তীর্থস্থান ভক্তদের জীবনে গভীর আধ্যাত্মিক ও নৈতিক প্রভাব ফেলে। তীর্থদর্শনে মানুষের মনে পবিত্র ভাব, শান্তি ও ভক্তি জন্মায়।
দেহ-মন পবিত্র হয় এবং পাপমোচন হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, লাঙ্গলবন্দে অষ্টমীর স্নান করতে এসে ভক্তরা মনে করেন যে, এই স্নানের মাধ্যমে পূর্বজ পাপ দূর হয়ে পুণ্য অর্জিত হয়। আবার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভক্তরা দেবতার মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে
সৌভাগ্য ও আশীর্বাদ লাভের আশা করেন। তীর্থযাত্রার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ববোধও বৃদ্ধি পায়, যা সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ তৈরি করে।
Related Question
View Allমন্দিরে গেলে পুণ্যলাভ হয়।
কান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলার ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত।
লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানের সময় ভক্তরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন'।
মথুরা হলো শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ও তাঁর লীলা ক্ষেত্র।
মন্দির একটি আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!