চতুরার্য সত্য আমাকে জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সাহায্য করেছে। আমি বুঝেছি জীবন দুঃখময়। আর দুঃখের কারণ হচ্ছে তৃষ্ণা বা অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষা। তাই আমি আসক্তি কমাতে চেষ্টা করি। অপ্রাপ্তি বা ব্যর্থতায় হতাশ হই না আগের মতো; বরং কারণ খুঁজে তা দূর করার চেষ্টা করি। দুঃখের নিরোধ শিক্ষা আমাকে আত্মসংযম ও সহনশীলতার পথ দেখায়। এখন আমি বুঝতে পারি যে, কষ্টেরও শেষ আছে, যদি সঠিকভাবে চিন্তা ও আচরণ করা যায়। আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ আমাকে সৎ চিন্তা, সৎ কথা ও সৎ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে। বুদ্ধের এই তত্ত্ব আমাকে রাগ, লোভ ও মোহ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। সব মিলিয়ে, চতুরার্য সত্য আমার জীবনের পথনির্দেশক ও মানসিক শান্তির মূল ভিত্তি।
Related Question
View Allত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত।
বুদ্ধ প্রথম ধর্ম দেশনায় চতুরার্য সত্য তত্ত্বটি সর্বপ্রথম উল্লেখ করেন।
দুঃখ নিরোধ আর্যসত্য হলো দুঃখ থেকে পরিত্রাণ 1
সর্বদা নৈতিক আচরণ অনুশীলন করাই হলো সম্যক কর্ম।
চিত্তের একাগ্রতা সাধনই সম্যক সমাধি।
প্রথম বর্ষাবাসের পর গৌতমবুদ্ধ উরুবেলা সেনানী করেন। গ্রামে যাত্রা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!