ট্রাবলশুটিং: ট্রাবলশুটিং হচ্ছে সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল
নির্ণয়ের প্রক্রিয়া। সাধারণত কিছু প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয় এবং পাশাপাশি সমাধান দেওয়া থাকে। ব্যবহারকারী তার সমস্যার প্রকৃতি অনুযায়ী সমাধান অনুসরণের মাধ্যমে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যাটি সমাধান করতে পারে। মূলত ট্রাবলশুটিং হচ্ছে এমন কিছু যা, একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে করতে হয়।
পাঁচটি ট্রাবলশুটিং এর বর্ণনা: নিচে পাঁচটি ট্রাবলশুটিংয়ের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১. সমস্যা: সিস্টেম চালু হচ্ছে না।
সমাধান কৌশল:
ক. মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি loose বা ঢিলে কিনা দেখতে হবে।
খ. মেইন বোর্ডে পাওয়ার আসছে কিনা দেখতে হবে।
গ. মেইন বোর্ডে যদি পাওয়ার না আসে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট পরিবর্তন করতে হবে।
ঘ. স্থানীয় কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দেখাতে হবে।
২. সমস্যা: উইন্ডোজ রান করার সময় আটকে বা হ্যাং/Hang হয়ে যায়।
সমাধান কৌশল:
ক. আপগ্রেড এন্টিভাইরাস চালিয়ে হার্ডডিস্কে কোনো প্রকার ভাইরাস আছে কিনা চেক করে ক্লিন করে নিতে হবে।
খ. হার্ডডিস্ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ডাটা অন্যত্র ব্যাকআপ নিয়ে হার্ডডিস্কের "C" ড্রাইভ ফরম্যাট করে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
৩. সমস্যা: কম্পিউটারের মেটাল অংশে স্পর্শ বা হাত লাগলে শক্ করে।
সমাধান কৌশল: কম্পিউটারের গায়ে তথা মেটাল অংশে স্পর্শ করলে যদি শক্ করে তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারটি আর্থিং করা নেই। সেক্ষেত্রে একদন পারদর্শী ইলেকট্রিশিয়ান দ্বারা
যথাযথভাবে আর্থিং করিয়ে নিতে হবে।
৪. সমস্যা: কম্পিউটারের তারিখ এবং সময় ঠিক থাকে না অথবা বায়োসের কোনো অপশন পরিবর্তন করলে তা সেভ হয় না।
সমাধান কৌশল: মাদারবোর্ডে সংযুক্ত CMOS এর ব্যাটারিটি কার্যক্ষমতা হারালে এটি ঘটে। এক্ষেত্রে একটি নতুন অনুরূপ ব্যাটারি মাদারবোর্ডে লাগিয়ে দিতে হবে।
৫. সমস্যা: মনিটরের কোনো পাওয়ার নাই।
সমাধান কৌশল:
ক. পাওয়ার বোতাম (বা সুইচ) চালু আছে কিনা।
খ. AC পাওয়ার কার্ড মনিটরের পেছনে এবং পাওয়ার আউটলেটে ভালোভাবে সংযুক্ত আছে কিনা নিশ্চিত হবে হবে।
Related Question
View Allকম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভান্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করে রাখে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করে।
নিচে কম্পিউটারের কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
১. লেখালেখির কাজে টাইপরাইটারের বিকল্প হিসেবে অফিস-আদালতে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
২. অফিসের যাবতীয় ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
৩. শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বিনোদনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়।
রায়না তার কম্পিউটারে অনেক বেশি সফটওয়্যার ইনস্টল করেছিল। রায়না তার কম্পিউটারটির Capacity এর অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনস্টলের এবং তা ব্যবহারে কাজ করায় এ সমস্যায় পড়েছিল। আইসিটি কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে কাজ করাতে হলে এর রক্ষণাবেক্ষণ করাটা জরুরি। কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য এবং এর গতি বাড়ানোর জন্য সফটওয়্যার ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। প্রতিটি কম্পিউটারের মেমোরিতে সফটওয়্যার কিংবা নানা কাজ জমা রাখার জন্য নির্ধারিত ও পরিমাণগত জায়গা থাকে, অথবা বিভিন্ন সময় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মেমোরিতে অনেক temporary ফাইল জমা হয়, অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ না করাবার কারণে, কম্পিউটারকে গতিশীল রাখবার জন্য রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার না করা হলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যাবে, hang করবে, আইসিটি যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করবে না এবং তা ব্যবহারকারীর জন্য বিরক্তির কারণ হবে। এখানে রায়নাও একই ধরনের সমস্যায় পড়েছিল।
সমস্যা সমাধানে রায়না কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো:
১. নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ করা বা Update করা।
২. কম্পিউটারকে গতিশীল ও সচল রাখার জন্য রেজিস্ট্রি-ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
৩. হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করে গতি বাড়ানোর জন্য সফটওয়্যারের সাহায্যে টেম্পোরারি ফাইলগুলো মুছে দেওয়া।
৪. ইন্টারনেট ব্যবহার করলে এর ক্যাশ মেমোরিতে অনেক কুকিজ ও temporary ফাইল জমা হয়। নিয়মিত সফটওয়্যারের ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করা ও ICT যন্ত্রটি গতিশীল করা।
৫. হার্ডডিস্কের কর্মক্ষমতার বাইরে সফটওয়্যার install এর চেষ্টা না করা।
৬. কাজের গতি বাড়ানোর জন্য ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার ব্যবহার করা ও Hard disk এর জায়গা খালি করা।
৭. যাতে ভাইরাস কিংবা ম্যালওয়ারের আক্রমণ কম্পিউটারের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য Anti Virus বা Anti Malware সফটওয়্যার ব্যবহার করা এবং সফটওয়্যারগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা।
রায়না কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য এবং একে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারে।
সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে। এ প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের Hardware ও ব্যবহারকারীর মাধ্যমে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে তাকেই সফটওয়্যার বলে।
কম্পিউটার চালু হওয়ার পর কম্পিউটারে থাকা CD, DVD কিংবা Pendrive টি চালু হয়ে যায় এবং তাদের উপস্থিতি প্রদর্শন করে। একেই বলে Auto run। কোনো সফটওয়্যার install করতে হলে প্রথমেই সফটওয়্যারটির ডিজিটাল কপি প্রয়োজন হবে।
এ সফট কপিটি CD, DVD, Pendrive বা ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যেতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সফটওয়্যারগুলোর সাথে Auto run নামে একটি প্রোগ্রাম সংযুক্ত অবস্থায় থাকে। CD, DVD কিংবা Pendrive প্রবেশ করালে Auto run প্রোগ্রামটি সচল হয়ে যায় এবং সফটওয়্যারটি setup করার অনুমতি চায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!