দৃশ্যকল্প-১: রংপুরের মাটি ধান, তামাক প্রভৃতি ফসল চাষের উপযোগী। চাষিরা সবধরনের ফসল চাষাবাদ করে। কিন্তু ব্রিটিশ- আমেরিকান টোবাকো কোম্পানি সকলকেই তামাক চাষে বাধ্য করে। চাষিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তামাক চাষের বিরুদ্ধে আন্দোলন করলে কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

দৃশ্যকল্প-২: রাজাপুর একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। সেখানে নানা ধরনের সামাজিক কুসংস্কার প্রচলিত ছিল। ঐ অঞ্চলের মা-বোনদের বাইরে যাওয়া নিষেধ ছিল। তাই মেয়েদেরকে কুসংস্কার ও অন্ধকার অবস্থা থেকে মুক্ত করার জন্য লতিফা তার গ্রামে একটি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন হলো হাজী শরীয়তউল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত বাংলার মুসলমানদের একটি ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

তিতুমিরের ধর্ম সংস্কার আন্দোলনে ইংরেজ, জমিদার ও নীলকরদের হাতে নির্যাতিত কৃষক, তাঁতিরা দলে দলে যোগ দেয়। ফলে এক পর্যায়ে এ আন্দোলন কৃষক আন্দোলনে পরিণত হয়।
তিতুমির মক্কা থেকে দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে ইসলাম ধর্মসংস্কারের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তার এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনে বাংলার কৃষক, তাঁতিসহ বহু মুসলমান সাড়া দেয়। তিতুমির কৃষকের বিরুদ্ধে অত্যাচারের প্রতিবাদও করতেন। ফলে জমিদাররা বিশেষ করে মুসলমান প্রজাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে। এ থেকে রক্ষা পেতে নিপীড়িত, শোষিত কৃষকরা দলে দলে তিতুমিরের সঙ্গে যোগ দেয়। এভাবে তার ধর্মসংস্কার আন্দোলন কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ বাংলার ইতিহাসের নীল বিদ্রোহকে নির্দেশ করে।
ইংল্যান্ডে বস্ত্রশিল্পের ব্যাপক উন্নতি ঘটলে কাপড় রং করার জন্য সেখানে প্রাকৃতিক নীলের চাহিদা খুব বেড়ে যায়। এ নীলের যোগান দিতে ইংরেজরা বাংলার উর্বর জমিতে নীল চাষ শুরু করে। এজন্য ইংরেজ বণিক বা নীলকররা কৃষকের সর্বোৎকৃষ্ট জমি বেছে নিত। কৃষকদের নীল চাষের জন্য অগ্রিম অর্থ (দাদন) গ্রহণে বাধ্য করা হতো। নীল চাষের কারণে খাদ্যশস্যসহ অন্যান্য ফসলের চাষ ব্যহত হয়। নীল চাষে কৃষকরা রাজি না হলে তাদের ওপর চরম অত্যাচার চালানো হতো। নীলকররা এতটাই নিষ্ঠুর আর বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল যে, নারাজ চাষিদের হত্যা করতেও তারা দ্বিধাবোধ করেনি। শেষ পর্যন্ত নিরূপায় হয়ে কৃষকরা ১৮৫৯ সালে নীল চাষের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড বিদ্রোহে ফেটে পড়ে। গ্রামে গ্রামে কৃষকরা সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে। ১৮৬০ সালে এ বিদ্রোহ চরম রূপ ধারণ করে, যা ভারতের ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
একইভাবে দৃশ্যকল্প-১-এ দেখা যায়, রংপুরের মাটি ধান, তামাক চাষের উপযোগী। চাষিরা সেখানে সবধরনের ফসল আবাদ করে। কিন্তু ব্রিটিশ- আমেরিকান টোবাকো কোম্পানি তাদের শুধু তামাক চাষে বাধ্য করে। এতে চাষিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তামাক চাষের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে, যা উপরে বর্ণিত নীল চাষিদের নীল বিদ্রোহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-১ বাংলার নীল বিদ্রোহকেই ইঙ্গিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-২ এর লতিফার কর্মকান্ড বেগম রোকেয়ার কর্মকান্ডের সাথে আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ।
বিশ শতকের শুরুর দিকে যখন ভারতের ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বলছে বাঙালি মুসলমান নারীরা তখনও পিছিয়ে ছিল। তারা সমাজের সব অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। লেখাপড়া শেখা তাদের জন্য একরকম নিষিদ্ধই ছিল। সমাজে ধর্মের নামে তাদের পর্দার আড়ালে গৃহবন্দী করে রাখা হতো। • এসময় বেগম রোকেয়া মুসলমান নারীদের এই বন্দিদশা থেকে মুক্তির ডাক দেন। তিনি তৎকালীন গোঁড়া মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, নারী সমাজের প্রতি অবহেলা-বঞ্চনার করুণ চিত্র তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরতে থাকেন। রোকেয়ার 'অবরোধবাসিনী', 'পদ্মরাগ', 'মতিচুর', 'সুলতানার স্বপ্ন' প্রভৃতি গ্রন্থে সে চিত্রই ফুটে উঠেছে। বেগম রোকেয়া তার স্বামীর মৃত্যুর পর নারীশিক্ষার প্রসারের জন্য বিহারের ভাগলপুরে একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন। ১৯১১ সালে তিনি কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন, যা পরবর্তী সময়ে ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নীত হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রোকেয়া ১৯১৬ সালে কলকাতায় আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন। নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনী অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার নেতৃত্বে এ সমিতি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এ দেখা যায়, রাজাপুর গ্রামের লতিফা তার এলাকার মেয়েদের উন্নয়নের জন্য গ্রামে একটি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু তৎকালীন মুসলিম নারীদের মুক্তির জন্য বেগম রোকেয়া প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা ছাড়াও আরও অনেক কাজ করেছেন যা উপরে বর্ণিত হয়েছে। এসব কাজ লতিফার কর্মকাণ্ডে পরিলক্ষিত হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের লতিফার কর্মকাণ্ড বেগম রোকেয়ার কর্মকান্ডের সঙ্গে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
86

বাংলার কৃষক একসময়ে সূর্য ওঠা ভোরে লাঙ্গল কাঁধে ছুটত তার ফসলের জমিতে । ফিরত অস্তগামী সূর্যকে সামনে রেখে । তার ঘরে অন্ন-বস্ত্রের প্রাচুর্য ছিল না, তবে অভাবও ছিল না । অভাব ছিল না আনন্দ-উৎসবের । বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগেই থাকত। জারি, সারি, কীর্তন, যাত্রাপালা গানে জমে উঠত গ্রামবাংলার সন্ধ্যার আসর। কিন্তু, পনেরো শতকের শেষ দিকে ইউরোপীয় বণিক সম্প্রদায়ের আগ্রাসী আগমন ধীরে ধীরে কেড়ে নিতে থাকে বাংলার কৃষকের মুখের হাসি, তাদের আনন্দ-উৎসব । এরই চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ইংরেজ বণিকদের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থান ও প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ।

প্রথমে তারা ধ্বংস করেছিল গ্রামবাংলার কুটির শিল্প, তারপর তাদের নজর পড়ে এদেশের উর্বর জমির ওপর। অতিরিক্ত অর্থের লোভে ভূমি রাজস্ব আদায়ে একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে । যে পরীক্ষার নিষ্ঠুর বলি হয় বাংলার কৃষক-সাধারণ মানুষ । এ কারণে বিদ্রোহ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না তাদের। এ বিদ্রোহের সময়কাল ছিল আঠারো শতকের শেষার্ধ থেকে উনিশ শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত। পরবর্তী পর্যায়ে কৃষক আন্দোলন ব্যাপক রূপ নেয়।

একই সঙ্গে পাশ্চাত্যের আধুনিক চিন্তার প্রভাব পড়ে এ সমাজের শিক্ষিত মহলে । ফলে, হিন্দু সমাজে যেমন শিল্প, সাহিত্যে নবজাগরণের সূত্রপাত ঘটে, তেমনি উদ্ভব ঘটে মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার। শুরু হয় কুসংস্কার, গোঁড়ামি দূর করে হিন্দুধর্মের সংস্কার। মুসলমান শিক্ষিত সমাজেও সংস্কারের মাধ্যমে তাদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার চেষ্টা চলে।
মূলত আঠারো ও উনিশ শতক জুড়ে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ও রাজনীতিতে এক নতুন ভাবধারার উন্মেষ ঘটে। এই পরিবর্তনের প্রথম সূচনা করে বাংলার কৃষক ও সাধারণ মানুষ ।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • ইংরেজ শাসনামলে বাংলায় প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং এর তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলনে বিশেষ ব্যক্তিবর্গের অবদান মূল্যায়ন করতে পারব;
  • ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হব;
  • বিভিন্ন সংস্কারক ও সংস্কার কর্মকাণ্ড জানার মাধ্যমে মুক্তচিন্তায় অনুপ্রাণিত হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার ও অনৈসলামিক রীতিনীতি থেকে মুক্ত করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।
মূলত মক্কা থেকে দেশে ফিরে হাজী শরীয়তউল্লাহ বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানেরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। মুসলমানদের মধ্যে অনৈসলামিক আচার-আচরণ, অনুষ্ঠান, অনাচার প্রবেশ করেছে। ইসলাম ধর্মকে এসব অনাচারমুক্ত করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
392
উত্তরঃ

উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো আমার পাঠ্যপুস্তকের 'নীল বিদ্রোহের' কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
ব্রিটেনের নীলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলার ইংরেজ বণিকগণ এদেশের কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করে। তারা কৃষকদের নীলচাষের জন্য অগ্রীম অর্থ গ্রহণে (দাদন) বাধ্য করত। আর একবার এ দাদন গ্রহণ করলে সুদ- আসলে কৃষকরা যতই ঋণ পরিশোধ করুক না কেন, বংশ পরম্পরায় কোনো দিনই ঋণ শেষ হতো না। নীলকরদের কাছ থেকে নীলচাষিদের প্রাপ্ত মূল্য উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। অবশেষে নীলচাষিরা নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। যশোরে এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব। তাছাড়াও হুগলী এবং নদিয়ার নীলচাষিরাও বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে আমরা দেখি যে, কৃষকদের প্রাপ্ত মূল্য উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় তামাক চাষিরা কোম্পানির রাহুগ্রাস থেকে বের হতে না পেরে করিম ও জলিলের নেতৃত্বে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। এ বিষয়গুলোর সাথে বাংলার নীল বিদ্রোহের মিল রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
490
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি অর্থাৎ নীল বিদ্রোহ কৃষকদের স্বার্থরক্ষার জন্য অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ছিল বলে আমি মনে করি।
ব্রিটিশ কোম্পানির লোকজন এদেশের কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করত এবং নানা ধরনের নির্যাতন, শোষণ ও অত্যাচার করত। শেষ পর্যন্ত দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া চাষিরা ১৮৫৯ সালে প্রচন্ড ক্ষোভে ফেটে পড়ে। যশোর হুগলী, নদীয়াতে বিদ্রোহের দাবানল জ্বলে ওঠে। কৃষকরা নীলচাষ না করার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেয়। অবশেষে বাংলার সংগ্রামী কৃষকদের জয় হয়।
১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিগো কমিশন গঠন করে। এ কমিশনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে নীলচাষকে কৃষকদের 'ইচ্ছাধীন' বলে ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া নীলকর কর্তৃক আরোপিত 'ইন্ডিগো কন্ট্রাক্ট' বাতিল করা হয়। এর ফলে কৃষকরা তাদের স্বাধীনতা ফিরে পায়। তারা তাদের জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করার সুযোগ পায়। ফলে তারা জমিতে লাভজনক ফসল উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়।
উদ্দীপকের রূপপুর অঞ্চলের জনগণ তামাক চাষের কারণে কোম্পানির রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারে না। এ অবস্থায় তারা আন্দোলন গড়ে তোলে। আর এ আন্দোলনে নীল বিদ্রোহের প্রতিফলন দেখা যায়। বস্তুত ব্রিটিশদের কঠোর শাসনের যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে বাঙালি চাষিদের যখন নাভিশ্বাস বইছে তখন তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় নীল বিদ্রোহ করে। এ বিদ্রোহ ছিল তৎকালীন কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ও শতভাগ যুক্তিযুক্ত।
তাই বলা যায়, নীল বিদ্রোহের মাধ্যমে বাংলার কৃষকদের স্বার্থরক্ষা হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
396
উত্তরঃ

'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' গঠনের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থরক্ষা।
সৈয়দ আমির আলি বিশ্বাস করতেন, মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা এবং তাদের দাবি দাওয়ার প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। এ উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews