দুখু চরকা কাটা বুড়ির কাছে পৌঁছানোর পর বুড়ির সঙ্গে কুশল বিনিময় করল। এরপর সে বুড়ির কথামতো কাজ করল। প্রথমে কাপড়ের ঘরে গিয়ে সাধারণ একটা কাপড় আর গামছা নিলো। এরপর পুকুরে গিয়ে একটা ডুব দিলো। ফলে তার শরীর গয়নায় ভরে গেল। এরপর খাবারের ঘরে গিয়ে একটু পান্তা ভাত খেল। তারপর বুড়ির নির্দেশে তুলার ঘরে গিয়ে তার যতটুকু তুলা উড়ে গিয়েছিল সেটুকু নিয়ে বাড়ির পথে রওয়ানা হলো।
Related Question
View Allসুখু তাঁতির বড়ো মেয়ে। সুখুর স্বভাব ভালো নয়। সে ঘরের কোনো কাজ করে না। সে শুধু বসে_বসে খায়। সে একটি লোভী মেয়ে।
দুখু তাঁতির ছোটো মেয়ে। একদিন দুখু তুলা রোদে দিয়ে উঠানে বসে ছিল। এমন সময় দমকা হাওয়া এসে দুখুর তুলা উড়িয়ে নিয়ে গেল। ফলে দুখু মনের দুঃখে কাঁদতে লাগল।
দুখু বাতাসের পিছু পিছু যাওয়ার সময় কলাগাছ দুখুকে তার গায়ে জড়ানো লতাপাতা সরিয়ে দিতে বলে। কলাগাছের কথা শুনে দুখু তার গায়ে থাকা লতাপাতা সরিয়ে দেয়।
দুখু বাতাসের পিছনে ছুটতে ছুটতে ঘোড়ার সঙ্গে দেখা হয়। ঘোড়া দুখুকে কচি ঘাস এনে দিতে বলে। ঘোড়ার কথা শুনে দুখু ঘোড়াকে কচি ঘাস এনে দেয়।
চলতে চলতে দুখু ধবধবে সাদা একটা বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো। সে বাড়ির দাওয়ায় একটা চরকা কাটা বুড়িকে দেখতে পেল। তার গাঁয়ে ছিল সাদা শাড়ি এবং চুলগুলোও ছিল দুধের মতো সাদা।
তুলার ঘরে গিয়ে দুখু অবাক হয়ে গেল। কিন্তু সব তুলা সে নিলো না। যতটুকু তুলা বাতাস উড়িয়ে নিয়ে এসেছিল, ততটুকু তুলা সে প্যাটরায় ভরে নিলো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!