উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ তরুণ সমাজের ভূমিকা ফুটে ওঠায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
তারুণ্য স্বপ্ন দেখে নতুন জীবনের নব নব অগ্রগতি সাধনের। সেসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে, নিত্য-নতুন করণীয় সম্পাদনের জন্য নব নব শপথে বলীয়ান হয়ে তারা এগিয়ে যায় দৃঢ় পদক্ষেপে। দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে জীবন বাজি রেখে লড়াই করতে এরা সদা প্রস্তুত। কবি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যের এ মহতী কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে তাদের জয়গান গেয়েছেন।
উদ্দীপকের রফিক ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদেরকে নিয়ে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতিস্বরূপ ট্রেনিং নিতে ভারতে যাত্রা করে। দেশমাতৃকার দুর্দিনে রফিক ও তার দলের যুদ্ধযাত্রা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার তারুণ্যের স্বাচ্ছন্দ্য বহিঃপ্রকাশের সমান্তরাল। কবিতার তরুণ সমাজ সর্বদা দেশ ও জাতির জন্য প্রাণপণে লড়াই করতে সদাপ্রস্তুত।
উদ্দীপক ও কবিতায় তারুণ্যের সত্যিকার প্রতিফলন ঘটেছে। দেশ ও জাতির যেকোনো বিপদে-সংগ্রামে তারা অগ্রসৈনিক। দেশমাতৃকার মান রক্ষার্থে প্রাণপণে লড়াই করার ঝুঁকি তারা হাসতে হাসতে নিতে পারে। দেশমাতৃকার মুক্তিই তাদের সবচেয়ে বড়ো আরাধ্য। তাই বলা যায় যে, 'তরুণ মানেই দেশমাতৃকার দুঃসময়ের শক্তি'- উক্তিটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!