ডাক্তার সাহেব যেসব বিষয় বিবেচনা করে রহমত সাহেবের শক্তির চাহিদা নির্ণয় করলেন তা বিশ্লেষণ করো।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ডাক্তার সাহেব মৌলিক বিপাকক্রিয়া, শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যের প্রভাব, ইত্যাদি বিষয়সমূহ বিবেচনা করে রহমত সাহেবের শক্তির চাহিদা নির্ণয় করলেন। দেহের অভ্যন্তরের অত্যাবশ্যকীয় জৈবিক কাজের জন্য যেমন শক্তির প্রয়োজন, তেমনি শারীরিক বিভিন্ন কাজ কর্ম, চলাফেরা, কায়িক পরিশ্রমেও যথেষ্ট পরিমাণে শক্তির প্রয়োজন হয়। তাই শক্তির চাহদিা নির্ণয়ে মৌলিক বিপাকক্রিয়া, শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যের প্রভাব ইত্যাদি বিবেচনা করা হয়।

সম্পূর্ণ বিশ্রামরত অবস্থায় কেবল অভ্যন্তরীণ শারীরিক কার্যকলাপের জন্য যে ন্যূনতম শক্তি ব্যয় হয়, তাকে মৌলিক শক্তি ব্যয় বলে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের প্রতি কিলোগ্রাম 'ওজনের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ১ কিলোক্যালরি পরিমাণ শক্তি মৌলিক বিপাকের জন্য দরকার। রহমত আলী যেহেতু একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ তাহলে তারও প্রতি ঘণ্টায় ১ কিলোক্যালরি শক্তি মৌলিক বিপাকের জন্য দরকার। শারীরিক কার্যকলাপের উপর শক্তি ব্যয় নির্ভর করে। মৌল শক্তির চাহিদা ও দৈহিক কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদা যোগ করেই একজন ব্যক্তির শক্তির চাহিদা নির্ণয় করা হয়। সাঁতার কাটা, রিকশা চালানো গাছ কাটা ইত্যাদি ভারি কাজের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ৪৫০-৫৯০ ক্যালরি ব্যয় হয়। রিকশা চালানোর জন্য রহমত আলীর প্রতি ঘণ্টায় ৪৫০- ৫৯০ ক্যালরি ব্যয় হয়। খাদ্য থেকে আমরা শক্তি পেয়ে থাকি। আমাদের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ মত খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। তা না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। রহমত আলী পরিশ্রম অনুযায়ী পরিমত খাত্য গ্রহণ না করায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই ডাক্তার তাকে চাহিদা অনুযায়ী পরিমিত খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দেন।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, শারীরিক পরিশ্রম, মৌল বিপাক ক্রিয়া, খাদ্যের প্রভাব, দেহের চাহিদা অনুযায়ী শক্তি চাহিদায় পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

144
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শক্তির চাহিদা নির্ণয়ে মৌল বিপাক গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। মৌল বিপাক হার বলতে প্রতি ঘণ্টায় প্রতি বর্গমিটার দেহপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ শক্তি বা ক্যালরি ব্যয় হয় তাকে বোঝায়। মধ্যম বয়সের ব্যক্তিদের গড় বিপাক হার প্রায় ৪০ ক্যালরি।

634
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রেহানা বেগম বলেন, শক্তির ব্যয় শারীরিক কার্যকলাপের ওপর নির্ভর করে। আমাদের বিভিন্ন কাজে নানা ধরনের শক্তি ব্যয় হয়। সম্পূর্ণ বিশ্রামরত অবস্থায়ও সর্বনিম্ন শক্তি ব্যয় হয়।

শক্তির ব্যয়ের ভিত্তিতে কাজ তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- হালকা কাজ, মাঝারি কাজ ও ভারি কাজ। হাঁটাচলা, বই পড়া, ঘর গোছানো ইত্যাদি হালকা কাজের জন্য প্রতি ঘণ্টায় শক্তির চাহিদা গড়ে ১৫০-২৫০ ক্যালরি। সাইকেল চালানো, জোরে হাঁটা, খেলাধুলা করা ইত্যাদি মাঝারি কাজের অন্তভুক্ত কাজের জন্য গড়ে ৩০০-৪০০ ক্যালরি প্রয়োজন। এ ধরনের সাঁতার কাটা, রিকশা চালানো, গাছ কাটা ইত্যাদি ভারি কাজের জন্য প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৪৫০-৫৯০ ক্যালরি ব্যয় হয়।

প্রতি ঘণ্টায় প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য শক্তির চাহিদা-

 লেখার কাজ - ২০ ক্যালরি প্রতি ঘণ্টায়

দর্জির কাজ- ৪৫ ক্যালরি প্রতি ঘণ্টায় 

টাইপ করা- ৩০ ক্যালরি প্রতি ঘণ্টায় 

রাজমিস্ত্রির কাজ- ৩০০ ক্যালরি প্রতি ঘণ্টায় 

রিকশা চালানোর কাজ- ৩৫০ ক্যালরি প্রতি ঘণ্টায় 

পরিশেষে বলা যায়, বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ক্যালরি খরচ হয়।

210
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রেহানা বেগমের শেষের উক্তি নারী-পুরুষভেদে, বিভিন্ন বয়সে এবং বিভিন্ন শারীরিক অবস্থায় শক্তি চাহিদা বিভিন্ন হয়। শক্তি চাহিদায় বয়স, লিঙ্গ, পরিশ্রম, হরমোনের ক্ষরণ, দেহের আয়তন প্রভাব, বিস্তার করে। যার ফলে শক্তি চাহিদায় পার্থক্য দেখা যায়।

নারী ও পুরুষের মৌল বিপাক হার সমান হয় না। নারীর মৌল বিপাক হার সমবয়স্ক পুরুষের তুলনায় কম। নারী পুরুষের তুলনায় কম পরিশ্রমী এবং দেহে মেদ বেশি থাকে, অন্যথায় পুরুষের দৈহিক পরিশ্রমে পেশি চালনা তীব্রতর হয় বলে নারী অপেক্ষা পুরুষের বিপাক হার ১০%-২০% বেশি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মৌল বিপাক হার হ্রাস পেতে থাকে। বৃদ্ধদের তুলনায় যুবকের বিপাক বেশি হয়।  শিশুদের বিপাক হার ১০%-১২% বেশি থাকে। জন্মের কয়েক মাস পর থেকে এটা সর্বাপেক্ষা বেশি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। তৃতীয় বছরে হ্রাস পেয়ে যৌবনে সামান্য বৃদ্ধি পায়। ২৫ বছর থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত আবার ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। পুরুষের তুলনায় মহিলাদের বিপাক বেশি ওঠানামা করে। মাসিকের পূর্বে এই হার বাড়ে এবং মাসিকের পর কমে। গর্ভাবস্থার শেষ ভাগে মৌল বিপাক ১৫%-২৫% বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে গর্ভবতী মহিলার ওজন বৃদ্ধি পায় এবং গর্ভস্থ ভ্রূণের বিপাক হার বেশি থাকে, সে কারণে মৌল বিপাক বৃদ্ধি পায়।

তাই বলা যায়, বিভিন্ন অবস্থাভেদে শক্তি চাহিদার তারতম্য হয়।

223
উত্তরঃ

শক্তি একটি ক্ষমতা যার দ্বারা আমরা কার্য সম্পাদন করে থাকি।

1.2k
উত্তরঃ

জীবন্ত কোষে যেসব জৈবিক প্রক্রিয়া অবিরত চলতে থাকে তার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। তাই শক্তির চাহিদাকে জীবদেহের প্রধান চাহিদা বলা হয়।

জৈবিক প্রক্রিয়ার মধ্যে শ্বসন, রক্ত সঞ্চালন, রেচন প্রভৃতি জীবন ধারণের জন্য অত্যাবশ্যক। এছাড়াও দেহের কোষের প্রতিটিতে রাসায়নিক প্রক্রিয়া চলে। যেমন- জারণ, বিজারণ, এনজাইম ও হরমোন নিঃসরণ ইত্যাদি। এগুলোর জন্য শক্তির প্রয়োজন। এছাড়া প্রাণীদেহের চলাফেরা ও অন্যান্য পেশিগত কাজেও শক্তির প্রয়োজন হয়।

208
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews