ডিমের সরু মাথার উপর দিকে খুব সাবধানে একটি ছিদ্র করতে হবে। ছিদ্রটির ব্যাস আধা ইঞ্চির বেশি না হলেই ভালো এবং ছিদ্রটি সম্পূর্ণ গোল হবে। ছিদ্র দিয়ে একটি কাঠি ঢুকিয়ে ডিমের ভেতরের কুসুম ও অন্য জিনিসগুলো আস্তে আস্তে বের করে আনতে হবে। এরপর ডিমটি সুন্দর করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
Related Question
View Allমধ্যযুগ থেকে কাগজের ব্যবহার শুরু হলেও বর্তমানে তা জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে মিশে গেছে। কাগজ ছাড়া আমরা. একদিন বা একটি বেলাও চলতে পারি না। জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে বই, খাতা, খবরের কাগজ, এর প্রধান উপাদান কাগজ। বিষয়সম্পত্তির দলিলপত্র, চিঠিপত্র, ঘর সাজানো ও অনুষ্ঠানে সাজসজ্জার শিল্পকর্মে কাগজের প্রয়োজন হয়। পণ্যদ্রব্য অর্থাৎ যেসব জিনিস বাজারে বেচাকেনা হয় তার লেবেল, মোড়ক, বক্স, কার্টুন থেকে শুরু করে মুদি দোকানের ঠোঙা পর্যন্ত হাজারো প্রয়োজনে কাগজ ব্যবহৃত হয়। কাগজের ব্যবহার এত ব্যাপক যে হিসাব দেওয়া মুশকিল।
বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজ তৈরি হয়। নরম কাগজ, শক্ত কাগজ, চিকন কাগজ, মোটা কাগজ, সাদা ও রঙিন কাগজসহ কত প্রকার কাগজ তৈরি হয় তারও কোনো হিসাব নেই। কাগজ দিয়ে বর্তমানে দারুণ সব সাজসজ্জার দ্রব্য তৈরি করা হয়।
আমার স্কুলে কোনো অনুষ্ঠান হলে যেমন- বিজয় দিবস ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমি কাগজ দিয়ে নিম্নরূপে স্কুল সাজাতে পারব। সাজসজ্জার কাজে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, লাল ইত্যাদি রঙিন কাগজ ব্যবহার করব। সাজসজ্জার কাজে ঝালর লাইন করে ঝুলানো হয়। ঝালরে বাতাস লেগে যখন ঢেউ খেলে যায়, তখন খুবই সুন্দর লাগে। লম্বাটে চার কোণা ও তিন কোণা হয়ে যায়। কোন রঙের পাশে কোন রং দেখতে ভালো ও সুন্দর হবে, সেটি ঠিক করে লাগাব। নকশা কাটা ঝালরের মতো নকশা কাটা ফুল ও তৈরি করব। কাগজের তৈরি এসব নকশা এবং সুতা, কাঁচির সাহায্যে কেটে আঠার সাহায্যে এগুলোকে স্কুলের বিভিন্ন স্থানে টাঙিয়ে আমরা স্কুল সাজাতে পারি।
১. কাগজ মানবসভ্যতার ধারক ও বাহক।
২. জ্ঞানের বিকাশ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কাগজের অবদান অতুলনীয়।
৩. বর্তমান যুগে কাগজ আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।
৪. কাগজ ছাড়া একদিনও আমরা চলতে পারি না।
৫. কাগজ নানা আকারের ও রঙের হয়ে থাকে।
বর্তমান বিশ্বে কাগজ খুব বেশি ব্যবহার হয়। বই, খাতা, খবরের কাগজ, বিষয় সম্পত্তির দলিলপত্র, চিঠিপত্র, ঘর সাজানো ও অনুষ্ঠানে সাজসজ্জার শিল্পকর্ম, পণ্যদ্রব্য অর্থাৎ যেসব জিনিস বাজারে বেচাকেনা হয় তার লেবেল, মোড়ক, বক্স, কার্টুন থেকে শুরু করে মুদি দোকানের ঠোঙা পর্যন্ত হাজারো প্রয়োজনে কাগজ ব্যবহার হয়।
যেসব জিনিস সাধারণত কোনো কাজে লাগে না ফেলে দেওয়া হয়, তাকে ফেলনা জিনিস বলে। যেমন: ডিমের খোসা, মালা, ছোট-বড় নুড়ি পাথর, গাছের ছোটখাটো ডাল, গাছের পাতা, কাঠের টুকরা, ছেঁড়া বোর্ড, কাগজ, নারিকেলের পাতা, খেজুর পাতা ইত্যাদি।
ঝালর তৈরির জন্য ২৫ সে.মি. লম্বা ও ১৯.০৫ সে.মি. চওড়া একয়ণ্ড পাতলা কাগজ লাগে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!