যে সমস্ত কারণ নতুন কোনো স্থানে বসতি স্থাপনের জন্য মানুষকে উৎসাহিত, প্ররোচিত করে সেগুলোকে আকর্ষণমূলক কারণ বলে।
কোনো দেশের মোট জনসংখ্যা এবং মোট ভূমির পরিমাণ বা
আয়তনের যে অনুপাত তা জনসংখ্যার ঘনত্ব বা জনবসতির ঘনত্ব। তাই
কোনো দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয় করার জন্য সে দেশের মোট জনসংখ্যা ও মোট আয়তন জানা প্রয়োজন।
জনসংখ্যার ঘনত্ব = মোট জনসংখ্যা
মোট ভূমির আয়তন
রিয়াজ বিগত দশ বছর তার বাবা-মায়ের সাথে আমেরিকা বসবাস করে। এ ধরনের অভিবাসনকে বলা হয় অবাধ অভিবাসন।
নিজের ইচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে আপন ইচ্ছামত স্থানে বসবাস। করাকে অবাধ অভিবাসন বলে।
যে স্থান মানুষ ত্যাগ করে তাকে উৎস স্থান এবং যে স্থানে মানুষ গমন করে তাকে গন্তব্যস্থল বলে। উৎসস্থল থেকে অন্যত্র অভিবাসনকে বলা হয় প্রবসন। অন্যদিকে অন্যত্র হতে কোনো স্থানে আগমন করাকে বলা হয় অভিবাসন এবং আগতদের বলা হয় অভিবাসী। অর্থাৎ রিয়াজদের পরিবার বাংলাদেশের প্রবাসী ও আমেরিকার অভিবাসী।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অনেক পরিবার
ভারতে অবস্থান করে। এটিকে বলা হয় বলপূর্বক অভিগমন।'
প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক চাপের মুখে কিংবা পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ সৃষ্টি করে মানুষ বাধ্য পেয়ে যে অভিগমন করে তাকে বলপূর্বক অভিগমন বলে। গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে কেউ যদি অভিগমন করে তবে তাকে বলপূর্বক অভিগমন বলে। বলপূর্বক অভিগমনের ফলে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে আগমন করে ও স্থায়ীভাবে আবাস স্থাপন করে তাদেরকে বলা হয় উদ্বাস্তু।
উদ্দীপকে যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেয় তারা উদ্বাস্তু।
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!