তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
১.. যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর বেশি, কেবল সে সকল পরমাণু তেজস্ক্রিয় হতে পারে।
২. তেজস্ক্রিয় পদার্থ সাধারণত আলফা, বিটা, গামা এ তিন প্রকারের তেজস্ক্রিয় রশ্মি নিঃসরণ করে।
৩. তেজস্ক্রিয়তা একটি সম্পূর্ণ নিউক্লিয় ঘটনা। এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের ভাঙনের ফলে একটি মৌল অপর একটি নতুন মৌলে রূপান্তরিত হয়।
৪. তেজস্ক্রিয়তা একটি প্রাকৃতিক স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। চাপ, তাপ, বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্রের ন্যায় বাইরের কোনো প্রক্রিয়া দ্বারা এর সক্রিয়তাকে রোধ বা হ্রাস-বৃদ্ধি করা যায় না।
Related Question
View Allপরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে
নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে
পরমাণুর ব্যাসার্ধ নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধের প্রায় এক লক্ষ গুণ
পরমাণুর ভর আসলে নিউক্লিয়াসের ভর
প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়
প্রতি সেকেন্ডে একটি তেজস্ক্রিয় বিভাজনকে এক বেকেরেল বলে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!