দরিদ্র পরিবারের এক অসহায় মেয়ে কৃষ্ণা সারাদিন ভিক্ষাবৃত্তি করে কিছু টাকা এবং চাল নিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিল। তখন কিছু দুষ্কৃতিকারী তার পিছু নেয়। মেয়েটি ভয়ে চিৎকার করতেই এক সাধু বাবা তাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করে তাকে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে বলেন, 'সর্বদা ভগবানে। বিশ্বাস রাখবে'।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

 অবতার শব্দের অর্থ হচ্ছে উপর থেকে নিচে নামা বা অবতরণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'ধর্ম রক্ষতি রক্ষিতঃ' বলতে বোঝায় ধর্মকে যিনি রক্ষা করেন, ধর্মই তাকে রক্ষা করেন।

ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনে যারা চলেন তারা ধার্মিক মানুষ। ধার্মিক ব্যক্তি সকলেরই পূজনীয় ও শ্রদ্ধেয়। যখন তারা কোনো সমস্যায় পড়েন তখন ধর্মই তাদের এগিয়ে এসে রক্ষা করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অবতারের গুণাবলি সাধু বাবার মাঝে বিদ্যমান থাকায় সাধু বাবাকেই অবতারের প্রতিচ্ছবি বলা যায়।

পৃথিবীতে যখন গ্লানি হয় অধর্ম বেড়ে যায় তখন ভগবান বিভিন্নরূপে পৃথিবীতে নেমে আসে তাঁর ভক্তদের রক্ষা করার জন্য। তখন তাঁকে অবতার বলা হয়। উদ্দীপকের সাধু বাবাও ঠিক তেমনি অসহায় কৃষ্ণাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন অবতারের মতো। মাঝে মাঝে মনুষ্য সমাজে ধর্মের প্রতি অবজ্ঞা, অবহেলা দেখা দেয়। ধার্মিকদের জীবনে নেমে আসে নিপীড়ন- নির্যাতন। দুষ্কৃতিকারীদের অত্যাচার-অনাচারে কলুষিত হয় সমাজজীবন। এরূপ অবস্থায় অনন্য শক্তিধর ঈশ্বর জীবের ন্যায় দেহধারণ করে আবির্ভূত হন ধর্মকে রক্ষা করতে, ধার্মিককে রক্ষা করতে। অবতারের উদ্দেশ্য দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ সাধন করে ধার্মিককে দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্ত করা এবং ধর্ম সংস্থাপন করা, যা সাধু বাবার চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে। এজন্য তিনি যেন অবতারেরই প্রতিচ্ছবি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সর্বশক্তিমান ভগবান সব সময় ভক্তের খেয়াল রাখেন, ভক্তকে ভালোবাসেন। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনের জন্য যুগে যুগে অবতীর্ণ হন। এজন্য সর্বদা ভগবানে বিশ্বাস রাখতে হবে এবং ভগবানে নিজেকে সমর্পণ করতে হবে'।

ঈশ্বর সর্বশক্তিমান সর্বজ্ঞ, সর্বত্র বিরাজিত। অবতাররূপে দেহধারণ করে অসীম, অনন্ত, সসীমরূপ ধারণ করেন। তাই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিকট অবতার স্বয়ং ভগবানেরই এক মুক্ত প্রকাশ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন অবতার ও দেবদেবী একই ব্রহ্ম বা ঈশ্বরের সাকার রূপ। এজন্যই বলা হয় 'ধর্মমূলো হি ভগবান'। অর্থাৎ হিন্দুধর্মের মূলে রয়েছেন ভগবান স্বয়ং। ভক্তের ডাকে সাড়া দিতে ভগবান যেকোনো রূপে অবতীর্ণ হন। ভগবানই প্রয়োজনে ভক্তের ভার বহন করেন। তাই যখনই আমরা সমস্যায় পড়ব সর্বপ্রথমে ভগবানকেই স্মরণ করব এবং ভগবানেই বিশ্বাস রাখব। উদ্দীপকের উক্তি দ্বারা মূলত একথাই বোঝানো হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
115
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসকে একেশ্বরবাদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
789
উত্তরঃ

যোগের সাধন প্রক্রিয়ায় মনকে শুদ্ধ ও শান্ত করার জন্য যোগ দর্শনে আট প্রকার সাধন ক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রত্যাহার অন্যতম। দেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে নিজ নিজ বিষয় হতে তুলে এনে চিত্তের অনুগামী করার নাম প্রত্যাহার। দৃঢ় সংকল্প ও অভ্যাসের দ্বারা ইন্দ্রিয়গুলোকে অন্তর্মুখী করা হলে চিত্ত আরাধ্য বস্তুকে নিবিষ্ট হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। এসময় তিনি বানপ্রস্থ আশ্রম শেষ করেছেন। বানপ্রস্থ আশ্রমের সময় তিনি সংসারে থেকেও অত্যন্ত সংযমী ছিলেন। তিনি সংসারের সমস্ত দায়িত্ব পুত্রের হাতে অর্পণ করে মন্দিরে মন্দিরে ঈশ্বর ধ্যানে মগ্ন থাকেন।

বানপ্রস্থে বনে নির্জন পরিবেশে অবসর জীবনযাপন করতে হয়। তবে সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষ বনবাসী না হয়ে গৃহত্যাগ করে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে বৈরাগ্যময় জীবনযাপন করতে পারেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ এ পর্যায়ে ভজন, পূজন, কীর্তন, জপ, ধ্যান প্রভৃতি ধর্মীয় কর্মে থেকে বানপ্রস্থ জীবন অতিক্রান্ত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
625
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তিনি বানপ্রস্থ জীবন শেষ করেছেন। এতে তাঁর আত্মতৃপ্তি হয়নি। তাই জীবনের পরম প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে তিনি সংসার ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। আলোচ্য অংশে সন্ন্যাস আশ্রমে যাওয়ার উল্লেখ রয়েছে। সন্ন্যাস শব্দের অর্থ সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ। এ আশ্রমে এসে সন্ন্যাসী একাকী জীবনধারণ করবেন। সন্ন্যাস আশ্রমে অতীত জীবনের স্মৃতি সব পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকতে হয়। শাস্ত্র বচনে জানা যায়-

"দন্ড গ্রহণমাত্রেণ নরো নারায়ণো ভবেৎ” অর্থাৎ সন্ন্যাস গ্রহণ করলেই মানুষ নারায়ণ বা দেবতা হয়ে যায়। তবে সন্ন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য হল কর্মফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

"অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ।
স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নির্ন চাক্রিয়ঃ ॥” (৬/১)

অর্থাৎ কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী। শুধুমাত্র গৃহাদি কর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়।

তাই সার্বিক আলোচনার বিষয়বস্তু অনুযায়ী আমি মনে করি, জীবনের পরম প্রাপ্তি লাভে দ্বিজেন্দ্রনাথের সিদ্ধান্তটিই ছিল যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
506
উত্তরঃ

কামনা-বাসনা মুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না কারণ এ ধরনের কর্মে ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না। কামনা-বাসনা মুক্ত বা নিষ্কার্ম কর্মে কর্তা কোনো রকম ফলের আশা না করেই কর্ম করে। তিনি মনে করেন কর্মের কর্তা আমি নই, কর্মফলও আমার নয়। এ নিষ্কাম কর্মই যোগসাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ। নিষ্কাম কর্মে মোক্ষলাভ হয়। ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না বলেই কামনা-বাসনামুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
277
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews