LDL রক্তনালীকে সরু করে ফেলে।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এলডিএল (LDL)-কে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়। কারণ, এটি রক্তনালীর দেয়ালে জমে রক্ত প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এমনকি LDL মানবদেহে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালির অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালি গহ্বরে সংকুচিত হয়। ফলে ধমনি প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। এ অবস্থাই ধমনির কাঠিন্য নামে পরিচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়। স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালির আন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ১০০-২০০ mg/dl। এ মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালির আন্তঃপ্রাচীর গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। ফলে ধমনি প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। যা হৃদরোগের প্রধান কারণ

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সঠিক খাদ্যব্যবস্থা এবং জীবনপ্রণালি অনুসরণ করে হৃদযন্ত্রকে
সুস্থ রাখা যায়। তন্মধ্যে দুটি উপায় হলো-


১. দেহের উচ্চতা এবং বয়স অনুসারে কাঙ্ক্ষিত ওজন বজায় রাখা।
২. প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন মিশ্রিত খাবার খাওয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে-


১. প্রাণিজ ও উদ্ভিন্ডজ্জ প্রোটিন মিশ্রিত খাবার খাওয়া উচিত।
২. উদ্ভিজ্জ তেল গ্রহণ করা উচিত।
৩. রসুন, তেঁতুল, ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ ফল নিয়মিত খেতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা যখন কিছু খাই তখন এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে। প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত ইনসুলিন নামক হরমোন রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। যখন প্যানক্রিয়াস যথেস্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না তখন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। যার ফলে ডায়াবেটিস দেখা দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে কেউ যেকোনো সময়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে, তবে চার শ্রেণির মানুষের ডায়াবেটিস বেশি হয়ে থাকে। যথা-
১. যাদের বংশে, যেমন- মা-বাবা সম্পর্কিত নিকট আত্মীয়ের ডায়াবেটিস আছে।
২. যাদের ওজন বেশি এবং শরীর মেদবহুল।
৩. যারা ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করে না।
৪. দীর্ঘদিন যারা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস রোগের তিনটি লক্ষণ নিম্নরূপ-
১. ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া, বিশেষ করে রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
২. খুব বেশি পিপাসা লাগা।
৩. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন- হৃৎপিন্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে। দেখা গেছে । ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী মারা যেতে লি-পারে। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস মূলত বিপাকজনিত একটি সমস্যা। শরীরে যথাযথ ইনসুলিনের মাত্রা বা কার্যকারিতা না থাকলে রক্তের শর্করা বিপাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে রক্তে স্বাভাবিকের তুলনায় শর্করা বেড়ে যায়। রক্তের এই বাড়তি শর্করা শরীর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য কিডনি তখন বেশি করে প্রস্রাবের মাধ্যমে শর্করা ছেড়ে দিতে থাকে। এ কারণে ডায়াবেটিস হলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মোটা লোকদের ডায়াবেটিস হলে তাদের ওজন স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের একটুও চিনি বা মিষ্টি খাওয়া চলবে না। তাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত যা প্রোটিন সমৃদ্ধ যেমন- গাঢ় সবুজ রঙের শাক-সবজি, বরবটি, মাশরম, বাদাম, ডিম, মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস ইত্যাদি এবং যেখানে শ্বেতসার কম থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তের জমাট অংশ থেকে যে হালকা হলুদ রঙের এক রকম স্বচ্ছ রস নিঃসৃত হয় তা-ই সিরাম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকে সেন্ট্রিফিউজ করা হলে উপরে হালকা হলুদ বর্ণের ৫৫% যে তরল অংশ থাকে তাকে প্লাজমা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত রসের মধ্যে ছড়ানো বিভিন্ন রকমের কোষকে রক্ত কোষ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত ও ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যুকে রক্ত বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হিমোগ্লোবিন হচ্ছে রক্তের লোহিত কোষে বিস্তৃত লাল বর্ণের প্রোটিনধর্মী ভারী পদার্থ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লসিকা হলো এক ধরনের হালকা হলুদ বর্ণের স্বচ্ছ ক্ষারীয় তরল যোজক কলা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত, রক্তকোষ যে প্রক্রিয়ায়, ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধমে রোগজীবাণু ধ্বংস করে তাকে ফ্যাগোসাইটোসিস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রোগ জীবাণু ধ্বংসকারী রক্ত কোষের নাম শ্বেতকণিকা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের তরল অংশকে রক্তরস বলা হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে যে যৌগ গঠন করে তাকে অক্সিহিমোগ্লোবিন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দানাবিহীন, স্বচ্ছ, বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট শ্বেত কোষই হলো লিম্ফোসাইট যা অ্যান্টিবডি তৈরি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানিমিয়া হলো লোহিত কোষের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যাওয়া

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে রক্তের অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে তাকে পারপুরা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত কোষের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০ – ৩০,০০০ হয় তাহলে তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রক্তের রোগ। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে থ্যালাসেমিয়া হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গুরুমস্তিষ্কের রক্ত নালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টিজেন হলো বহিরাগত প্রোটিন যা রক্তে এন্টিবডি তৈরি করতে উদ্বুদ্ধ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিবডি হলো রক্তকোষ কর্তৃক সৃষ্ট এক ধরনের বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ যা বাইরের প্রোটিনের সাথে বিক্রিয়া ঘটায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Rh ফ্যাক্টর রেসাস হলো বানরের লোহিত রক্তকোষে অবস্থিত এক ধরনের অ্যাগুটিনোজেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে রক্তের গ্রুপ নিজ গ্রুপ বা অন্য সকল গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে তাকে সার্বজনীন দাতা বা ইউনিভার্সাল ডোনার বলে। রক্তের গ্রুপকে ইউনিভার্সাল ডোনার বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিজেন এবং তাকে প্রতিরোধ করার জন্য সৃষ্ট অ্যান্টিবডি যখন একই দ্রবণে থাকে, তখন একটি বিশেষ ধরনের বিক্রিয়া ঘটে। অ্যান্টিজেনকে আক্রমণ করার এ বিক্রিয়াকে অ্যান্টিবডি-অ্যান্টিজেন বিক্রিয়া বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি হৃৎস্পন্দনে হৃৎপিন্ডে পর পর সংঘটিত ঘটনার সমষ্টিকে কার্ডিয়াক চক্র বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ড একটি স্বয়ংক্রিয় পাম্পের মতো দেহের ভিতরে সারাক্ষণ ছন্দের তালে স্পন্দিত হয়। ইৎপিন্ডের এ স্পন্দনই হলো হাটবিট বা হৃৎস্পন্দন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি হলো সেসব রক্তনালী যার মাধ্যমে রক্ত হূৎপিন্ড হতে দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার সংযোগস্থলে অবস্থিত কেবল এক স্তর বিশিষ্ট এন্ডোথেলিয়াম দিয়ে গঠিত যেসব সূক্ষ্ম রক্তনালি জালকের আকারে বিন্যস্ত থাকে তাকে কৈশিক জালিকা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হূৎপিন্ড একটি পাম্প যন্ত্র। এটি দেহের ভেতর সর্বক্ষণ ছন্দের হারে স্পন্দিত হয়। হৃৎপিন্ডের এই স্পন্দনকে হার্টবিট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিলয়ের সিস্টোলের ফলে কপাটিকাগুলো বন্ধের সময় হৃদস্পন্দনে প্রথম যে শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে লাব বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিলয়ের ডায়াস্টোলের ফলে কপাটিকা বন্ধের সদয় সৃষ্ট দ্বিতীয় শব্দটি হলো 'ভাব'।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে ধমনি CO, যুক্ত রক্ত মৃৎপিন্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে আসে তাকে ফুসফুসীয় ধমনি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যূৎপিন্ডের স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃদস্পন্দনের যে শব্দ শোনা যায় তাকে হার্ট সাউন্ড বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের সংকুচিত অবস্থাকে বলা হয় সিস্টোল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃদস্পন্দন বা হার্টবিটকে যখন প্রতিমিনিটে হাতের কবজিতে তিন আঙুল দিয়ে চাপ দিয়ে মধ্যমা আঙুল দিয়ে রেডিয়াল ধমনি কতবার ধুকধুক করছে তা অনুভব করা হয় তাকে পালস রেট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে বস্তু ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শরীর আর মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে তৃৎপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তজালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্নেহ ও প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। রক্তের প্রধান উপাদানসমূহ হলো রক্তরস ও রক্তকোষ। হলুদাভ রক্তরসের মধ্যে রক্তকোষসমূহ ভাসমান অবস্থায় থাকে। আর রক্তকোষগুলোর মধ্যে লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামক এক ধরনের লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় রঞ্জক পদার্থ থাকে, যার কারণে আমাদের রক্তের রং লাল।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত থেকে রক্তকোষ এবং রক্ত জমাট বাঁধার জন্য যে প্রয়োজনীয় প্রোটিন আছে, সেটাকে সরিয়ে নেওয়ার পর যে তরলটি রয়ে যায়, তাকে সিরাম বলে। অন্যভাবে বলা যায়, রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের স্বচ্ছ রস পাওয়া যায় তাকে সিরাম বলে। রক্তরস বা প্লাজমা এবং সিরামের মধ্যে পার্থক্য হলো রক্তরসের রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকে সিরামে সেটি থাকে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয় কারণ- শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকার পরিবর্তন করে এবং ফ্যাগোসাইট গহ্বর সৃষ্টি করে। যা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় দেহে অনুপ্রবেশিত ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসিমিয়া একটি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকোষ ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। মানুষের অটোজমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা এ রোগটি ঘটে বলে এটিকে বংশগত রোগ বলা হয়। যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোজমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এ রোগের প্রকাশ ঘটে। সুতরাং থ্যালাসিমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যপ্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকোষ ভেঙে। যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় ও রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের অ্যান্টিবডি বলতে বুঝায় অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। এটি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। অ্যান্টিবডিগুলো দেহে অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে। কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো আবার বাইরে নিক্ষেপ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের যে গ্রুপ অন্য গ্রুপ বিশিষ্ট রক্ত গ্রহণ করতে পারে তাদেরকে Universal Acceptor বলা হয়। AB রক্তের প্লাজমায় কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। কোনো অ্যান্টিবডি না থাকায় A ও B রক্ত গ্রুপের অ্যান্টিজেন গ্রহীতার (AB) রক্তের সাথে কোনো বিক্রিয়া করে না। এ কারণে AB গ্রুপের রক্ত A, B. AB ও 0 সকল গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করতে পারে। তাই AB গ্রুপের ব্যক্তিদের Universal Acceptor বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একই ধরনের এন্টিজেন ও এন্টিবডি যদি একই ব্যক্তির রক্তে থাকে তবে এন্টিবডি নিজেই নিজের রক্তের লোহিত কোষকে আক্রমণ করে মৃত্যুর কারণ হয়। এ কারণেই একই ধরনের এন্টিজেন ও এন্টিবডি একই ব্যক্তির রক্তে থাকে না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বুঝার সুবিধার জন্য মানব শরীরে অ্যান্টিজেনগুলোকে এবং B নামকরণ করা হয়। এ দুটি অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি অনুপস্থিতিয় ওপর নির্ভর করে মানবদেহের রক্তের গ্রুপকে A, B, AB এবং ) এ চারভাগে ভাগ করা যায়। যার শরীরে যে অ্যান্টিজেন থাকে তার বিপরীত অ্যান্টিবডি তার শরীরে থাকলে সেই রক্ত জমাট বেঁধে যায়।। এ কারণে, কোনো সময় একজনের শরীরে অন্যজনের রক্ত নেবার পূর্বে তাদের রক্তের গ্রুপ জানা প্রয়োজন হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

০ গ্রুপের রক্তধারী ব্যক্তির রক্তকোষে A ও B উভয় ধরনের

অ্যান্টিজেন অনুপস্থিত। অতএব, তাদের রক্ত যে কোনো গ্রহীতা গ্রহণ করতে পারে। কারণ দাতার রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন না থাকার জন্য গ্রহীতার (A, B, AB) রক্তের অ্যান্টিবডির সাথে বিক্রিয়ার কোনো প্রশ্ন ওঠে না। ০ গ্রুপের দাতার অ্যান্টিবডির সাথে গ্রহীতার অ্যান্টিজেনের কোনো বিক্রিয়া ঘটে না। কারণ গ্রহীতার সমস্ত রক্তে মিশে দাতার স্বল্প পরিমাণ অ্যান্টিবডি অত্যন্ত তরল ও প্রভাবমুক্ত হয়ে যায়। অন্য সব। গ্রুপকে রক্ত দান করতে পারে এবং সেজন্য কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। সেজন্য গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Rh ফ্যাক্টর রেসাস নামক বানরের লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত এক ধরনের অ্যান্টিজেন। রেসাস বানরের নাম অনুসারে এ অ্যান্টিজেনকে রেসাস ফ্যাক্টর সংক্ষেপে Rh ফ্যাক্টর বলে। যেসব মানুষের রক্তে Rh ফ্যাক্টর উপস্থিত, তাদের Rh' (Rh পজেটিভ) এবং যাদের রক্তে Rh ফ্যাক্টর অনুপস্থিত তাদের Rh (Rh নেগেটিভ) বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

Rh ফ্যাক্টর দুই ধরনের, Rh' ও Rh। Rh রক্ত. সবসময়ই Rh+ বিশিষ্ট রক্তের মানুষকে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু একাধিকবার Rh বিশিষ্ট রক্ত Rh রক্তবিশিষ্ট মানুষকে দিলে গঠিত অ্যান্টিবডি রক্তের লোহিত কোষের সাথে বিক্রিয়া করে রক্তকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়। এছাড়া সন্তান সম্ভবা মায়েদের রক্তের ক্ষেত্রেও Rh ফ্যাক্টরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য বাবা এবং মা উভয়কেই একই Rh ফ্যাক্টর বিশিষ্ট হতে হবে। তা না হলে প্রথম সন্তান সুদ্ধ হলেও দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিবে। সেক্ষেত্রে ভ্রূণ বিনষ্ট হয়ে গর্ভপাতও হতে পারে। আবার যদি সন্তান জন্মও নেয় তাহলে তার প্রচণ্ড রক্তস্বল্পতা থাকে এবং জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয়। এসব কারণে রক্তের Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সন্তানসম্ভবা মায়েদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ্যন্টি Rh ফ্যাক্টর মায়ের রক্ত থেকে অমরার মাধ্যমে ভ্রূণের রক্তে প্রবেশ করে ভ্রূণের লোহিত কোষকে ধ্বংস করে। ফলে ভ্রূণ বিনষ্ট হয়ে গর্ভপাতও হতে পারে। আবার যদি সন্তান জন্মও নেয় তাহলে তার প্রচন্ড রক্তস্বল্পতা থাকে এবং জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার সংযোগস্থলে অবস্থিত কেবল একস্তরবিশিষ্ট এন্ডোথেলিয়াম' দিয়ে গঠিত যেসব সূক্ষ্ম রক্ত নালি জালকের আকারে বিন্যস্ত থাকে তাকে কৈশিক জালিকা বলে। কৈশিক জালিকার রক্ত ও কলারসের মধ্যে ব্যাপন প্রক্রিয়ার দ্বারা পুষ্টিদ্রব্য, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, রেচন পদার্থ ইত্যাদির আদান-প্রদান ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সিস্টোল ও ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃদস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড। একজন বৃদ্ধ মানুষের হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০ ১০০ বার হয়। একে হার্টবিট বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড রস্তের মাধ্যমে অক্সিজেন এবং খাবারের সারবস্তু অর্থাৎ পুষ্টিকর পদার্থ রক্তনালির মধ্য দিয়ে দেহের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেয়। নিজের কাজ সঠিকভাবে করার জন্য অর্থাৎ তার হৃৎপেশির অক্সিজেন এবং পুষ্টি অর্জনের জন্য হৃৎপিন্ডের তিনটি প্রধান রক্তনালি আছে। এগুলোর মধ্যে অনেক সময় চর্বি জমে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ফলে প্রাণঘাতী রোগ হার্ট অ্যাটাক হয়। আর এ হার্ট অ্যাটাকের কারণে উচ্চ রক্ত চাপের সূত্রপাত ঘটে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ রক্ত চাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন বলে। শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃৎপিন্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকাল ধমনিগাত্রে কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি সব সময় ১৬০ মি.মি. পারদ স্তম্ভ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টেলিক সবসময় ৯৫ মি.মি. পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ  বা হাইপারটেনশন আছে বলা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ১০০-২০০ mg/dl। এ মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালির আন্তঃপ্রাচীর গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালী গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে | ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। ফলে | ধমনি প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। যা হৃদরোগের প্রধান কারণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হূৎপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেলিওর বলে। সাধারণত উচ্চ | রক্তচাপে আক্রান্ত রোগী অর্থাৎ যাদের সিস্টোলিক রক্তচাপ ১৬০ মি. মি. 1 পারদস্তন্ড বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৯৫ মি.মি. পারদস্তন্ড 1 বা তার বেশি, তাদের ক্ষেত্রেই হার্ট ফেলিওরের সম্ভাবনা বেশি থাকে

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের শর্করা বা গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলশ্রুতিতে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই ডায়াবেটিস রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। আর শৃঙ্খলা হলো ডায়াবেটিস রোগীর জীবন-কাঠি। এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো ঔষধ নেই বিধায় সব ডায়াবেটিস রোগীকেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। এ রোগ হলে নিয়মিত ও পরিমিত সুষম খাবার গ্রহণ ও ব্যায়াম করতে হয়, মিষ্টি খাওয়া সম্পূর্ণ ছেড়ে দিতে হয়। অন্যথায় নানারকম জটিলতা এমনকি প্রাণহানি ঘটে যেতে পারে। | এসব কারণেই ডায়াবেটিস রোগীদের শৃঙ্খলা মেনে চলা জরুরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
95

মানুষ ও অন্যান্য উচ্চশ্রেণির প্রাণীদের দেহে যেসব তন্ত্র আছে, তার মধ্যে রক্ত সংবহনতন্ত্র উল্লেখযোগ্য। কারণ, এই তন্ত্রের মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে পরিবাহিত হয়। রন্তু সংবহনতন্ত্র গঠিত হয়েছে রুন্তু, হৃৎপিণ্ড ও রক্তবাহিকা নিয়ে। হৃৎপিণ্ড হচ্ছে হৃৎপেশি দিয়ে তৈরি ত্রিকোণাকার ফাঁপা প্রকোষ্ঠযুক্ত পাম্পের মতো একটি অঙ্গ। এর সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে সারা দেহে রক্ত সরবরাহিত হয়। আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্তবাহিকা তিন রকম— ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকা। রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতর দিয়ে সঞ্চালনের জন্য হৃৎপিণ্ড মানব ও অন্য সকল প্রাণীদেহে পাষ্পের মতো কাজ করে। ধমনি দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহে বাহিত হয়। সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে শিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। ধমনি ও শিরার সংযোগস্থল জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়ে কৈশিক জালিকা গঠন করে। আমরা এ অধ্যায়ে সন্তু এবং রক্ত সঞ্চালনের যাবতীয় বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারব।

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :

  • রক্তের উপাদান এবং এদের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্তের গ্রুপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্তের স্থানান্তরের নীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্ত গ্রহণে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্তে বিঘ্নতা/বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ এবং এর ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শরীরে রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আদর্শ রক্তচাপ, হার্টবিট, হার্টরেট এবং পালসরেটের মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • রপ্তচাপজনিত শারীরিক সমস্যা সৃষ্টির কারণ ও প্রতিরোধের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শরীরে রক্ত সঞ্চালনে কোলেস্টেরলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • কোলেস্টেরলকে প্রত্যাশিত সীমায় রাখার প্রয়োজনীয়তা ও উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রয়ে সুগারের ভারসাম্যতার কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকারে করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা করতে পারব।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

হৃদপিন্ডের সংকোচন উপসরনের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।

3.9k
উত্তরঃ

সিস্টোলিক রক্তচাপ হল হৃদযন্ত্র সংকোচনের (সিস্টোল) সময় ধমনীগুলিতে সৃষ্ট সর্বোচ্চ চাপ। যখন হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীগুলির মধ্য দিয়ে পাম্প করে, তখন ধমনীর দেয়ালে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপ পরিমাপের সময় এটি উপরের সংখ্যা হিসাবে প্রকাশিত হয় (যেমন, 120/80 mmHg হলে 120 হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ)। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।

3.3k
উত্তরঃ

রাফিনের আব্বার উপসর্গগুলির ভিত্তিতে বলা যায় যে তিনি সম্ভবত ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

ব্যাখ্যা:

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে দেহে ইনসুলিন নামক হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায় বা দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  1. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রক্তে উচ্চ গ্লুকোজের মাত্রা ক্ষত নিরাময়ে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে।
  2. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া: ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
  3. সহজেই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়া: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না, ফলে সহজেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অপরিহার্য। ডাক্তার সাধারণত রোগীদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন যাতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

2.8k
উত্তরঃ

রক্ত (Blood) কী ?
সাধারণত শরীরের কোন অংশে কেটে গেলে লাল রঙের যে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, তাই রক্ত। 
▪︎রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু। 
▪︎রক্ত (Blood) হল মানুষের দেহের এক প্রকার 
তরল যোজক কলা (Liquid Connective Tissue)
যা কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো, ক্ষারধর্মী লালবর্ণের ঘন তরল পদার্থ এবং হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা ও কৈশিক জালিকার মধ্য দিয়ে নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে দেহে অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত করে। 
 

6.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews