দৃশ্যকল্প-১ নৌপথ নির্দেশ করে।
নদীমাতৃক বাংলাদেশের সর্বত্র নৌপথ জালের মতো ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক গঠন নৌপথের অনুকূলে। বাংলাদেশ প্রধানত নিম্নভূমি ও নদীবহুল অঞ্চল। বাংলাদেশের নিম্নভূমি সহজে বন্যা কবলিত হয়। ফলে সড়কপথ ও রেলপথ গড়ে উঠতে পারে না। এজন্য সিলেট অঞ্চলের হাওর ও দক্ষিণাঞ্চলের ফরিদপুর, ভোলা, মাদারিপুর, বরিশাল অঞ্চলে নৌপথ প্রধান যোগাযোগব্যবস্থা।
বাংলাদেশ নদীবহুল হওয়ায় এখানে সড়ক ও রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার চেয়ে নৌ যোগাযোগ সহজ। যেমন- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে
নৌপথই বেশি ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে অসংখ্য নদী ও খালবিলের সমন্বয়ে গঠিত প্রায় ৮,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ আছে। এর মধ্যে প্রায় ৫,৪০০ কিলোমিটার সারাবছর নৌচলাচলের উপযুক্ত থাকে।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, বাংলাদেশে নৌপথ সহজ, সুলভ, আরামদায়ক পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
যোগাযোগ ব্যবস্থা যাত্রী- পণ্য পরিবহণ করে অভ্যন্ত্রীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনীতিতে কার্যকরী অবদান রাখে। দেশের একস্থান থেকে অন্যস্থানে কাঁচামাল ও লোকজনের নিয়মিত চলাচল, উৎপাদিত দ্রব্যের সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ, উৎপাদনের উপকরণসমূহের গতিশীলতা বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা আনয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই যোগ ব্যবস্থা প্রতাশিত করে বাণিজ্যকে। বাণিজ্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা কৃষি শিল্প প্রভৃতির ভারসাম্য আনে ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!