ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে দোলযাত্রা উৎসব শুরু হয়। এদিন রাধাকৃষ্ণের পূজা করা হয়। পরের দিন শুক্লা পূর্ণিমাতে রাধাকৃষ্ণের প্রতিমা দোলায় রেখে আবির কুমকুমে রাঙানো হয়। পরের দিন আনুষ্ঠিত হয় হোলি খেলা। একে অন্যের গায়ে রং ছিটিয়ে আনন্দ করা হয়। তারপর রাধাকৃষ্ণের প্রতিমাসহ মন্দির থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। আরেক জায়গায় প্রতিমাকে নিয়ে দোলায় চড়ানো হয়। এজন্য এ উৎসবটিকে বলে দোলযাত্রা। দোলযাত্রা উপলক্ষে একজনকে 'সঙ' বা হোলির রাজা সাজানো হয়। তারপর তাকে নিয়ে দল বেঁধে বাড়ি বাড়ি ঘুরে আনন্দ করা হয়। দোলযাত্রার মধ্য দিয়ে সামাজিক মিলন, সংহতি ও সৌহার্দ প্রকাশ পায়। দোলযাত্রা
হিন্দুদের একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব।
Related Question
View Allহিন্দুধর্ম তার অনুসারীদের মধ্যে নৈতিক গুণের বিকাশ ঘটিয়েছে। গুণের।
দেব-দেবীদের রূপের ধারণা দিয়েছেন ঋষি-কবিরা।
ধর্মসংগীতের মধ্য দিয়ে শিল্পচর্চার পরিচয় পাওয়া যায়।.
মহালয়া ঘোষণা দেয় দেবী দুর্গার আগমনী।
এ-সকল ঐতিহ্যকে আমরা সংরক্ষণ করে রাখব।
মহালয়ায় প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!