উদ্দীপকের চিত্রে কল-কারখানা ও জলযান হতে নিগর্ত বর্জ্য নদীতে নিক্ষেপ করতে দেখা যাচ্ছে। অনেক দিন ধরে নদীতে কল-কারখানা ও
জলযানের বর্জ্য নিক্ষেপ করা হলে নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো হবে-
i. শিল্প কারখানার বর্জ্য নদীর পানির সাথে মিশে পানির রং পরিবর্তন করে।
ii. শিল্প কারখানার বর্জ্যে থাকা রাসায়নিক যৌগ যেমন- ফসফরাস, সীসা, ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, সিজিয়াম ইত্যাদি নদীর জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃত্যুর কারণ হয়ে থাকে।
iii. শিল্প কারখানার বর্জ্যে উপস্থিত ফসফেট নদীতে শ্যাওলা উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এই শ্যাওলাগুলো মারা যাওয়ার পর নদীর পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন এর সাথে বিক্রিয়া করে। এর ফলে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এই অক্সিজেনের অভাবে মাছসহ সকল প্রাণী মারা যায়।
iv. নদীতে চলাচলকারী জলযান হতে নির্গত তেল, বর্জ্য নদীর পানির উপর ভাসতে থাকে ফলে নদীর পানিতে অক্সিজেন দ্রবীভূত হতে পারে না। ফলে নদীতে অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দেয়।
তাই চিত্রে উল্লিখিত শিল্পের বর্জ্য এবং জলযান থেকে নির্গত বর্জ্যের কারণে নদীতে প্রাণের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে এবং এক সময় তা মরা নদীতে পরিণত হতে পারে।
Related Question
View Allপৃথিবীতে পানি একই প্রক্রিয়ায় ঘুরে ফিরে ব্যবহার হয়। এটি সূর্যের তাপে বাষ্পীভবন, মেঘে রূপান্তর ও বৃষ্টির মাধ্যমে আবার ভূমি ও সমুদ্রে ফিরে আসে। একে পানির পুনরাবর্তন বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!