উত্তরঃ

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলে।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার করে নানা উপায়ে সুষম খাদ্যের অভাব পূরণ করা যায়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ সুষম খাদ্যের আধার। মৎস্য, গবাদি পশুর মাংস, হাঁস-মুরগির মাংস হলো সুষম খাদ্য। বর্তমানে এ তিন ধরনের প্রাণিজ সম্পদের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। ফলে এসব পশুপাখির বাণিজ্যিক উৎপাদনও বাড়ছে। তাই আমাদের প্রয়োজনীয় সুষম খাদ্যের অভাব পূরণ হচ্ছে। আর এভাবে প্রাকৃতিক, সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে সুষম খাদ্যের অভাব পূরণ করা যায়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত ডায়াগ্রামটিতে জীববৈচিত্র্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

প্রকৃতির মধ্যে সব রকমের জীব যে নিয়মে বেঁচে থাকে তাকেই সংক্ষেপে জীববৈচিত্র্য বলা হয়। মানুষ, প্রাণী ও কীট-পতঙ্গসহ জীবজগৎ প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে বেঁচে থাকে। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীতে ৩০ লক্ষ থেকে ৩ কোটির মতো বিভিন্ন প্রজাতির জীব বাস করে। এসব জীবের বৈচিত্র্যে মূলে কাজ করছে জিন বা বংশগতির বাহক। উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত ডায়াগ্রামে গাছপালা ও লতাগুল্ম, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও প্রাণী দেওয়া হয়েছে। 'এগুলো জীববৈচিত্র্যের পারস্পরিক সম্পর্কিত উপাদান। জলবায়ু ও তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে জীবজগতের বহু প্রাণী ও তরুলতার জন্ম ও মৃত্যু ঘটে। সবুজ গাছপালা বাতাসে যে অক্সিজেন ছাড়ে তা গ্রহণ করে প্রাণীরা বেঁচে থাকে। আবার প্রাণীদের কাছে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন পায় গাছপালা। এভাবে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীববৈচিত্র্য গড়ে উঠেছে। তাই বলা যায়, 'ক' চিহ্নিত ডায়াগ্রামে জীববৈচিত্র্যের বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

উত্তরঃ

'খ' চিহ্নিত অংশে গৃহীত পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশের জীবজগৎ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে একসময় প্রচুর বনজঙ্গল, জীবজন্তু ও পশুপাখি ছিল।

দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাভূমি ভরাট করে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শহর নির্মিত হচ্ছে। ফলে জীববৈচিত্র্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। উদ্দীপকে 'খ' চিহ্নিত ডায়াগ্রামে বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংরক্ষণ, জৈব সার ব্যবহার ও কৃষি জমি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই কেবল বাংলাদেশের জীবজগৎ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার পরিণতি হবে আমাদের জন্য ভয়ঙ্কর। এ ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে জীববৈচিত্র্য রক্ষা নীতি অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া সার কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না। পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতি বন্ 'করা যাবে না। বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারে নিয়ম মানতে হবে। পশু ও মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং এগুলোর উৎপাদন বাড়াতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রণে করতে হবে। সর্বোপরি সকল পর্যায়ের মানুষের সচেতনতা ও গৃর্বত পদক্ষেপ জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করতে পারে।

63

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে। প্রাকৃতিক সম্পদ পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
•বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ যথা: বনজ, জলজ, কৃষিজ, খনিজ, মৎস্য ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
• বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব,
• বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের বর্ণনা করতে পারব ;
• বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্প যেমন- পাট, বস্ত্র, চিনি, সিমেন্ট, ঔষধ, গার্মেন্টস, চিংড়ি, চা, চামড়া, তুলা, তামাক ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব ;
• বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এসব শিল্পের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব; • জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব উপলব্ধি করে এগুলো সংরক্ষণে ভূমিকা পালন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।

190
উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।

241
উত্তরঃ

মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।

171
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।

123
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

212
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।

172
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews