নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল, 

তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল ।

গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান

কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান ।

স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিত 

বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে 'তপোবন' প্রেমিক বলা হয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চেতনা ও 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের চেতনাকে সামগ্রিক দৃষ্টিতে এক মনে না হওয়ার যুক্তি অত্যন্ত সুচিন্তিত এবং এটি যথার্থ। যদিও উভয়ই পরোপকার ও আত্মত্যাগের মহিমা তুলে ধরে, তাদের মূল দর্শন ও ব্যাখ্যার গভীরতায় ভিন্নতা রয়েছে, যা তাদের সামগ্রিক চেতনাকে পৃথক করে তোলে।

উদ্দীপকের মূল চেতনা হলো নিঃশর্ত আত্মদান। এখানে নদী, বৃক্ষ, গাভী, কাষ্ঠ, স্বর্ণ, বংশী – প্রত্যেকেই নিজের সবকিছু উজাড় করে অন্যের উপকারে আসে, বিনিময়ে কোনো প্রতিদান আশা করে না। এটি একটি প্রত্যক্ষ ও স্বতঃস্ফূর্ত ত্যাগের চিত্র। নদী তার জল পান করে না, গাছ তার ফল খায় না, গাভী তার দুধ পান করে না – এই উদাহরণগুলো প্রাকৃতিক বস্তুর সহজাত পরোপকারী গুণকে নির্দেশ করে, যেখানে কোনো ব্যক্তিগত বৃদ্ধি বা বিকাশের প্রক্রিয়াকে মুখ্য করা হয়নি, বরং তাদের অস্তিত্বই অপরের জন্য উৎসর্গীকৃত। কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে যেমন অন্নদান করে, স্বর্ণ যেমন অপরকে শোভিত করে, বংশী যেমন স্বর দিয়ে মোহিত করে, এর সবগুলোই ব্যক্তিগত ক্ষয় বা রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অন্যের উপকারে আসার বার্তা দেয়।

অন্যদিকে, সৈয়দ মুজতবা আলীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের চেতনা আরও গভীর ও জীবনমুখী। এই প্রবন্ধে বৃক্ষের জীবনকে মানবজীবনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে আত্মত্যাগের আগে আত্মবিকাশ ও পরিপূর্ণতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বৃক্ষ ধীরে ধীরে শেকড় গেড়ে, মাটি থেকে রস সংগ্রহ করে, সূর্যের আলো গ্রহণ করে, ঝড়-বৃষ্টির সাথে সংগ্রাম করে পূর্ণতা লাভ করে। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এটি কেবল ফল, ছায়া বা কাঠই দেয় না, বরং নিজের অস্তিত্বের প্রতিটি ধাপে বৃদ্ধি ও বিকাশের মাধ্যমে সে প্রকৃত সেবক হয়ে ওঠে। এখানে আত্মদান কেবল একটি ফল নয়, বরং একটি সুদীর্ঘ সাধনা ও পরিপূর্ণতার ফল। বৃক্ষ তার নিজের জীবনকে সমৃদ্ধ করে বলেই অন্যকে সমৃদ্ধ করতে পারে। মানবজীবনেও জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে পরিপূর্ণতা লাভের পরই সমাজের প্রতি প্রকৃত অবদান রাখা সম্ভব – এই হলো প্রবন্ধের মূল বার্তা।

সুতরাং, যদিও উদ্দীপক এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' উভয়ই পরোপকার ও আত্মত্যাগের মহত্ত্ব তুলে ধরে, তাদের দৃষ্টিকোণ ভিন্ন। উদ্দীপক যেখানে প্রাকৃতিক বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও নিঃশর্ত আত্মদানকে উপস্থাপন করে, সেখানে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ আত্মবিকাশ, সংগ্রাম ও পরিপূর্ণতা অর্জনের মাধ্যমে অর্জিত আত্মদানের এক গভীর দার্শনিক ব্যাখ্যা প্রদান করে। প্রথমটি মূলত নিষ্ক্রিয় আত্মদানকে বোঝায়, দ্বিতীয়টি সক্রিয় ও সার্থক আত্মদানের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এই পার্থক্যগুলোর কারণেই উক্তিটি যথার্থ যে, তাদের সামগ্রিক চেতনা এক নয়, বরং পরিপূরক হলেও ভিন্নমাত্রিক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
443


সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়, মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া। স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। তাদের কাজ নিজের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলা নয়, অপরের সার্থকতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা। প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি বলে এরা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। এদের একমাত্র দেবতা অহংকার। তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ । ব্যক্তিগত অহংকার, পারিবারিক অহংকার, জাতিগত অহংকার- এ সবের নিশান ওড়ানোই এদের কাজ। মাঝে মাঝে মানবপ্রেমের কথাও তারা বলে। কিন্তু তাতে নেশা ধরে না, মনে হয় আন্তরিকতাশূন্য, উপলব্ধিহীন বুলি ।
এদের স্থানে এনে দিতে হবে বড় মানুষ— সূক্ষ্মবুদ্ধি উদারহৃদয় গভীরচিত্ত ব্যক্তি, যাদের কাছে বড় হয়ে উঠবে জীবনের বিকাশ, কেবল টিকে থাকা নয়। তাদের কাছে জীবনাদর্শের প্রতীক হবে প্রাণহীন ছাঁচ বা কল নয়, গতি আছে, সজীব বৃক্ষ— যার বৃদ্ধি আছে, বিকাশ আছে, ফুলে ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অপরের সেবার জন্য প্রস্তুত হওয়া যার কাজ । বৃক্ষের জীবনের গতি ও বিকাশকে উপলব্ধি করা দরকার, নইলে সার্থকতা ও পরিপূর্ণতার ছবি চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হবে না ।
বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়। তাই, বারবার সেদিকে তাকানো প্রয়োজন । মাটির রস টেনে নিয়ে নিজেকে মোটাসোটা করে তোলাতেই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয় । তাকে ফুল ফোটাতে হয়, ফল ধরাতে হয়। নইলে তার জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাই বৃক্ষকে সার্থকতার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা সজীবতা ও সার্থকতার এমন জীবন্ত দৃষ্টান্ত আর নেই।
অবশ্য রবীন্দ্রনাথ অন্য কথা বলেছেন। ফুলের ফোটা আর নদীর গতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। তাঁর মনে মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলব্ধ হয়, ফুলের ফোটায় নয় । ফুলের ফোটা সহজ, নদীর গতি সহজ নয়— তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। কিন্তু ফুলের ফোটার দিকে না তাকিয়ে বৃক্ষের ফুল ফোটানোর দিকে তাকালে বোধহয় রবীন্দ্রনাথ ভালো করতেন। তপোবনপ্রেমিক রবীন্দ্রনাথ কেন যে তা করলেন না বোঝা মুশকিল ।
জানি, বলা হবে : নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ যতটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বৃক্ষের ফুল ফোটানোয় তা তত স্পষ্ট হয়ে ওঠে না । তাই কবি নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন ।উত্তরে বলব : চর্মচক্ষুকে বড় না করে কল্পনা ও অনুভূতির চক্ষুকে বড় করে তুললে বৃক্ষের বেদনাও সহজে উপলব্ধি করা যায়। আর বৃক্ষের সাধনায় যেমন একটা ধীরস্থির ভাব দেখতে পাওয়া যায়, মানুষের সাধনায়ও তেমনি একটা ধীরস্থির ভাব দেখতে পাওয়া যায়, আর এটাই হওয়া উচিত নয় কি? অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয় । যাকে বলা হয় গোপন ও নীরব সাধনা তা বৃক্ষেই অভিব্যক্ত, নদীতে নয় । তাছাড়া বৃক্ষের সার্থকতার ছবি যত সহজে উপলব্ধি করতে পারি, নদীর সার্থকতার ছবি তত সহজে উপলব্ধি করা যায় না। নদী সাগরে পতিত হয় সত্য, কিন্তু তার ছবি আমরা প্রত্যহ দেখতে পাই না । বৃক্ষের ফুল ফোটানো ও ফল ধরানোর ছবি কিন্তু প্রত্যহ চোখে পড়ে । দোরের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে সে অনবরত নতি, শান্তি ও সেবার বাণী প্রচার করে ।
সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস । নদীর সাগরে পতিত হওয়ায় সেই প্রাপ্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে না। সে তো প্রাপ্তি নয়, আত্মবিসর্জন। অপরপক্ষে বৃক্ষের প্রাপ্তি চোখের সামনে ছবি হয়ে ফুটে ওঠে। ফুলে ফলে যখন সে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে তখন আপনা থেকেই বলতে ইচ্ছা হয় : এই তো সাধনার সার্থকতা। বৃক্ষে প্রাপ্তি ও দান । সৃজনশীল মানুষেরও প্রাপ্তি ও দানে পার্থক্য দেখা যায় না। যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান ।
বৃক্ষের পানে তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিশ্চয়ই অন্তরের সৃষ্টিধর্ম উপলব্ধি করেছেন । বহু কবিতায় তার পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু গদ্যে তিনি তা স্পষ্ট করে বলেননি। বললে ভালো হতো। তাহলে নিজের ঘরের কাছেই যে সার্থকতার প্রতীক রয়েছে, সে সম্বন্ধে আমরা সচেতন হতে পারতাম ।
নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোনো হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপরে তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা । মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও । মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না। সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপক্বতা, তাই তো আত্মা । এই আত্মারূপ ফল স্রষ্টার উপভোগ্য । তাই মহাকবির মুখে শুনতে পাওয়া যায় : ‘Ripeness is all’- পরিপক্বতাই সব। আত্মাকে মধুর ও পুষ্ট করে গড়ে তুলতে হবে। নইলে তা স্রষ্টার উপভোগের উপযুক্ত হবে না। বিচিত্র অভিজ্ঞতা, প্রচুর প্রেম ও গভীর অনুভূতির দ্বারা আত্মার পরিপুষ্টি ও মাধুর্য সম্পাদন সম্ভব। তাই তাদের সাধনাই মানুষের শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু। বস্তুজিজ্ঞাসা তথা বিজ্ঞান কখনো শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু হতে পারে না। কেননা, তাতে আত্মার উন্নতি হয় না- জীবনবোধ ও মূল্যবোধে অন্তর পরিপূর্ণ হয় না; তা হয় সাহিত্য-শিল্পকলার দ্বারা। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের এত মূল্য।
ওপরে যে বৃদ্ধির কথা বলা হলো বৃক্ষের জীবন তার চমৎকার নিদর্শন। বৃক্ষের অঙ্কুরিত হওয়া থেকে ফলবান হওয়া পর্যন্ত সেখানে কেবলই বৃদ্ধির ইতিহাস। বৃক্ষের পানে তাকিয়ে আমরা লাভবান হতে পারি— জীবনের গূঢ় অর্থ সম্বন্ধে সচেতন হতে পারি বলে।
বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধির ইশারা তা নয়- প্রশান্তিরও ইঙ্গিত। অতি শান্ত ও সহিষ্ণুতায় সে জীবনের গুরুভার বহন করে।

Related Question

View All
উত্তরঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার তাঁর বিখ্যাত নীতিমূলক কবিতা "নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল" (তাঁর 'সদ্ভাব শতক' কাব্যগ্রন্থের অংশ) এ নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এই কবিতায় তিনি নদী, বৃক্ষ, গাভী, কাষ্ঠ, স্বর্ণ, বংশী এবং শস্যসহ প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন, যারা নিজ নিজ কর্মের দ্বারা নিঃস্বার্থভাবে অপরের কল্যাণ সাধন করে।

নদী যেমন নিজের জল নিজে পান না করে অন্যকে জীবন দান করে, বৃক্ষ যেমন নিজ ফল নিজে না খেয়ে অপরকে দেয়, তেমনি গাভীও নিজের দুগ্ধ নিজে পান করে না। এই সকল উদাহরণ দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, পরোপকারই মনুষ্যত্বের শ্রেষ্ঠ গুণ। সাধু ব্যক্তিরা যেমন নিজেদের ঐশ্বর্য কেবল অপরের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করেন, ঠিক তেমনি প্রকৃতিও নিঃস্বার্থভাবে মানবজাতির সেবা করে। এই নিঃস্বার্থ পরোপকারী চরিত্রকে মনুষ্যত্বের আদর্শ প্রতীক হিসেবে দেখিয়ে কবি নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.2k
উত্তরঃ

“যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান” – উক্তিটি পরোপকারী ও নিঃস্বার্থ ব্যক্তির মহৎ গুণকে নির্দেশ করে। এর অর্থ হলো, যা কিছু অর্জন করা হয় বা লাভ করা হয়, তা নিজের জন্য ভোগ না করে অন্যের কল্যাণে উৎসর্গ করা। এই ভাবটি ত্যাগ ও সেবার মানসিকতাকে তুলে ধরে, যেখানে ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাপ্তি কেবল বিতরণের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে।

প্রদত্ত কবিতাটিতে এই চিরন্তন সত্যটি বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে। নদী যেমন নিজের জল পান করে না, গাছ যেমন নিজের ফল খায় না, গাভী যেমন নিজের দুধ নিজে পান করে না, এবং স্বর্ণ যেমন নিজের সৌন্দর্য অপরের জন্য বিকশিত করে – ঠিক তেমনি সাধু ব্যক্তিও নিজের ঐশ্বর্য্য কেবল পরের উপকারের জন্য ব্যবহার করেন। এসব দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, যা তাদের কাছে আছে বা যা তারা অর্জন করে, তার মূল উদ্দেশ্য হলো অপরের মঙ্গল সাধন করা, যা উপরের উক্তিটির মূল ভাবকে পূর্ণাঙ্গ রূপে ধারণ করে।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
1.3k
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে 'তপোবন' প্রেমিক বলা হয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
588
উত্তরঃ বৃক্ষের গান শুনতে হলে এর প্রতি মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে হবে এবং এর সৌন্দর্য ও অস্তিত্বকে হৃদয়ের গভীর থেকে অনুভব করতে হবে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews