কোনো পদার্থের এক মোলকে যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে দহন করলে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয় তাকে ঐ পদার্থের দহন তাপ বলে।
যেসব মৌলের সুস্থিত আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাসে আংশিক পূর্ণ d-অরবিটাল থাকে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলে।
Fe এর সুস্থিত আয়ন (Fe2+, Fe3+) এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো:
d অরবিটালে সর্বোচ্চ 10 টি ইলেকট্রন থাকতে পারে। কিন্তু Fe2+ ও Fe3+ এর 3d অরবিটাল অসম্পূর্ণ থাকে। তাই Fe একটি অবস্থান্তর মৌল।
উদ্দীপকের (b) যৌগটি (NaCl) একটি আয়নিক যৌগ যার মধ্যে ধনাত্মক Na+ ও ঋণাত্মক CI প্রান্ত বিদ্যমান। পানি সমযোজী যৌগ হলেও এর মধ্যে ধনাত্মক H+ প্রান্ত ও ঋণাত্মক OH° প্রান্ত বিদ্যমান। NaCl লবণকে পানিতে দিলে এটি পানির অণুর সাথে আকর্ষিত হয়। পানির ঋণাত্মক প্রান্ত NaCl এর ধনাত্মক Na⁺ প্রান্তকে এবং পানির ধনাত্মক প্রান্ত NaCl এর ঋণাত্মক CI প্রান্তকে আকর্ষণ করার মাধ্যমে পানিতে দ্রবীভূত করে।

পানি অণু সংযোজিত Na+ আয়ন পানি অণু সংযোজিত CI আয়ন অপরদিকে উদ্দীপকের (c) যৌগটি (CCl4) এটি সমযোজী যৌগ। এর মধ্যে অনুরূপ কোন ধনাত্মক ও ঋণাত্মক প্রান্ত না থাকায় পানির অণুর সাথে এর কোন আকর্ষণ থাকে না। তাই এটি পানি ও অন্যান্য পোলার দ্রাবকে অদ্রবণীয়।
n = এর জন্য উদ্দীপকের A ও E মৌল দুটি হলো সোডিয়াম (Na) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg)। এদের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ:
সুতরাং দেখা যায় যে নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিয়ন (Ne) এর ইলেকট্রন কাঠামো লাভের জন্য Mg খুব সহজে তার বহিঃস্থ স্তরের দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে দ্বিধনাত্মক আয়ন (Mg2+)-এ পরিণত হতে পারে।
Na তার বহিঃস্থ স্তরের একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Ne এর কাঠামো লাভ করতে পারে। এক্ষেত্রে Na একক ধনাত্মক আয়ন (Na+) গঠন করে যেটি খুবই স্থিতিশীল কাঠামো এবং এটি নিষ্ক্রিয় মৌল Ne অপেক্ষাও বেশি সুস্থিত। Na' আরো একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে দ্বিধনাত্মক আয়ন (Na2+) গঠন করতে চাইলে তাকে অনেক বেশি শক্তি অর্জন করতে হয়, যা কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সম্ভব নয়।
এ কারণে Mg দ্বিধনাত্মক আয়ন গঠন করলেও Na তা করে না।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!