ধর্মযাজক পিতার পুত্র পিটার জন্মের পর থেকেই দেখেছেন কালো চামড়ার মানুষের প্রতি সাদাদের ঘৃণা-বঞ্চনা। এ অমানবিক বিষয়টি। পিটারের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। তিনি নিজেও কালো চামড়ার অধিকারী হওয়ায় সাদাদের সাথে একসাথে স্কুলে পড়তে পারেননি। তার প্রতিবাদী পিতামহ বর্ণবাদী বৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে একটি। সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পিতামহের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের মাধ্যমেই পিটার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

গান্ধীজিকে 'মহাত্মা' উপাধি দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

Black Act ইতিহাসে একটি ঘৃণ্য আইন। ১৯০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকার 'Asiatic Law Amendment Ordinance' পাস করে, যা ভারতীয়দের নিকট Black Act নামে পরিচিত। এ আইনে উল্লেখ ছিল ট্রান্সভালের ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস করতে হলে নাম রেজিস্ট্রি করে সনদ নিতে হবে। পুলিশকে রেজিস্ট্রেশন সনদ দেখাতে না পারলে জরিমানা ও জেল হবে। মহাত্মা গান্ধী এ আইন বাতিল করার জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন জানান। কিন্তু এতে কাজ না হলে তিনি অহিংস 'সত্যাগ্রহ' আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা পিটারের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে আলোচিত বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।

নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সেকেই এর মোভেজো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ম্যান্ডেলার পিতার নাম নোকোসি মাহাকেনিজাইজাওয়া গ্রান্ডা ম্যান্ডেলা এবং মায়ের নাম নোসেকিনি ফেনি। ১৯২৫ সালে তিনি কুনুগ্রামের কাছে একটি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সে স্কুলের এক শিক্ষক তার নাম রাখেন নেলসন।' ১৯৩৭ সালে তিনি হেন্ডটাউনে আসেন এবং ফোর্ট বিওফোর্টের ওয়েসলিয়ন কলেজে ভর্তি হন। ১৯৩৯ সালে তিনি ফোর্ট হ্যারে-এর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি হন। ১৯৪০ সালে প্রতিবাদমূলক তৎপরতার কারণে তাকে ফোর্ট হ্যারে থেকে বহিষ্কার করা হয়। ১৯৪৩ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের (ANC) একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি বন্ধুদের সাথে ANC-র যুবদল গঠন করেন। ঔপনিবেশিক শাসন ও বর্ণবাদী শাসননীতির বিরুদ্ধে ক্রমেই শক্তিশালী কণ্ঠস্বররূপে নিজেকে ও তার দলকে প্রতিষ্ঠা করতে থাকেন। ১৯৬২ সালে তিনি বোমাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবাস জীবনের পর ১৯৯০ সালে মুক্তি পান। ১৯৯৩ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। ১৯৯৪ সালের নির্বাচনে তার দল ANC জয় লাভ করে এবং তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পরিশেষে বলা যায়, নেলসন ম্যান্ডেলার পুরো জীবন ছিল সংগ্রামময়ী। তিনি বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই করেছেন। একারণেই তিনি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

নিজের জীবন উৎসর্গ করে উক্ত নেতা অর্থাৎ নেলসন ম্যান্ডেলা মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তার আন্দোলন ও আত্মত্যাগের ফলেই দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সক্ষম হয়।

নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কালো মানুষের দলভুক্ত। এ কারণে তাকে অনেক হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল। তাই তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গদের শাসন চলছিল। শ্বেতাঙ্গরা কালো বর্ণের লোকদের ঘৃণা করত, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করত। তাই নেলসন ম্যান্ডেলা কালো মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন শুরু করেন। তার এ আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি অনেকবার কারাবরণ করেছেন। সর্বশেষ ১৯৬২ সালে শ্বেতাঙ্গ সরকার তাকে বন্দি করে এবং দীর্ঘ কারাবাস জীবনের পর ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান। এরপরও তিনি আন্দোলন থামাননি। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ডি. ক্লার্কের সাথে আলোচনায় বসেন এবং কালো মানুষের অধিকার আদায়ের দাবি তুলে ধরেন। ডি. ক্লার্ক নেলসন ম্যান্ডেলার দাবি মেনে নেন এবং একটি অবাধ নির্বাচনের ঘোষণা দেন। নির্বাচনে ম্যান্ডেলার দল ANC জয় লাভ করে এবং তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হন।
বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের জন্য ১৯৯৩ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি বর্ণবাদবিরোধী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমাবেশেও যোগ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, নেলসন ম্যান্ডেলা কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
25
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার মন্টগোমারি রাজ্যের আটলান্টা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
96
উত্তরঃ

ফ্রান্সের অভিজাতগণ দাবি করেন, অভিজাতরা বহিরাগত বিজেতা জাতি ফ্রাঙ্ক-এর বংশধর। ফ্রাঙ্কিশগণ যেহেতু শ্রেষ্ঠ এবং তাদের দ্বারাই ফ্রান্স প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেহেতু জন্মগতভাবেই তারা তৃতীয় শ্রেণির চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এ কারণে সকল প্রকার রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা, নেতৃত্ব অভিজাতদের প্রাপ্য। তৃতীয় শ্রেণির লোকদের তারা বলে, এরা দাসদের সাথে সংকরায়নের ফলে উদ্ধৃত এজন্য তারা নিকৃষ্ট। আর এভাবে ফ্রান্সে বৈষম্য সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
88
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিষয়টি আমার পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদ প্রথার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত জুয়েলের গায়ের রং ফর্সা, তমালের গায়ের রং কালো। এ কারণে জুয়েল তমালকে ঘৃণার চোখে দেখে। জুয়েল মনে করে, তমালদের পূর্বপুরুষ নীচু জাতের। এজন্যই তমালের গায়ের রং কালো। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদ প্রথার সাদৃশ্য রয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের কারণে বর্ণবাদের ধারণার সৃষ্টি হয়। বর্ণবাদ মানব সমাজে বিদ্যমান একটি ঘৃণ্যপ্রথা। আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এ প্রথা মানবতাকে কলঙ্কিত করেছিল। শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে আধিপত্যের প্রতিযোগিতা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের বীজ বপন করে দীর্ঘকাল টিকেছিল। বর্ণবাদের মর্মকথা হলো শ্বেতাঙ্গরা জন্মগতভাবে কৃষ্ণাঙ্গদের বা অন্যান্য জাতি অপেক্ষা উৎকৃষ্ট এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ওপর কর্তৃত্ব করার অধিকার আছে এবং তাদের প্রতি বৈষম্য আচরণ করা দোষের কিছু নয়।' পরিশেষে বলা যায়, উপনিবেশবাদ ও চরম জাতীয়তাবাদের ধারণা থেকেই বর্ণবাদের সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
53
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি উক্ত ধারণার জন্য অর্থাৎ বর্ণবাদ প্রথার জন্য অনেক দেশে সংঘাত সৃষ্টি হয়েছিল।
আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বর্ণবাদের কারণে সংঘাত সৃষ্টি * হয়েছিল। আমেরিকা মহাদেশে কৃষিকাজ ও অন্যান্য শ্রম কাজের জন্য আফ্রিকা থেকে নিগ্রোদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হতো। আফ্রিকার কালো মানুষের প্রতি আমেরিকার শ্বেতাঙ্গরা বর্ণবাদ নীতি অনুসরণ করত। আমেরিকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাস, ট্রেন, খাবারের দোকান প্রভৃতি ক্ষেত্রে শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে বর্ণবাদ নীতি অনুসরণ করত। দক্ষিণ আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসনামলে শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর কর্তৃত্ব করত। কৃষ্ণাঙ্গরা খনি এবং কঠিন কাজে নিয়োগ পেত; কিন্তু মজুরি পেত কম আর শ্বেতাঙ্গরা কম পরিশ্রমে বেশি বেতন পেত। এমনকি আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের অভিবাসী শ্বেতাঙ্গরাও শ্বেতাঙ্গ শাসকদের কাছে পক্ষপাতমূলক আচরণ পেত। স্থানীয় ভারতীয় বিচারকরা ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গদের বিচার করতে পারত না। বর্ণবাদ প্রথার কারণে আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বহুদেশে সংঘাত হয়েছে।পরিশেষে বলা যায়, বর্ণবাদ প্রথার কারণে আমেরিকা ও আফ্রিকাসহ বহু দেশে সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
57
উত্তরঃ

১৯১২ সালের ৮ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক সংগঠন আফ্রিকান জাতীয় কংগ্রেস সংক্ষেপে ANC প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংগঠন আফ্রিকানদের সংহতি, যাবতীয় ধরনের বর্ণবৈষম্যবাদের বিরোধিতা করে এবং বর্ণবৈষম্যমুক্ত একীভূত ও গণতান্ত্রিক দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিষ্ঠার পক্ষে ঘোষণা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews