দৃশ্যকল্প-১: মেহরাব বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশের একটি স্থানে বেড়াতে গেল। সে পাহাড়ে অবস্থানকালে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো

 দৃশ্যকল্প-২: রাজু নিরক্ষীয় অঞ্চলের একটি দেশে বেড়াতে গেল এবং দেখল সেখানে প্রায় প্রতিদিনই দিনের শেষভাগে বৃষ্টি হয়, অপরদিকে রাজুর বন্ধু ওয়াসিম মধ্য ইউরোপের এমন এক দেশে থাকে যেখানে শীতকালে দীর্ঘস্থায়ী একটি বৃষ্টিপাত দেখা যায়।

 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জলীয়বাষ্প উপরে ওঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঘনীভূত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা ও তুষারকণায় পরিণত হয়ে মধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পাতিত হওয়াকে বারিপাত বলে।

উত্তরঃ

২৪০০ থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি। এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বা Roaring forties বলে।
দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে এখানে পশ্চিমা বায়ু বাধাবন্ধনহীনভাবে প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়, তাই একে প্রবল পশ্চিমা বায়ুও বলা হয়।

উত্তরঃ

মেহরাবের দেখা অঞ্চলটিকে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত হয়? ব্যাখ্যা করো।


বৃষ্টিপাত জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ুর গতিপথে পর্বত থাকলে তা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বৃষ্টিপাত হয়। শৈল বা পাহাড় 'দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বৃষ্টিপাত হয় বলে একে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে।
সমুদ্র উপকূলের নিকটবর্তী অঞ্চলে পাহাড়, পর্বত, মালভূমি থাকলে নিকটবর্তী সমুদ্র থেকে আগত জলীয়বাম্পূর্ণ বায়ু এই উচ্চভূমিতে ধাক্কা খায় এবং ওপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই অংশকে প্রতিবাত পার্শ্ব বলে। উচ্চ ভূমি অতিক্রম করে বায়ু অপর পার্শ্বে অর্থাৎ অনুবাত পার্শ্বে পৌঁছলে এতে জলীয়বাষ্প আর থাকে না বলে বৃষ্টি খুব কম হয়। এ অঞ্চলকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে। পর্বতের অনুবাত পার্শ্বের বৃষ্টিচ্ছায় সাধারণভাবে শুষ্ক বা প্রায় শুষ্ক অঞ্চল।

উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত বৃষ্টিপাত দুটির মধ্যে কোন বৃষ্টিপাতটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সংঘটিত হয়ে থাকে? যুক্তিসহ মতামত দাও।

দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে। এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে। তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।

কোনো অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে। শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে। জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে। ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে।
এই বৃষ্টিপাত সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালে এরূপ বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়।

75

আমরা জানতে পেরেছি এখন পর্যন্ত মহাকাশে আবিষ্কৃত সৌরজগতের বাসযোগ্য আদর্শ গ্রহটি হচ্ছে পৃথিবী। ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জীবজগতের প্রাপ ধারণের প্রয়োজনীয় বায়ুর উপাদান বেষ্টিত রয়েছে। এটাকে আমরা বায়ুমণ্ডল বলি। এই বায়ুর উপাদানসমূহ কয়েকটি স্তরে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। এগুলো পৃথিবীর মানুষ ও অন্যান্য জীবজগতের জন্য কত দরকার, তা আমরা জানার ও বোঝার চেষ্টা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাই বায়ুমণ্ডল।

278
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা ৭৮.০২ ভাগ।

বাতাসের নাইট্রোজেন মাটিতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় (যেমন- বজ্রপাত) আবদ্ধ হয় এবং উদ্ভিদ মাটি থেকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে। বাতাসে নাইট্রোজেন বেশি থাকায় তা বাতাসের অন্যান্য উপাদানগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই বাতাসে নাইট্রোজেন গ্যাস বেশি থাকার সুবিধা রয়েছে।

1.3k
উত্তরঃ

চিত্রের 'Q' স্তরটি স্ট্রাটোমণ্ডল।

ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere) নামে পরিচিত। নিচে স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
করা হলো-
i. এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া শান্ত ও শুষ্ক থাকে। ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়ে বিনা বাঁধায় জেট বিমান চলাচল করে।

ii. এই স্তরে ওজোন (O;) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকে। এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়।

iii. এ স্তরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

522
উত্তরঃ

চিত্রে প্রদর্শিত 'R' স্তরটি মেসোমণ্ডল বা Mesosphere এবং 'S'

স্তরটি তাপমণ্ডল বা Thermosphere। স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে। মেসোবিরতির (Mesopause) উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে তাপমণ্ডল বলে। চিত্রের 'R' স্তরটি বা মেসোমণ্ডল আমাদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

মেসোস্ফিয়ারে উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়। এই উল্কাগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলে প্রাণী ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হতো। মেসোমণ্ডলের কারণেই এগুলো পৃথিবীতে আসতে পারে না।
তাই মেসোমণ্ডল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

491
500
উত্তরঃ

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের উপর ভিত্তি করে আমেরিকান আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেল একটি সূত্র প্রদান করেন যা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর- গোলার্ধে ডান এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। বিজ্ঞানী ফেরেল প্রথম এ সূত্র প্রদান করেন বলে একে ফেরেলের সূত্র বলে।

3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews