টুকটুকের মা বললেন, "তুমি একটা বিড়ালকে ভালোবেসে অনেক কিছু শিখে গেলে।" তিনি বোঝাতে চাইলেন যে, প্রাণীকে যত্ন নিলে মানুষ দায়িত্বশীল ও সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠে। টুকটুক বুঝল, বন্ধুর বিপদে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত ভালোবাসা। মা ও মেয়ের এই সংলাপ গল্পের নৈতিক শিক্ষা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Related Question
View Allটুকটুক খুব আনন্দিত ছিল কারণ আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হতে চলেছে। এছাড়া দুদিন পর মামাতো ভাইবোনেরা তাদের বাড়িতে আসবে। তাই তার মনে আনন্দের জোয়ার বইছে।
টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা দুদিন পর তাদের বাড়িতে আসবে। তারা আসলে গ্রীষ্মের ছুটিতে সবাই মিলে মজা করবে।
টুকটুক বাড়ির কাছাকাছি এসে হঠাৎ 'মিউ মিউ' শব্দ শুনল। সে কৌতূহলী হয়ে চারদিকে তাকাল। পরে সে শব্দের উৎস খুঁজতে এগিয়ে গেল।
রাগানের কোণে টুকটুক একটি বিড়ালছানা দেখল। ছানাটি ভয়ে কাঁপছিল এবং কাদামাটিতে মাখানো ছিল। মনে হচ্ছিল যে তার একটি পা কেটে গেছে।
বিড়ালছানাটির শরীর কাদামাটিতে মাখানো কঙ্কালসার ছিল। ছানাটি ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে কাঁপছিল। তার পা কেটে যাওয়ায় সে যেন কান্না করছিল।
মা বললেন, "রিড়ালের যত্ন নেওয়া কিন্তু কঠিন কাজ।" তিনি টুকটুককে সতর্ক করলেন যে, এটি সহজ কাজ নয়। কিন্তু টুকটুক মাকে আশ্বস্ত করল যে সে নিজে সবকিছু করবে, মা যেন তাকে একটু সাহায্য করেন। মা রাজি হলে টুকটুক বিড়ালছানাটির যত্ন নেওয়া শুরু করল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!