ইসলামের প্রথম খলিফা ছিলেন হযরত আবু বকর (রা.)।
মহানবি (স.)-এর প্রায় সমবয়সী হওয়ায় হযরত আবু বকর (রা.)-এর সাথে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব ছিল। এছাড়া হযরত আবু বকর (রা.) পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন এবং হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর শ্বশুর।
জাফর মুন্সীর কর্মকান্ডের সঙ্গে ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.)-এর যথেষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে। জাফর মুন্সী যেমন যৌথ পরিবারটির নেতৃত্ব নিয়ে সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কাজ সম্পাদন করেন তেমনি রাসুল (স.)-এর ওফাত লাভের পর হযরত আবু বকর (রা.) ইসলাম রক্ষায় বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি এসময় ভন্ডনবিদের দমন করেন। কেউ কেউ যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কেউ ইসলাম ত্যাগ করেন। হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) কঠোরভাবে সমস্ত বিশৃঙ্খলা দূর করেন ও শান্তি স্থাপন করেন। তিনি কুরআন সংরক্ষণ ও সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
জাফর মুন্সী যেমন যোগ্যতা বিচারে যৌথ পরিবারটির নেতা হন তেমনি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ওফাত লাভের পর খলিফা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) যোগ্যতা বিচারে অগ্রবর্তী ছিলেন। তিনি সর্বপ্রথম পুরুষ যিনি রসূল (স.)-এর দরবারে হাজির হয়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলামের জন্য তার সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছিলেন। মসজিদে নববি ও হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বাসগৃহ নির্মাণ এবং তাবুক অভিযানে তিনি অর্থ ব্যয় করেন। তিনি হযরত বেলাল (রা.) সহ অসংখ্য ক্রীতদাসকে ক্রয় করে স্বাধীন ও মুক্ত করে দেন। এসব ছাড়াও হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর হিজরতের সময় হযরত আবু বকর (রা.) সঙ্গী ছিলেন। আর তাই ইসলামের খেদমতে তাঁর অবদানের জন্য তিনি খলিফা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা বিচারে ছিলেন অগ্রবর্তী।
Related Question
View Allহযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দাদার নাম আব্দুল মুতালিব।
সত্যবাদী, পরোপকারী, শান্তিকামী যুবক হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততায় মুগ্ধ হয়ে আপনপর সকলে তাঁকে আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করল।
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ 'মহামানব মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শের সাথে উদ্দীপকের সাঈদের কাজের আংশিক মিল রয়েছে। মহানবি (স.) শুধু একজন দীন প্রচারকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মানবীয় গুণের অধিকারী। মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ কামনাই ছিল রাসুল (স.)-এর সাধনা। তিনি আরববাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কুরাইশ গোত্রের সমমনা কয়েকজনকে সাথে নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' নামের একটি মানব কল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন।
উদ্দীপকের সাঈদ সাহেব মহানবি (স.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুরআনের শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে এলাকায় মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। গরিব-দুঃখীদের অবস্থা চিন্তা চিন্তা করে করে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত আফরোজা বেগমের কার্যক্রম মহানবি (স.)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে মিল রয়েছে।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন আরবের একজন বিখ্যাত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। তিনি মহানবির সুন্দর চরিত্র, সততা দেখে তাঁর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
হযরত মুহাম্মদ (স.) হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে বাড়িতে এসে খাদিজা (রা.)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। সব শুনে তিনি মহানবিকে সান্ত্বনা দিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ইসলাম প্রচারে মুহাম্মদ (স.)-কে সাহস ও উৎসাহ প্রদান করতেন।
'কুতুবে হানাফিয়্যা' তে তিরাশি হাজার মাসআলা নিয়ে রচিত হয়েছিল।
আইনের শাসন বলতে আইনের যথাযথ প্রয়োগকে বোঝায়। অর্থাৎ যেখানে দোষী বা অপরাধীকে আইন মোতাবেক শাস্তি দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা হয় তাই আইনের শাসন। এক কথায় আইনের শাসনের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!