টিয়ারা কীভাবে মেয়েটিকে অভ্যর্থনা জানাল?

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

টিয়ারা মেয়েটিকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাল।

অনেক খোঁজার পরে মেয়েটি টিয়াদের দেশে পৌছতে পেরেছিল। টিয়ারা তার পরিচয় পেয়ে তাকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাল। সোনার সিঁড়ি, রুপার সিঁড়ি বেয়ে মেয়েটিকে ঘরে ওঠার জন্য বলল। তারপর স্নান শেষ করে মেয়েটিকে সুন্দর পোশাক পরতে দিল। সোনার থালা, রূপার থালায় মেয়েটিকে অনেক খাবার খেতে দিল। সোনার খাটে, রুপার খাটে কোমল বিছানায় তাকে শুতে দিল। এভাবেই মেয়েটিকে টিয়ারা অভ্যর্থনা জানাল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
120

অনেক দিন আগের কথা। এক গ্রামে এক জুমচাষি দম্পতি ছিল। তাদের একটি মেয়ে ছিল। খুবই সুখে দিন কাটছিল তাদের। প্রতিদিন অতি প্রত্যুষে ঘুম থেকে উঠে ওই দম্পতি রান্না বান্না সেরে, খেয়ে, জুমচাষের কাজে বেরিয়ে পড়ত। মেয়েটিকে ঘরে রেখে যেত। সে ঘর পাহারা দিত আর ঘরের খুঁটিনাটি কাজ করত। সন্ধ্যায় মা-বাবা ফিরে আসত। আবার রাতের রান্না সেরে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ত। এভাবে তাদের দিন অতিবাহিত হতে লাগল। একদিন তারা মেয়েকে ধান শুকাতে বলে গেল। মা-বাবা বেরিয়ে যাবার পর তাদের নির্দেশমতো উঠানে ধান শুকাতে দিল। পাশে বসে সে পাহারা দিতে লাগল যাতে কোনো পশুপাখি খেতে না-পারে। ধান প্রায় শুকিয়ে এসেছে। তুলতে যাবে এমন সময় হঠাৎ কোথেকে এক ঝাঁক সাদা টিয়া আর হলুদ টিয়া এসে ধানের ওপর বসল। একটা-দুটো করে এক নিমেষে সব ধান খেয়ে শেষ করে ফেলল। মেয়েটি তাদেরকে অনেক নিষেধ করল। বলল, 'লক্ষ্মী টিয়ারা, তোমরা ধান খেয়ো না। বাবা-মা ফিরে এসে ধান না দেখলে আমাকে মেরে ফেলবে।' টিয়ারা বলল, 'আমরা একটু খাব, মা-বাবা বকলে, মারলে, আমাদের কাছে চলে এসো।' সন্ধ্যায় মা-বাবা ফিরে এসে ধান না দেখে মেয়েকে ভীষণ বকুনি দিল। তারা মনে করল, সে নিশ্চয় পাহারা দেয়নি।

পরদিন তারা আবার ধান শুকাতে দিয়ে গেল। সেদিনও একই ঘটনা ঘটল। সেদিন মা-বাবা মেয়েকে অলস ভেবে ভীষণ মারধর করল। মেয়েকে সাবধান করে বলল, 'আবার যদি টিয়াদের ধান খাওয়াস তাহলে তোকে মেরে তাড়িয়ে দেব।' তার পরদিনও ধান শুকাতে দিয়ে গেল। মেয়েটি শত চেষ্টা করেও টিয়াদের বারণ করে ধান রাখতে পারল না। সে বসে কাঁদতে লাগল। মা-বাবা ফিরে এসে বুঝতে পারল একই ঘটনা। এতে আর কোনো ভুল নেই। যেই কথা সেই কাজ। মেয়েকে তাড়িয়ে দিল। মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে টিয়াদের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ল। অচেনা পথে যেতে যেতে যখন ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে পড়ল, তখন একজন রাখালের দেখা পেল। মেয়েটি রাখালকে জিজ্ঞেস করল, 'রাখাল ভাই, তুমি কি সাদা টিয়া, হলুদ টিয়ার দেশের সন্ধান দিতে পারো?' রাখাল উত্তর দিল-

লক্ষ্মী মেয়ে বলছি তোমায় শোনো,
সাদা টিয়ে হলুদ টিয়ের সন্ধান তোমায় দেবো।
এক মুঠো ভাত, এক আঁজলা পানি খেয়ে একটু জিরিয়ে নাও
তারপরেতে সোজা ওই দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যাও।

মেয়েটি তা-ই করল। একটু বিশ্রাম করে আবার পথ চলা শুরু করে দিল। যেতে যেতে এবার পৌঁছাল মেষপালকের কাছে। মেয়েটি মেষপালককে জিজ্ঞেস করল, 'মেষপালক ভাই, তুমি কি সাদা টিয়া হলুদ টিয়ার দেশ কোনদিকে বলতে পারো?' মেষপালক মেয়েটিকে আদর-যত্ন করে বসতে দিল। বলল-

লক্ষ্মী মেয়ে শোনো তোমায় বলি
এক মুঠো ভাত, এক আঁজলা পানি খাও, এই অনুরোধ করি।
সাদা টিয়ে হলুদ টিয়ের দেশে যেতে চাও
তো দক্ষিণপূর্ব দিকের পথটি ধরে যাও।

মেয়েটি মেষপালকের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগিয়ে চলল। সারাদিন যেতে যেতে সন্ধ্যায় পরিশ্রান্ত হয়ে এক অশ্বরক্ষকের কাছে পৌঁছাল। সে অশ্বরক্ষককে সাদা টিয়া, হলুদ টিয়ার দেশে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিতে বলল। অশ্বরক্ষক বলল-

লক্ষ্মী মেয়ে, এক মুঠো ভাত, এক আঁজলা পানি খাও

শ্রান্ত তুমি, একটু জিরিয়ে নাও।

দক্ষিণপূর্ব দিকে তোমায় যেতে হবে

সাদা টিয়ে, হলুদ টিয়ের দেখা তবে পাবে।

এই বলে কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর অশ্বরক্ষক মেয়েটিকে বিদায় দিল। মেয়েটি সারা দিন যেতে যেতে এবার সন্ধ্যায় হস্তীরক্ষকের কাছে গিয়ে পৌঁছাল। পথ যেন ফুরাতে চায় না। মেয়েটির মনে হলো সে, ক্লান্ত। তারপর হস্তীরক্ষকের কাছে জিজ্ঞাসা করল, 'সাদা টিয়া, হলুদ টিয়ার দেশে পৌঁছাতে আর কতদিন লাগবে?'
হস্তীরক্ষক তাকে সাহস দিয়ে বলল-

লক্ষ্মী মেয়ে এসেছ তুমি সঠিক পথটি ধরে
তবে এক মুঠো ভাত, এক আঁজলা পানি খেয়ে একটু জিরোতে হবে
আর মাত্র এক ক্রোশ পথ যেতে হবে
সাদা টিয়ে হলুদ টিয়ের তবেই দেখা পাবে।

হস্তীরক্ষকের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আবার পথ চলতে লাগল মেয়েটি। সে বুঝতে পারল, সবাই তাকে সত্যি কথা বলছে, সঠিক পথ দেখিয়ে দিয়েছে। সবাই তাকে ফেরার পথে তাদের আতিথ্য গ্রহণ করতে অনুরোধ করেছে। এক ক্রোশ পথ অতিক্রম করার পর মেয়েটি ক্লান্ত অবসন্ন দেহে অবশেষে টিয়াদের দেশে পৌঁছাল।
চারিদিকে তাকাতেই সামনে সে দেখতে পেল এক সুবর্ণ অট্টালিকা। একটু জিজ্ঞেস করতেই মেয়েটির পরিচয় ও উদ্দেশ্য জানতে পেরে সাদা টিয়া, হলুদ টিয়ারা তাকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাল। সোনার সিঁড়ি, রূপার সিঁড়ি কোনটা বেয়ে ঘরে ওঠার ইচ্ছা তারা জানতে চাইল। মেয়েটি বলল তারা, গরিব তাই কাঠের সিঁড়ি দিয়ে উঠতে অভ্যন্ত। মেয়েটিকে তাই করতে দিল। বাড়িতে ঢুকে চারিদিকে ঐশ্বর্যের ছড়াছড়ি দেখে সে অবাক হয়ে গেল। পরিশ্রান্ত মেয়েটিকে স্নান করিয়ে সুন্দর সুন্দর পোশাক পরতে দিল।

তারপর সোনার থালায় রূপার থালায় করে রকমারি খাবার খেতে দিল। মেয়েটি ওইসব থালায় খেতে অভ্যন্ত নয় তাই সে সাধারণ থালায় খেল। জীবনে কোনোদিন খায়নি এমন খাবার! তাই সে খুব তৃপ্তি সহকারে খেল। শোবার ঘরে নিয়ে গেল রাতে। সেখানেও সোনার খাটে রূপার খাটে শুভ্র কোমল বিছানা করা হয়েছে দেখতে পেল। কোনোটাতে ঘুমাবে জানতে চাইলে মেয়েটি বলল, তারা গরিব। জীবনে কোনোদিন ওইসব খাটে শোয়নি। মেঝেতে শুতেই অভ্যন্ত। তারা তাকে মেঝেতেই শুতে দিল। পরদিন সে টিয়াদের তার দুঃখের কথা জানাল। মা-বাবা অলস, অকর্মণ্য ভেবে তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। টিয়ারা তাকে সান্ত্বনা দিল। সুন্দর পোশাক-পরিচ্ছদ, সাত কলস সোনা ও রুপার মোহর আর কয়েকজন রক্ষী দিয়ে মেয়েটিকে মা-বাবার কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিল। ফেরার পথে তার শুভাকাঙ্ক্ষী রাখাল, মেষপালক, অশ্বরক্ষক, হস্তীরক্ষক সবার সঙ্গে দেখা করে তাদের সহযোগিতার জন্য অশেষ ধন্যবাদ জানাল। তারাও মেয়েটির ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে প্রাণভরে আশীর্বাদ করল।

অবশেষে মেয়েটি নিজের বাড়িতে এসে পৌঁছাল। মা-বাবা তাদের মেয়ে এবং সঙ্গে সোনা-রুপার মোহর পেয়ে তো মহাখুশি। পাড়াপ্রতিবেশীরাও মেয়েটির কাণ্ড দেখে তাজ্জব হয়ে গেল। সবাই কানাঘুষা করতে লাগল, এটা কীভাবে সম্ভব হলো। অনেকেই হিংসায় জ্বলে গেল। অনেকের লোভ সৃষ্টি হলো। এভাবে এক লোভী মা-বাবা তাদের মেয়েকে তাড়িয়ে দিল, সোনা-রুপার মোহর খোঁজ করে আনার জন্য। ওই মেয়েটি সবাইকে জিজ্ঞেস করে করে ঠিকই সাদা টিয়া হলুদ টিয়াদের দেশে পৌঁছাল।

লোভী বাপ-মায়ের সন্তানও লোভী ছিল। এই মেয়েটিকেও পূর্বের মেয়েটির অনুরূপ আদর-যত্ন করা হলো। লোভ সামলাতে না পেরে সে সোনার সিঁড়ি দিয়ে উঠল। সোনার থালায় খেল। সোনার খাটে ঘুমাল। পরদিন তার এখানে আগমনের কারণটা জানাল। টিয়ারা সব শুনে সাতটি কলস ভালো করে মুখ এঁটে মেয়েটিকে দিল। বলে দিল বাড়ি পৌঁছে চট করে যেন কলসের মুখ না খোলে। একটার ভিতর আরেকটা, এভাবে পরপর সাতটি তাঁবু খাটিয়ে সবচেয়ে ভিতরেরটাতে বংশের সব আত্মীয়স্বজনকে ডেকে জড়ো করে তারপর যেন কলসের মুখ খোলে। আত্মীয়স্বজন জড়ো হয়ে যখন কলসের মুখ, খুলল তখন সাতটি কলস থেকে বিভিন্ন জাতের বিষধর সর্প বের হয়ে সবাইকে দংশন করে নির্বংশ করল।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চাষি 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পের লোভী মেয়ে চরিত্রের প্রতিনিধি।

লোভ করা কখনই ভালো নয়। লোভী মানুষ সবসময়ই সমাজে ঘৃণিত। অন্যদিকে লোভহীন মানুষ সমাজে সবসময় সমাদৃত।

উদ্দীপকে লোভী চাষি রাতারাতি ধনী হওয়ার জন্য তার সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে কেটে ফেলে। পরিণতিতে সে কিছুই পায়নি, কিন্তু হাঁসটিকে চিরতরে হারিয়ে ফেলে। 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পে লোভী মেয়েটি টিয়াদের দেশে গিয়ে ধন-দৌলতের প্রতি আকৃষ্ট হতে লাগল। যেন টিয়ারা তাকে জুমচাষির মেয়ের মতো সোনা-রুপার মোহর দেয়। কিন্তু টিয়ারা বুঝতে পেরে তাকে মোহরের বদলে সাপ দিয়েছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চাষি 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পের লোভী মেয়েটির প্রতিনিধি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
118
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পের লোভীদের প্রতিচ্ছবি-মন্তব্যটি যথার্থ।

অসততা, লোভ, হিংসা কখনই মানুষকে ভালো কিছু দিতে পারে না। তাই যতটা সম্ভব এগুলো থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে - পারা প্রত্যেক মানুষের জন্যই মঙ্গলজনক।

উদ্দীপকে বেশি লোড করার কারণে চাষি তার হাঁসটিকে চিরতরে হারিয়ে ফেলে। 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পে লোভ করার কারণে লোভী বাবা-মায়ের লোভী মেয়েটিকে টিয়ারা সোনা-রুপার মোহর দেয় না। বরং সাত.কলস ভরে বিষধর সাপ দেয় এবং সেই সাপের ছোবলে তারা নির্বংশ হয়ে যায়।

উদ্দীপকে লোভীর নির্মম পরিণতি দেখানো হয়েছে। 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পেও লোভীদের ভয়ানক পরিণতি প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
142
উত্তরঃ

লোভীরা বিষধর সাপের দংশনে নির্বংশ হয়েছিল।

জুমচাষি দম্পতি তাদের মেয়েটিকে তাড়িয়ে দেওয়ার পরে মেয়েটি টিয়াদের দেশ থেকে অনেক সোনা-রুপার মোহর এনেছিল। এ ঘটনা দেখে এক লোভী পরিবার তাদের মেয়েকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু লোভী বাবা-মায়ের মেয়েও লোভী ছিল। টিয়াদের দেশে গিয়ে সে লোভ করেছিল এবং টিয়ারা তা বুঝতেও পেরেছিল। এজন্য টিয়ারা মেয়েটিকে সাতটি কলসি ভরে সোনার মোহর না দিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিষধর সাপ দিয়েছিল। আর সেই বিষধর সাপের দংশনে লোভীরা নির্বংশ হলো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
187
উত্তরঃ

উদ্দীপকের করিম 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পের নির্লোভমেয়েটির প্রতিনিধি।

অন্যের সম্পদের প্রতি লোভ করার চেয়ে নিজের ক্ষুদ্র জিনিস নিয়ে সন্তুষ্ট থাকাই শ্রেয়। কারণ অন্যের সম্পদে লোভ করলে পরিণামে ধ্বংস হতে হয়। আর নিজের সামান্য কিছু নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে পুরস্কার পাওয়া যায়।

উদ্দীপকের করিম ছিল একজন সৎ ও নির্লোভ বালক। সে জন্যই প্রায় সাত বছর পরেও দোকানের মালিক ফেরত এলে সে বিনা দ্বিধায় তাকে তার দোকান ফেরত দিতে চেয়েছে। 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পে জুমচাষি দম্পতির মেয়েটি ছিল অত্যন্ত সৎ ও নির্লোভ। তাকে টিয়ারা বিভিন্নভাবে ধনসম্পদ দিয়ে পরীক্ষা করলেও সে লোভীর মতো সেগুলো চেয়ে নেয়নি। সে সম্পূর্ণ তার মতো সাদামাটাভাবে থেকেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের করিম 'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পের নির্লোভ মেয়েটির প্রতিনিধি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
67
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews