অনুচ্ছেদে নুরুল হুদা টুপির প্রভাবকে বোঝাতে ‘টুপির তেজ’ শব্দটি ব্যবহার করেছে। নুরুল হুদার মধ্যে যে হীনমন্যতাবোধ কাজ করছিল রেইন কোটটি পরার পর তার আমূল পরিবর্তন ঘটে। মনের পরিবর্তন হেতু টুপির পানির স্বাদ নুরুল হুদার কছে পানসে মনে হয়, তিনি মনে করেন মুক্তিযোদ্ধার রেইনকোটের তেজের কারণেই সম্ভবত পানির স্বাদ বদলে গেছে। গল্পে টুপির তেজ শব্দটির একটা প্রতীকী তাৎপর্য আছে সেদিকটা এখানে ব্যঞ্জনা পেয়েছে। মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের যে সাহস তারই ব্যাঞ্জনাময় প্রকাশ ঘটেছে।
Related Question
View Allগল্পে একজন সাধারণ ভীতু মানুষ হিসেবে নুরুল হুদাকে আমরা দেখতে পাই। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোটটি পরার পর থেকে তার ভেতর ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। ভীতু নুরুল হুদার ভেতর পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের জন্য তাদের প্রতি ঘৃণাবোধ কাজ করছিল তা উল্লিখিত শব্দচয়নে স্পষ্ট বোঝা যায়। সুতরাং বলা যায় গুষ্টি সুরত, শব্দদ্বয় পাকস্তিানিদের প্রতি নুরুল হুদার যে ক্ষোভ- ঘৃণা জন্মেছিল তারই বহিঃপ্রকাশ।
মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে সাধারণ ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছে উষ্ণতা সাহস ও দেশপ্রেম। তাই রেইনকোটটা রেখে যাওয়ার জন্য মিন্টুর প্রতি সে মনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। দেশের প্রতি প্রত্যেকটা মানুষের অত্যন্ত আবেগ ও ভালোবাসা থাকে। নানান কারণে সব সময় এই ভালোবাসা দৃশ্যমান হয়না। নুরুল হুদাও সংসারের টানাপোড়নে নীরব থাকতে চেয়েছে কিন্তু ঐ সময়ে নীড় তথা মা ও মাটির প্রতি যে ভালোবাসা এটাকে তিনি লুকিয়ে রাখতে পারেন নি। রেইনকোটটি তাকে শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। ক্রমশ তিনি ভয়কে জয় করে সাহসের সাথে পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন।
অনুচ্ছেদটিতে রেইনকোট সাহস ও দেশ প্রেমের প্রতীক হয়ে উঠেছে। মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে সাধারণ ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় সাহস ও দেশপ্রেম। একজন মুক্তিযোদ্ধার রেইনকোট হিসেবে প্রর প্রতীকি তাৎপর্য অসাধারণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!