তনুজা ম্যাডাম বললেন, খুঁটিনাটি সকল জিনিস কেউ না কেউ সৃষ্টি করেছেন। তাহলে এ মহাবিশ্ব আলো, বাতাস, চন্দ্র, সূর্য এগুলোরও একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন। আর তিনি হচ্ছেন ঈশ্বর। ঈশ্বরকে আমরা দেখতে পাই না। জীবসেবার মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরের সেবা করতে পারি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

এ পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরকে বলা হয় পরমাত্মা। কারণ তিনি সকল সৃষ্টিতে অস্তিত্বময়। ঈশ্বর যখন তার সৃষ্ট জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন তখন তাকে উদ্দীপকে জীবাত্মা বলে। এই জীবাত্মা পরমাত্মারই অংশ। এ সৃষ্টির যিনি স্রষ্টা তিনিই ঈশ্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তনুজা ম্যাডামের বক্তব্যে জীবসেবার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। আমরা জানি, ঈশ্বর এ মহাবিশ্বের সবকিছু যেমন- চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, আকাশ, বাতাস, গাছপালা, পশুপাখি এবং সকল - প্রকার জীব সৃষ্টি করেছেন। আবার ঈশ্বর জীবের মধ্যে নিজেই - আত্মারূপে অবস্থান করছেন। তাই ঈশ্বর ছাড়া জীবদেহের অস্তিত্ব -- কখনও কল্পনা করা যায় না। অর্থাৎ এক ঈশ্বর বহুরূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন। সুতরাং জীব মানেই হচ্ছে ঈশ্বর। আমরা ঈশ্বরকে দেখতে পাই না, কারণ তিনি নিরাকার। কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করা যায় জীবসেবার মাধ্যমে। তাই স্রষ্টার সৃষ্টি হিসেবে পরিবেশকে রক্ষার জন্য বসবাসকারী পশুপাখি, বৃক্ষলতা ও সকল জীবের পরিচর্যা ও রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।

সুতরাং আমরা ঈশ্বরের সকল জীবকে ভালোবাসব এবং জীবসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

আমাদের এ পৃথিবীর যত জীব আছে সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। ঈশ্বর তার সৃষ্টির মধ্যে সর্বদা আত্মারূপে অবস্থান করছেন। সেজন্য ঈশ্বরের সৃষ্ট জীবের সেবা করলে বা তার পরিচর্যা করলে ঈশ্বরেরই সেবা করা হয়। তাছাড়া জীব ও জগতে কল্যাণে নিজেকে নিবেদন করা হচ্ছে হিন্দুধর্মের একটি প্রধান দিক। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন,
বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর জীবে প্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।

তাই আমরা সবসময় জীবের হৃদয়ে আত্মারূপে ঈশ্বর বিরাজমান এ অনুভূতিতে সকল জীবের সেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করে যাব

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
88

কোনো কিছু সৃষ্টির জন্য একজন স্রষ্টার প্রয়োজন হয়। স্রষ্টা ছাড়া কোনো কিছুর সৃষ্টি হয় না। এ মহাবিশ্ব ও মহাবিশ্বের সবকিছু অর্থাৎ মানুষ, গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, আকাশ-বাতাস প্রভৃতি এক-একটি সৃষ্টি। এ সকল সৃষ্টির একজন স্রষ্টা রয়েছেন। আমরা তাঁকে দেখতে পাই না কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করি। আমরা তাঁকে ঈশ্বর নামে ডাকি। তাঁর অনেক নাম- ব্রহ্ম, পরমেশ্বর, পরমাত্মা, ভগবান, আত্মা ইত্যাদি। তিনি প্রতিটি জীবের মধ্যে আত্মারূপে বিরাজ করেন। তাই আমরা জীবের সেবা করব। জীবসেবাই আমাদের পরম ধর্ম। জীবসেবার মাধ্যমেই আমরা ঈশ্বরের অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে পারি। এ অধ্যায়ে স্রষ্টা ও সৃষ্টির ধারণা, স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক, সকল জীবের মধ্যে স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং ঈশ্বর সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত মন্ত্র বা শ্লোক বাংলা অর্থসহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • স্রষ্টা ও সৃষ্টির ধারণা এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
  • সকল জীবের মধ্যে স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব
  • ঈশ্বর সম্পর্কিত একটি সহজ সংস্কৃত মন্ত্র বা শ্লোক সহজ অর্থসহ বলতে পারব এবং ব্যাখ্যা করতে পারব
  • সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে জীবসেবায় উদ্বুদ্ধ হতে পারবো।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবাত্মা হচ্ছে পরমাত্মার অংশ। সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর হচ্ছেন পরমাত্মা। এ ঈশ্বর যখন জীবের হৃদয়ে আত্মারূপে অবস্থান করেন তখন তাকে বলে জীবাত্মা। অতিক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে 'সকল জীবের মধ্যে তিনি জীবাত্মারূপে অবস্থান করেন। দেহকে কেন্দ্র করে আত্মার আগমন ঘটে। দেহ ছাড়া আত্মা কখনও প্রকাশিত হয় না। তেমনি আত্মা ছাড়াও জীব হিসেবে পূর্ণতা পায় না। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যতার মাঝে ঈশ্বরেরই রূপবৈচিত্র্য প্রতিফলিত হয়। জীবের মাঝে ঈশ্বর তথা পরমাত্মা অবস্থান করে। তাই জীবাত্মাকে পরমাত্মার অংশ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
400
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, সজীব তার জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে এক গভীর অন্ধবিশ্বাসের পথকে বেছে নিয়েছে। সে বিশ্বাস হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের বিশ্বাস। সজীব সবকিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর সবকিছু পরিচালনা করছেন মনে করে। অন্যদিকে তুষারের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিক। সে যা সৃষ্টি করতে পারে তাই বিশ্বাস করে। তার ভিতর অন্যবিশ্বাস নেই। সে ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে পারে না। তাই সজীব ও তুষারের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে গভীর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
344
উত্তরঃ

সজীব বইপুস্তক ও বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পড়ে জানতে পেরেছে যে, এ বিশাল পৃথিবী ও পৃথিবীর সবকিছু ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাছাড়া সজীব যখন এ পৃথিবীর মানুষ, গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, আকাশ, বাতাস সবকিছু একটি নির্দিষ্ট নিয়মে চলতে দেখে এবং ঋতু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও দেখে শীতের পর বসন্ত আসে, মানুষের ক্ষেত্রেও দেখে কেউ কালো, কেউ ফর্সা, কেউ বেঁটে এবং কেউ লম্বা। তখন তার মনে এক গভীর বিশ্বাসবোধের জন্ম হয়। এ গভীর বিশ্বাসবোধ থেকেই সে সবসময় মনে করে এ সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন যিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে এগুলো সৃষ্টি করেছেন। তিনিই হচ্ছেন ঈশ্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
135
উত্তরঃ

আমাদের এ বিশাল পৃথিবী ও সকল জীবের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন ঈশ্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
178
উত্তরঃ

সংস্কৃত মন্ত্র:

নমস্তে পরমং ব্রহ্ম

সর্বশক্তিমতে নমঃ।

নিরাকারোহপি সাকার:

স্বেচ্ছারূপং নমো নমঃ। (যজুর্বেদ, শান্তি পাঠ)

সরল অর্থ: যিনি পরম ব্রহ্ম, যিনি সর্বশক্তিমান, নিরাকার সাকার, ইচ্ছামতো রূপধারী, তাঁকে নমষ্কার করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
146
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews