তরুণ লেখক সালমান ফারসি একটি দেশের যুদ্ধ পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে গিয়ে তার এক প্রবন্ধে উল্লেখ করেন। দেশটির যুদ্ধকে সর্বদলীয় রূপ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন দলের প্রধানদের নিয়ে সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় এবং উপদেষ্টা কমিটির সভায়। অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে পূর্ণ স্বাধীনতা ছাড়া অন্যকোনো প্রকার রাজনৈতিক সমাধান গ্রহণযোগ্য হবে না

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ১০০০ মুক্তিযোদ্ধাকে গেরিলা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

উত্তরঃ

রাজাকার বাহিনী এদেশের স্বাধীনতা বিরোধী কিছু পথভ্রষ্ট মানুষদেরকে নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
১৯৭১ সালের জুন মাসে 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করে লে. জেনারেল টিক্কা খান। তিনি আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে এ বাহিনী গড়ে তোলেন। এ বাহিনীর সদস্যরা মূলত পাকিস্তানের দোসর হিসেবে কাজ করতো।

উত্তরঃ

সালমান ফারসির প্রবন্ধে মূলত মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির তথ্য ফুটে উঠেছে।
১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সর্বদলীয় চরিত্র দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) উদ্যোগে ৯ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী (ন্যাপ-ভাসানী), মণি সিং (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি), মনোরঞ্জন ধর (বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস), অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ (ন্যাপ মুজাফফর) এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ থেকে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদসহ আরও ৩ জন প্রতিনিধি মোহাম্মদ তোয়াহা (পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি) এবং মতিন-আলাউদ্দিন (পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি) নিয়ে সর্বমোট ৯ জন সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন এ উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক। এ উপদেষ্টা কমিটির সভায় এ মর্মে অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, বাংলাদেশের পূর্ণ স্বাধীনতা ছাড়া অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক সমাধান গ্রহণযোগ্য হবে না।

উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সালমান ফারসির উল্লিখিত প্রবন্ধে যে সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির তথ্য ফুটে উঠেছে তার সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

উত্তরঃ

এ ধরনের একটি দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশেই মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলাযুদ্ধ সম্মুখযুদ্ধে রূপান্তরিত হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধগুলো ছিল পরিকল্পনাহীন এবং অস্ত্র প্রাপ্তি ও প্রশিক্ষণ এ দু'কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াই পরিকল্পিত রূপ পেতে জুন মাস পার হয়ে যায়। আগস্টের পরপরই বিপুলসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা পদ্ধতিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ও তাদের দোসরদের ওপর হামলা চালাতে থাকে। পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি থেকে শুরু করে সামরিক স্থাপনা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট ইত্যাদি মুক্তিযোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় এবং গেরিলা হামলায় পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলে স্বল্পদিনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গেরিলা যোদ্ধারা।
নভেম্বর থেকে স্থলযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিপর্যয় শুরু হয়। ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই মুক্তিবাহিনী অনেক এলাকা শত্রুমুক্ত করে। লে. জেনারেল নিয়াজির জনসংযোগ অফিসার মেজর সিদ্দিক সালিক পাকিস্তানি বাহিনীর ব্যাপক মৃত্যু সম্পর্কে বলেন, 'প্রথমদিকে লাশ আমরা আকাশপথে পশ্চিম পাকিস্তানে পাঠিয়েছি। কিন্তু জুলাই-আগস্ট মাসে সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির ভয়ে মৃতদের পশ্চিম পাকিস্তান পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হয়।'

সালমান ফারসির লেখনীতে যেরূপ দেশের কথা বর্ণিত হয়েছে তার সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটের মিল পাওয়া যায়। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলাযুদ্ধ পর্যায়ক্রমে সম্মুখ যুদ্ধে। রূপান্তরিত হয়েছিল। 

182

Activities of Bangladesh Govt. (Mujibnagar) in the War of Liberation

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা তথা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গৌরবময়। পাকিস্তানি শাসকচক্রের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার লক্ষ্যেই ১০ এপ্রিল ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় (১৭ এপ্রিল শপথ বাক্য পাঠ)। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস এই সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই পরিচিতি ছিল। স্বাভাবিক অবস্থায় একটি সরকারের যে সকল প্রশাসনিক কাঠামো থাকে এবং যে সকল দায়িত্ব পালন করতে হয় মুজিবনগর সরকার সেরকম একটি গতিশীল প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিল। প্রচণ্ড প্রতিকূলতার মাঝে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান, এক কোটির ওপর শরণার্থীর জন্য ত্রাণব্যবস্থা করা, দেশের অভ্যন্তর থেকে আগত লক্ষ লক্ষ মুক্তিপাগল ছাত্র-জনতা-যুবকদের যুবশিবিরে পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে গেরিলাবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানিদের মধ্যে ত্রাসের সৃষ্টি করা; স্বাধীন বাংলা বেতারের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ রাখা এবং সাথে সাথে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করা- এসব ছিল মুজিবনগর সরকারের অবিস্মরণীয় কীর্তি যা সমকালীন ইতিহাসের বিচারে অতুলনীয়।

পূর্ব বাংলার স্বায়ত্বশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন-জে. এম. বেলাল হোসেন সরকার স্যার এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

নিয়মিত বাহিনী গঠিত হওয়ার পর নিয়মিত বাহিনীর অংশ হিসেবে স্থল বা সেনাবাহিনী গঠিত হয়।
১৯৭১ সালের ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার জলঢাকায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ অনষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৬১ তরুণ মুক্তিযোদ্ধাকে দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট পদে কমিশন দেয়। এভাবে শুরু হয় বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর যাত্রা। এসব অফিসার পরবর্তীকালে বিভিন্ন সেক্টরে যোগ দেওয়ায় মুক্তিযুদ্ধে গতি সঞ্চার হয়।

452
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্তিরা মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অনিয়মিত বাহিনী হিসেবে পরিচিত ছিল।
অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয় যুবক, ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে। এ বাহিনীর সরকারি নামকরণ ছিল গণবাহিনী বা এফএফ (ফ্রিডম ফাইটার বা মুক্তিযোদ্ধা)। এ বাহিনীর সদস্যদের দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণের পর একজন কমান্ডারের অধীনে তাদের নিজ নিজ এলাকায় গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য প্রেরণ করা হতো। এ বাহিনীর জন্য কোনো সামরিক আইন কার্যকর ছিল না। গেরিলা বাহিনীর সদস্যদের কোনো বেতনভাতা দেওয়া হতো না। অনিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার। এছাড়া উল্লিখিত বাহিনীর বাইরে আরও কয়েকটি অনিয়মিত বাহিনী ছিল। মূলত স্থানীয় ভিত্তিতে ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে এসব গেরিলা বাহিনী গঠিত ছিল। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে শেখ ফজলুল হক মণির নিয়ন্ত্রণাধীনে গঠিত হয়, মুজিব বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যদের সকলে ছাত্রলীগের সদস্য। তন্মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, সিরাজুল আলম খান, আ.স.ম. আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন। মুজিব বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল ৬,০০০। এছাড়া ন্যাপ (মোজাফফর), কমিউনিস্ট পার্টির নিজস্ব দলীয় বাহিনী ছিল।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বাহিনী অর্থাৎ নিয়মিত বাহিনীর কার্যক্রম ছিল মূলত পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করা।

306
উত্তরঃ

এ ধরনের সাধারণ লোকজন ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয় ছিল অসম্ভব- উক্তিটি যথার্থ।
১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকালীন সেই বিভীষিকাময় সময়ে বজঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে সাধারণ মানুষ দেশের স্বাধীনতা অর্জনে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। বাংলাদেশের যুবক, ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক এবং সকল পর্যায়ের মানুষের সার্বিক অংশগ্রহণে গঠিত হয়েছিল অনিয়মিত বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যদের দুই সপ্তাহ প্রশিক্ষণের পর একজন কমান্ডারের অধীনে নিজ এলাকায় গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য প্রেরণ করা হতো। মূলত স্থানীয় ভিত্তিতে ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এসব গেরিলা বাহিনী গঠিত ছিল বলে গেরিলা বাহিনী কখনো তাদের নীতি থেকে চ্যুত হয়নি। এছাড়া আঞ্চলিক পর্যায়ে অর্থাৎ সেক্টর এলাকার বাইরে কিছু বাহিনী গড়ে উঠেছিল। এ সকল বাহিনীর বেতনভাতা না থাকলেও তারা তাদের দায়িত্বে কখনো অবহেলা করেনি।
গেরিলা বাহিনীর কর্মকাণ্ড ছিল ছেচ্ছাসেবা ও তারা ছিল স্বল্প প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
দেশের অভ্যন্তরে জনগণের মনোবল অটুট রাখা, পাকিস্তানি ও তাদের দোসরদের অতর্কিত আক্রমণে পরাস্ত করা ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু যেমন-যোগাযোগ ও বিদ্যুৎব্যবস্থা ধ্বংস করা, যুদ্ধের জন্য লোকবল সংগ্রহ ও তাদের ট্রেনিং প্রদান ছিল এসব বাহিনীর প্রধান কাজ। কাগজে-কলমে গেরিলারা সেক্টর কমান্ডার দ্বারা পরিচালিত হলেও বাস্তবে এরা এলাকাভিত্তিক নিয়ন্ত্রিত হতো। বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক বাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গেরিলা ছিল লক্ষাধিক। এছাড়া এর কয়েকগুণ ছিল স্বেচ্ছাসেবক।
পরিশেষে বলা যায়, অনিয়মিত বা সাধারণ লোকজন ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয় অসম্ভব ছিল।

236
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ৬নং সেক্টরের বিস্তৃতি ছিল রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও পর্যন্ত।

363
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের আঞ্চলিক সুবিধা চিন্তা করে যে প্রশাসনিক পরিষদ গঠন করা হয়, তা জোনাল কাউন্সিল নামে পরিচিত।
বেসামরিক প্রশাসনকে অধিক গণতান্ত্রিক করার জন্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সুবিধা চিন্তা করে সমগ্র বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালে প্রথমে ৯টি ও পরে ১১টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়। সেপ্টেম্বর নাগাদ অঞ্চলগুলোর বিন্যাস হয়েছিল আঞ্চলিক প্রশাসনিক পরিষদ গঠনের মাধ্যমে। সংশ্লিষ্ট এলাকার জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের প্রশাসনিক পরিষদের সদস্য করে তাদের ভোটে নির্বাচিত একজন করে চেয়ারম্যানকে পরিষদের প্রধান করা হয়। চেয়ারম্যানের অধীনে একজন করে সচিব নিযুক্ত করা হয়। একই সাথে প্রতিটি জোনে সরকার হতে ৭ জন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়, যা জোনাল কাউন্সিল নামে পরিচিত।

326
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews