তাহমিনা ও তামিম দুই ভাই-বোন। রমজান মাসে তারা দুজনেই রোজা রাখে। তাহমিনা রোজা রাখার ক্ষেত্রে খুব সচেতন থাকে। রোজার সব নিয়ম-কানুন সে মেনে চলে। তবে তামিম মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে খাবার খায়। তার ধারণা কেউ যেহেতু দেখছে না সেহেতু কোনো সমস্যা নেই। এই যুক্তিতে সে আরও অনেক অন্যায়ই মাঝে মাঝে করে থাকে। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

'জাকাত' শব্দটি পবিত্র কুরআনে পবিত্র করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হজের জন্য সারা বিশ্বের মুসলমান একত্রিত হয় বলে একে আন্তর্জাতিক ইবাদত বলা হয়। হজ বিশ্ব মুসলিমের একীভূত হওয়ার এবং একই চিন্তা ও পথে পরিচালিত হওয়া এক মহান প্লাটফরম। পৃথিবীর সব অঞ্চলের, সব জাতি ও বর্ণের মুসলিম হজ উপলক্ষে মক্কায় সমবেত হয়। বিশ্ব মুসলিমের বার্ষিক মহাসম্মেলনের উপলক্ষ হওয়ায় হজ ইবাদত হিসেবে আন্তর্জাতিক গুরুত্বের দাবিদার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সাওম পালনের মাধ্যমে তাহমিনা উত্তম প্রতিদান বা পুরস্কারে ভূষিত হবে। সাওম ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত, যা ধনী-দরিদ্র সবার ওপরই ফরজ করা হয়েছে। এটি একটি বরকতময় ইবাদত। এই ইবাদতের মাধ্যমে ব্যাপক সওয়াব অর্জন করা যায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে গুনাহ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। ফলে আখিরাতে উত্তম প্রতিদান লাভ করা সম্ভব হয়।

মহানবি (স) বলেন, 'আর রমজান হলো ধৈর্যের মাস এবং ধৈর্যের বিনিময় হচ্ছে জান্নাত (মিশকাত)।' এই হাদিসের আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকের তাহমিনা সঠিক নিয়মে সাওম পালনের জন্য পরকালে সর্বোত্তম প্রতিদান জান্নাত লাভ করবে। প্রকৃতপক্ষে রমজান হলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এর প্রথম দশদিন সাওম পালনকারীদের ওপর আল্লাহর বিশেষ রহমত অবিরত ধারায় বর্ষিত হতে থাকে। দ্বিতীয় দশদিন আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করেন। আর তৃতীয় দশদিন আল্লাহ জাহান্নামিদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ব্যক্তিদের শাস্তি মওকুফ করে দেন। সুতরাং দেখা যায়, সাওমের ধর্মীয় তাৎপর্য অপরিসীম। আর এর চূড়ান্ত পুরস্কার হলো আকাঙ্ক্ষিত জান্নাত লাভ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের তাহমিনাও সাওম পালনের মাধ্যমে আল্লাহর কাছ থেকে সর্বোচ্চ পুরস্কারে ভূষিত হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

তামিমের জীবনাচরণে তাসাউফ চর্চার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তাসাউফের চর্চা ও অনুসরণ মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। ফলে মানুষ ভালো-মন্দের তফাৎ করতে পারে এবং সৎ জীবনযাপনে ব্রতী হয়। এ কারণে যাদের আত্মা কলুষিত এবং যারা অন্যায় থেকে বিরত থাকতে পারে না তাদের জন্য তাসাউফের চর্চা, সাধনা ও অনুশীলন অপরিহার্য। 

উদ্দীপকের তামিম যেসব অন্যায় অন্য মানুষ জানতে পারে না সেসব অন্যায় প্রায়ই সে করে থাকে। যেমন সে রোজা রাখে, কিন্তু মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে খাবার খায়। তার ধারণা কেউ যেহেতু দেখছে না সেহেতু কোনো সমস্যা নেই। এমতাবস্থায় তামিমের জন্য তাসাউফ চর্চা করা আবশ্যক। কারণ তাসাউফ দৃশ্য-অদৃশ্য পাপাচার থেকে বেঁচে থাকতে মানুষকে সাহায্য করে। আল্লাহ বলেন, 'তোমরা প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্য পাপ থেকে দূরে থাক' (সুরা আনআম: ১২০)। আর এ কথা স্বতঃসিদ্ধ যে, আত্মাকে শুদ্ধ করা ছাড়া বা মনের মধ্যে তাকওয়া সৃষ্টি ছাড়া কোনোভাবেই অদৃশ্য পাপ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়। তাসাউফের উদ্দেশ্য হলো অদৃশ্য পাপ থেকে মানুষকে রক্ষা করা। সুতরাং তামিমও তাসাউফের চর্চার মাধ্যমে সব অদৃশ্য পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে সক্ষম হবে।

পরিশেষে বলা যায়, তামিমের মতো আমরা অনেকেই অদৃশ্য পাপাচারে লিপ্ত। এ অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো জীবনাচরণে তাসাউফ চর্চার প্রতিফলন ঘটানো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
273

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থের সাথে সম্পর্ক থাকায় হজ সর্বজনীন ইবাদত নয়। হজ একটি দৈহিক, আত্মিক ও আর্থিক ইবাদত। নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষেই কেবল হজ কোনো ব্যক্তির ওপর ফরজ হয়। এক্ষেত্রে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য প্রধান দুটি শর্ত। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবার একই সাথে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য না থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই যাদের ক্ষেত্রে এ দুটি শর্ত পূরণ হয় কেবল তাদের জন্যই হজ ফরজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
543
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সালাত একটি আনুষ্ঠানিক ও দৈহিক ইবাদত। তবে সালাতের মূল আবেদন আত্মিক ইবাদত হিসেবে। সালাত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টি করে। এটি সালাতের আধ্যাত্মিক গুরত্বেরই প্রতিফলন। উদ্দীপকেও রবিউল আলম সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের ফলভোগী হয়েছেন।

রবিউল আলম কিছুদিন পূর্বেও ধর্ম-কর্মে মনোযোগী ছিলেন না। তার আত্মা ছিল কলুষিত। কিন্তু সালাত আদায় করার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সালাতের মাধ্যমে মানবাত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। কাঙ্ক্ষিত প্রিয় সত্তার সান্নিধ্য লাভ করায় আত্মার উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করে। ফলে আত্মার সার্বিক অবস্থানে স্থিরতা ও তৃপ্তি নেমে আসে। উদ্দীপকের রবিউল আলমের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। সালাত আদায়ের মাধ্যমে তার কলুষিত আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করেছে। সুতরাং দেখা যায়, রবিউল আলমের আত্মিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সালাতের আধ্যাত্মিক তাৎপর্যই প্রতিফলিত হয়েছে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
305
উত্তরঃ

রবিউল আলম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য সালাত আদায়ের পাশাপাশি আল্লাহর জিকর, তাবলিগ, সৎ গুণাবলির অনুসরণ, তওবা ও মাগফিরাত কামনা করতে পারেন।

মানুষের চালিকাশক্তি ও জীবনীশক্তি হলো আত্মা। আত্মা সুস্থ থাকলে মানুষও সুস্থ থাকে। আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ ও সুস্থ রাখার জন্য তাসাউফের অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের রবিউল আলমও তাসাউফের চর্চা সাধানার মাধ্যমে পরিপূর্ণ আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।

রবিউল আলম নিয়মিত সালাত আদায় করেন। আত্মাকে সুস্থ রাখতে তিনি সালাত আদায়ের সাথে সাথে বেশি করে আল্লাহর জিকর করতে পারেন। আবার নিজে সৎ পথে চলার পাশাপাশি তিনি অন্যকেও সৎ কাজের জন্য উৎসাহিত করতে পারেন। এর ফলে তার আত্মা সুস্থ ও পবিত্র থাকবে। তাছাড়া তিনি রাসুলুল্লাহ (স) ও তার সাহাবি (রা) গণের জীবনের সৎগুণাবলির অনুসরণের মাধ্যমেও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারেন। তবে তিনি যেহেতু পূর্বে অনেক অন্যায় করেছেন, সেহেতু সব সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। তওবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যায় না করার দৃঢ় প্রত্যয় জ্ঞাপন করলে তার আত্মা আরও প্রশান্তি লাভ করবে।

এভাবে ওপরের কাজগুলোর মাধ্যমে তিনি আত্মিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিষয়গুলো তাসাউফ চর্চারই নামান্তর। তাই তাসাউফ চর্চা ও সাধনার মাধ্যমেই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
287
উত্তরঃ

হযরত উমর (রা) এর মৃত্যুর পর তার কন্যা হযরত হাফসা (রা)-এর কাছে আল কুরআন সংরক্ষিত ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
503
উত্তরঃ

পরকালীন জীবনের মতো পার্থিব জীবনের ওপরও আল কুরআন গুরুত্বারোপ করেছে। মহানবি (স) বলেছেন, 'দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র'। অর্থাৎ পার্থিব জীবনের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই পরকালীন সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারিত হবে। তাই কুরআন মানুষকে পার্থিব সাফল্য ও কল্যাণ লাভের নির্দেশ প্রদান করেছে। সুরা বাকারার ২০১নং আয়াতে বলা হয়েছে- হে আমাদের প্রভু। আমাদেরকে পৃথিবীতে কল্যাণ দিন। আখিরাতে কল্যাণ দিন।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
335
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews