তকি তার নৈপুণ্যতা, দক্ষতা, নিয়মানুবর্তিতার জন্য দলের অধিনায়ক। তার সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব, প্রখর চিন্তা ও কল্পনা শক্তির জন্য সে সবার কাছে বেশ প্রশংসনীয়। সৃজনশীল খেলা তার খুব প্রিয়। অবসর সময়ে সে প্রায়ই কাগজ কেটে বিভিন্ন রকম ফুল, পাখি, নকশা তৈরি করে, ডাকটিকিট সংগ্রহ করে ও বই পড়ে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

শিশুর খেলার সরঞ্জাম নিরাপদ ও আকর্ষণীয় হওয়া উচিত।

উত্তরঃ

বুদ্ধি হচ্ছে এমন একটি মানসিক ক্ষমতা যার মাধ্যমে আমরা সহজেই পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে পারি। খেলা বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়।

উত্তরঃ

অবসর সময় কাটানোর উপায়টি তকির মধ্যে বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়।

তকি অবসর সময়ে কাগজ কেটে বিভিন্ন রকম ফুল, পাখি, নকশা তৈরি করে, ডাকটিকিট সংগ্রহ করে ও বই পড়ে। খেলার মাধ্যমে শিশু চিন্তা ও কল্পনা শক্তি প্রয়োগ করে বুদ্ধির প্রকাশ ঘটাতে পারে।

বুদ্ধিমত্তা বিকাশে সৃজনশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খেলার মাধ্যমে সহজেই সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটানো যায়। তকির সৃজনশীল খেলা খুব প্রিয়। কাগজ কেটে বিভিন্ন রকম ফুল, পাখি, নকশা তৈরির মাধ্যমে তার মধ্যে সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটে। আবার ডাকটিকিট সংগ্রহের মাধ্যমে সে দেশ-বিদেশ সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবে। সে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জয়ী হতে পারবে। এছাড়া বই পড়ার মাধ্যমে তকির জ্ঞানভাণ্ডার, কল্পনা ও চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি পাবে। সে নানা বিষয়ে জ্ঞানার্জন করতে পারবে।

উত্তরঃ

শিশু খেলার মাধ্যমে অন্যের সাথে মেশা, কথা বলা, দল গঠন করা, নতুন কিছু আবিষ্কার করা, ভূমিকা পালন ইত্যাদি বিষয় আয়ত্ব করে।

তকি তার নৈপুন্যতা, দক্ষতা, নিয়মানুবর্তিতার জন্য দলের অধিনায়ক। সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব, প্রখর চিন্তা ও কল্পনা শক্তির জন্য সবার কাছে সে বেশ প্রশংসনীয়। এসকল আচরণ তকি খেলার মাধ্যমেই অর্জন করেছে। খেলার মধ্য দিয়েই সে নিয়মানুবর্তিতা, সহযোগিতা, কল্পনা করার ক্ষমতা, চিন্তা ও সৃজনশীলতা আয়ত্ব করতে পেরেছে। এর ফলে তকি নতুন নতুন খেলা আবিষ্কার করতে পারছে এবং খেলায় নেতৃত্বও দিচ্ছে। সে চিন্তার সহজ ব্যবহারের পাশাপাশি তার স্মৃতিকে ব্যবহার করে নতুন জিনিস উদ্ভাবন করতে পারে। তাই বলা যায়, তকির আচরণে খেলাধুলার প্রভাব রয়েছে।

50

শিশুর খেলা

শিশুরা খেলে, কারণ খেলা তাদের আনন্দ দেয়। খেলা শুধু আনন্দই দেয় না, খেলার মাধ্যমে শিশুর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক দক্ষতার বিকাশ ঘটে। লাধুলা বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়, সহনশীলতা ও সহমর্মিতা শেখায় এবং ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব তৈরিতে সাহায্য করে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে শিশু-সঙ্গী সাথিদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। শিশুরা নিজেকে অন্যের কাছে প্রকাশ করতে পারে, অন্যকে বুঝতে শেখে, অন্যের অনুভূতিকে মূল্য দিতে শেখে। খেলাধুলা তাদের মধ্যে ন্যায় ও অন্যায় বোধ জাগ্রত করে। খেলার মধ্য দিয়ে শিশুরা কল্পনা ও নতুন কিছু সৃষ্টির চর্চা করে।
শৈশবের প্রথম বছরগুলোতে যখন শিশুর মস্তিষ্ক পড়াশোনার জন্য প্রস্তুত থাকে না, তখন খেলার মধ্য দিয়ে শিশুরা অনেক কিছু শিখতে পারে। যেমন- শব্দ, অক্ষর, সংখ্যা মুখস্থ করার চেয়ে খেলার মাধ্যমে শিশুকে শেখানো সহজ হয়। আধুনিক গবেষণায় প্রমাণিত যে, খেলা শিশুর সার্বিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকেরা দেখেছেন যে, খেলাধুলা শিশুর শারীরিক ও সামাজিক দক্ষতা অর্জনের সহজ মাধ্যম যা তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে খাপ খাওয়াতে সহায়তা করে। খেলা শিশুদের অভিজ্ঞতা বাড়ায়, আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা শিশুর বিনোদনের মাধ্যম। খেলাধুলা শিশুকে অপরাধ প্রবণতা থেকে রক্ষা করে। যেসব শিশুর কোনো ধরনের প্রতিবন্ধিতা আছে খেলাধুলা তাদের জন্য উদ্দীপনা হিসেবে কাজ করে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। এদের নামও ভিন্ন।

মুদ্রায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, স্থান ও প্রতীকের ছাপ থাকে। যেমন- বাংলাদেশের মুদ্রার উপর শাপলা, যমুনা সেতু, পরিবার ইত্যাদির ছবি আছে। এসব ছবি থেকে বাংলাদেশের কৃষ্টি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। তাই মুদ্রা সংগ্রহ বিনোদনের পাশাপাশি জ্ঞান বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

80
উত্তরঃ

ফারাজের অবসর সময় কাটানোর উপায়টি বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়।

সে অবসর সময়ে কাগজ কেটে বিভিন্ন রকম ফুল, পাখি ও নকশা তৈরি করে, যা তার সৃজনশীল গুণাবলিকে বিকশিত করে। এর মাধ্যমে ফারাজ

নিজের উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রকাশ বা নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারবে। এছাড়া ডাকটিকিট সংগ্রহের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের নাম, প্রতীক, ঐতিহ্য সম্পর্কে সে জানতে পারবে। আবার ছড়া, রম্য রচনা, মুক্তিযুদ্ধের বই, কার্টুন, রহস্যমূলক বই, গল্প, বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের জীবনী পড়ে ফারাজের জ্ঞান ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে এবং কল্পনা ও চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটবে। এভাবেই অবসর সময় কাটানোর উপায়গুলো ফারাজের বুদ্ধি ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাবে।

74
উত্তরঃ

খেলাধুলা আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দলগত খেলার মাধ্যমে আমরা সামাজিক গুণাগুণ অর্জন করি।

খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা যখন অন্যের সাথে মেলামেশা করি, কথা বলি, দল গঠন করি তখন আমাদের মধ্যে সামাজিক বিকাশ ঘটে। এছাড়া খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের দলীয় নিয়মকানুন মেনে চলা, সচেতনতা ও একে অপরকে সহযোগিতা করার প্রবণতা গড়ে ওঠে। যেমন- ফুটবল, হা-ডু-ডু, ক্রিকেট, কানামাছি ইত্যাদি দলগত খেলা সামাজিক বিকাশ ঘটায়।

ফারাজ ফুটবল টিমের নির্ভরযোগ্য একজন গোলকিপার। যেহেতু ফুটবল খেলা সামাজিক বিকাশ ঘটায় সেহেতু আমরা বলতে পারি, ফারাজকে অনুসরণ করার মাধ্যমে সামাজিক গুণাবলি অর্জন সহজেই সম্ভব। এছাড়া ফারাজ প্রতিবেশির বিপদে আপদে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে, যার মাধ্যমেও সামাজিক গুণ অর্জন সম্ভব।

70
উত্তরঃ

শিশু জন্মের প্রথম বছরে একা একা নিজের হাত-পা নিয়ে খেলে।

দেড় থেকে তিন বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত একে অন্যের সাথে না খেলে পাশাপাশি বসে একই খেলনা দিয়ে খেলে। তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুরা পরস্পরের মধ্যে খেলার সামগ্রী বিনিময় করে খেলে। পাঁচ-ছয় বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে দল গঠন করে খেলার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এভাবেই বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে খেলার প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়।

100
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews