ASEAN-এর পূর্ণরূপ হলো: Association of South-East Asian Nations.
পৃথিবীর শিল্পোন্নত শীর্ষ সাতটি দেশের সমন্বয়ে যে সংগঠন গড়ে উঠেছে তা জি-৭ নামে পরিচিত। সাত সদস্যের এ সংস্থায় আছে-যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, কানাডা ও ইতালি। এ সংস্থা শুধু নিজেদের সহযোগিতা করে না বরং অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা ও সহযোগিতা করে।
তথ্য-খ' দ্বারা যে সংস্থাটি চিহ্নিত করা যায় তা হলো ASEAN (আসিয়ান)। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশ নিয়ে ১৯৬৭ সালে ৮ই আগস্ট গঠিত হয় আসিয়ান। সংস্থাটির পুরো নাম Association of South-East Asian Nations (ASEAN)। বাংলায় বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা। আসিয়ান কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে থাকে। যেমন- সম্মিলিত উদ্যোগে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা। উক্ত অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। সদস্য। রাষ্ট্রগুলোর সামাজিক সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে সৌহার্দ ও সহযোগিতাগুলো সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করা। পেশাগত ও কারিগরি ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ব্যবস্থা করা। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কৃষি ও শিল্পক্ষেত্রে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করা ইত্যাদি। উদ্দীপকের 'তথ্য-খ' এ যে তথ্যগুলো উল্লেখ রয়েছে তা দ্বারা স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে যে, সংম্বাটি হলো এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সংস্থা-আসিয়ান। কারণ এর সদস্যসংখ্যা ১০টি। সদর দপ্তর জাকার্তায় এবং ১৯৬৭ সালে এ সংস্থাটি গঠিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, উপরিল্লিখিত কাজগুলো সম্পাদনের মাধ্যমে আসিয়ান তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
তথ্য-ক দ্বারা যে সংস্থাটিকে নির্দেশ করা হয়েছে তা হলো
SAARC (সার্ক)।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠিত হয়েছে সার্ক।
সার্কের পুরো নাম দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সার্ক গঠিত হয়।
বাংলাদেশ ছাড়া সার্কের অন্যান্য সদস্য দেশগুলো হলো- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। এছাড়া বর্তমানে মিয়ানমার পর্যবেক্ষক হিসেবে এ সংস্থার সাথে যুক্ত হয়েছে।
সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা হলেও এর কর্মক্ষেত্র সমাজ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। সার্কের সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। উদ্দীপকে তথ্য-ক তে উল্লেখ রয়েছে সদস্য সংখ্যা ৮টি, ১টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র রয়েছে এবং একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। এর দ্বারা স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, সংস্থাটি হলো সার্ক।
উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলতে পারি, দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে সার্ক অনন্য ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হচ্ছে।
Related Question
View Allআসিয়ানের পূর্ণরূপ- Association of South-East Asian Nations.
পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি সম্পন্ন হয় তাকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি বলা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বেড়েই চলেছে। কারণ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি।
নেপালে গিয়ে রাহাতের গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠন করেছে সার্ক (SAARC)। এ দেশসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। সার্ক সদস্য দেশগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে।
উদ্দীপকের রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালের শিল্পকলা একাডেমিতে গান পরিবেশন করে, যা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত। আর দুই দেশের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালে গান পরিবেশন করেন। এটি যুক্তিযৌক্তিক।
উক্ত কাজটি তথা সাংস্কৃতিক কাজটি ছাড়াও সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে কাজ করে উক্তিটি যথার্থ। সার্ক সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য। কল্যাণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা। উক্ত অঞ্চলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও সমস্যা দূর করে পারস্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে রাহাতের নেপালে গিয়ে গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অংশ। সংস্কৃতি ছাড়াও সংস্থাটির কর্মকান্ড সমাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। অর্থাৎ সার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্ভাব বজায় রাখার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
বর্তমানে আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ, জাতিসংঘ ইত্যাদি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
