'খ' চিহ্নিত অংশে গৃহীত পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশের জীবজগৎ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে একসময় প্রচুর বনজঙ্গল, জীবজন্তু ও পশুপাখি ছিল।
দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাভূমি ভরাট করে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শহর নির্মিত হচ্ছে। ফলে জীববৈচিত্র্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। উদ্দীপকে 'খ' চিহ্নিত ডায়াগ্রামে বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংরক্ষণ, জৈব সার ব্যবহার ও কৃষি জমি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই কেবল বাংলাদেশের জীবজগৎ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার পরিণতি হবে আমাদের জন্য ভয়ঙ্কর। এ ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে জীববৈচিত্র্য রক্ষা নীতি অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া সার কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না। পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতি বন্ 'করা যাবে না। বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারে নিয়ম মানতে হবে। পশু ও মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং এগুলোর উৎপাদন বাড়াতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রণে করতে হবে। সর্বোপরি সকল পর্যায়ের মানুষের সচেতনতা ও গৃর্বত পদক্ষেপ জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করতে পারে।
Related Question
View Allপ্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।
প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।
মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।
বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।
যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
