ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থন সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খ
বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে 'বাস করলে একে অপরের বিপরীতে সাহায্য করতে পারে। এতে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায় এবং মানুষদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। ধর্মীয় সহাবস্থান দাঙ্গা, বিবাদ ও সংঘাত কমাতে সহায়তা করে। এতে মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা ও সহিষ্ণুতা জাগ্রত হয়। ধর্মীয় সম্প্রীতি ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে প্রারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায়। শিশু-কিশোররা এতে ভালো মানসিকতা শিখে এবং মানুষ একে অপরকে সম্মান ও সাহায্য করতে শিখে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক উন্নতি সম্ভব হয় এবং দেশের সামগ্রিক কল্যাণে অবদান রাখে। তাই সকলের উচিত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করা।
Related Question
View Allদেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব শালবন বিহার নির্মাণ করেন।
একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা উচিত।
সকল ধর্মের লোক একসাথে বসবাস করলে সমাজ উন্নতির শিখরে আরোহণ করে।
প্রত্যেক ধর্মের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত।
বড়দিন'খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
বেলা বারোটার পূর্বে আহারপূজা করতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!