পার্বত্য পর্যায়ে নদী যখন শুষ্ক অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সেখানে যদি কোমল শিলার স্তর থাকে তাহলে গিরিখাতগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর হয়। এরূপ গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে। যেমন- উত্তর আমেরিকার কলেরাডো নদীর গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন পৃথিবী বিখ্যাত।
বসতি গড়ে ওঠার পেছনে ভূপ্রকৃতি ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
সমতল ভূমিতে কৃষিকাজ সহজে করা যায়। কিন্তু পাহাড়ি এলাকার ভূমি অসমতল হওয়ায় কৃষিকাজ করা তেমন সম্ভব হয় না। ফলে যাতায়াতের সুবিধার্থে সমতল কৃষিজমির নিকটে জনবসতি তৈরি হয়। এছাড়া সমতল ভূমিতে রাস্তাঘাট এবং বিভিন্ন স্থাপনাও গড়ে তোলা সহজ। তাই সমতলভূমিতে অধিক জনবসতি গড়ে উঠেছে।
দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লিখিত প্রাকৃতিক দুর্যোগটি খরা।
অনেকদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির আর্দ্রতা কমে যায়। এ অবস্থাকে খরা বলে। বৃষ্টিহীন ও খরাযুক্ত পরিবেশ মানুষ ও জীবজগতের স্বাভাবিক কাজকর্মে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে খরার প্রভাবে কৃষিকাজ ফসলের • উৎপাদন কমে যায়। কারণ দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মাটি তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বা কোমলতা হারিয়ে রুক্ষরূপ গ্রহণ করে খরায় পরিণত হয়। ফলে এ অঞ্চলে ভর্গস্থ পানির স্বল্পতার কারণে পানির অভাব দেখা দেয়। এ কারণেই কৃষক গণি মিয়ার এলাকায় ফসলের জমিতে শস্যদানা কম হয়েছে। খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে
দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ দুটি হলো সুনামি ও নদীভাঙন।
দৃশ্যপট-২ এ দেখা যায়, সুনামি সংঘটনের সঙ্গে প্রাকৃতিক কারণ ভূমিকম্পের সম্পর্ক রয়েছে। পাত সঞ্চালনের কারণে সৃষ্ট ভূআলোড়ন তথা ভূমিকম্প সুনামি সৃষ্টির জন্য দায়ী। কারণ প্লেটগুলো সঞ্চালনের ফলে প্লেট সীমানায় বিশাল জলরাশি সরে গিয়ে বড় ধরনের ঢেউ সৃষ্টি করে। এই বিশাল জলরাশি অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠে ভয়ানক বেগে সমুদ্রপৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসে এবং একের পর এক উঁচু ঢেউগুলো উপকল ও পার্শ্ববর্তী এলাকার চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে সুনামির সৃষ্টি হয়। সুনামির আঘাতে বিভিন্ন প্রাণীসহ অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
অন্যদিকে নদীভাঙন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে হতে পারে। নদীর প্রবাহপথে তীব্র স্রোত বা গতিপথ পরিবর্তন হলেও নদীভাঙন দেখা যায়। নদীগর্ভে ও তীরে শিলার উপাদান কোমল হলে অথবা রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতিতে এ দুর্যোগ সৃষ্টি হতে পারে। নদীবাহিত কঠিন শিলার আঘাতে অথবা নদীগর্ভে ফাটল থাকলেও নদীর তীর ভেঙে পড়ে। বৃক্ষ নিধনের ফলে মাটি আলগা হয়েও নদী ভাঙন দেখা যায়।
সাধারণত নদীভাঙনে যে সমস্ত উপাদান ক্ষতির শিকার হয় তা হলো: বসতবাড়ি, খামার, ফসল, চাষযোগ্য জমি, গবাদি পশু, দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র, গাছপালা, বৈদ্যুতিক টাওয়ার, সেচ প্রকল্প, পারিবারিক সম্পদ, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। নদীভাঙনে জমির মালিকগণ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কারণ ভাঙন করলিত জমি কখনই পুনরুদ্ধার করা যায় না। ফলশ্রুতিতে ভূমিহীন মানুষের স্থানান্তর ঘটে। এদের নির্দিষ্ট কোনো কাজের সুযোগ থাকে না। সে সাথে তারা সামাজিক মর্যাদাও হারায়। নদীভাঙনের শিকার হয়ে তারা শহর ও নগরের ভাসমান মানুষে পরিণত হয়।
অন্যদিকে নদীভাঙন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে হতে পারে। নদীর প্রবাহপথে তীব্র স্রোত বা গতিপথ পরিবর্তন হলেও নদীভাঙন দেখা যায়। নদীগর্ভে ও তীরে শিলার উপাদান কোমল হলে অথবা রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতিতে এ দুর্যোগ সৃষ্টি হতে পারে। নদীবাহিত কঠিন শিলার আঘাতে অথবা নদীগর্ভে ফাটল থাকলেও নদীর তীর ভেঙে পড়ে। বৃক্ষ নিধনের ফলে মাটি আলগা হয়েও নদী ভাঙন দেখা যায়।
সাধারণত নদীভাঙনে যে সমস্ত উপাদান ক্ষতির শিকার হয় তা হলো: বসতবাড়ি, খামার, ফসল, চাষযোগ্য জমি, গবাদি পশু, দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র, গাছপালা, বৈদ্যুতিক টাওয়ার, সেচ প্রকল্প, পারিবারিক সম্পদ, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। নদীভাঙনে জমির মালিকগণ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কারণ ভাঙন করলিত জমি কখনই পুনরুদ্ধার করা যায় না। ফলশ্রুতিতে ভূমিহীন মানুষের স্থানান্তর ঘটে। এদের নির্দিষ্ট কোনো কাজের সুযোগ থাকে না। সে সাথে তারা সামাজিক মর্যাদাও হারায়। নদীভাঙনের শিকার হয়ে তারা শহর ও নগরের ভাসমান মানুষে পরিণত হয়।
Related Question
View Allনদীভাঙন এক ধরনের মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
দুর্যোগ ও বিপর্যয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হলেও বিষয় দুটি এক নয়।
তাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন: দুর্যোগ হচ্ছে এমন ঘটনা যা সমাজের বাস্তবিক কাজকর্মে প্রচণ্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। অপরদিকে বিপর্যয় হচ্ছে এমন একটি আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা যা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত করে দুর্যোগের সৃষ্টি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!