সাধারণ অর্থে সৰমতা হলো কোনো কাজ করার সামর্থ্য।
শারীরিক সৰমতা হলো শারীরিক কাজকর্ম করার সামর্থ্য। সামগ্রিক সৰমতার বিভিন্ন দিকের মধ্যে সর্বাপেৰা বাস্তব, প্রয়োজীয় এবং প্রাথমিক দিক হলো শারীরিক সবমতা। সৰমতার এই দিক জৈবিক অস্তিত্ব রবা করার জন্য আবশ্যক। দৈহিক কাজের ভিন্নতা অনুসারে শারীরিক সবমতার স্বরুপ বদলায়। এজন্য সাধারণ জীবনের হাঁটা, চলা, বসা ও অন্যান্য কাজের জন্য শারীরিক সৰমতা এবং একজন খেলোয়াড়ের শারীরিক সৰমতা ভিন্ন হয়।
শরীরচর্চা শিবকের বর্ণিত বিষয়টি হলো শারীরিক কাজকর্ম করার সামর্থ্য তথা শারীরিক সৰমতা। শারীরিক সৰমতা অর্জন করতে পারলে একজন ব্যক্তি তার দৈনন্দিন জীবনের সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবনে অভ্যস্ত হতে পারে। নিচে শারীরিক সৰমতার গুরত্ব বর্ণনা করা হলো:
১. যে কোনো শারীরিক কার্যক্রম অনায়াসে করতে পারা যায়।
২. দৈব-দুর্ঘটনা মোকাবিলা করতে সৰম হওয়া যায়।
৩. রোগ প্রতিরোধ ৰমতা বৃদ্ধি পায়।
৪. শারীরিক সৰমতা অর্জন করলে মন ভালো থাকে। ফলে লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়া যায়।
৫. যে কোনো ধরনের খেলাধুলায় পারদর্শিতা অর্জন করা যায়।
৬. জৈবিক অস্তিত্ব রবা করার জন্য শারীরিক সবমতা অত্যাবশ্যক।
৭. শারীরিক সৰমতার কারণে শারীরবৃত্তীয় অঙ্গ ও তন্ত্রসমূহের
কাঙ্ক্ষিত লব্যে পৌঁছানোর জন্য অর্থাৎ আগামী আন্তঃস্কুল দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার জন্য মুনিরাকে হাত, পা ও বাহুর শক্তি এবং দ্রবততা বৃদ্ধি করতে হবে। এবেত্রে তার করণীয় কাজ সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
দ্রবততা বৃদ্ধিতে করণীয়: দ্রবততা বলতে গতির প্রবততা বুঝায়।যে যত বেশি দ্রবততার সাথে যেতে পারে তার গতি বেশি বলে ধরা হয়। দ্রবততা বৃদ্ধির জন্য পায়ের মাংসপেশির শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করা প্রয়োজন। এজন্য মুনিরাকে যা করতে হবে- ১. চিত হয়ে শুয়ে পায়ের পাতার উপর ভার নিয়ে পা উপরে উঠানামা করাতে হবে।
২. জিমনেশিয়ামে পা দ্বারা লোহার ভারকে ঠেলে ভেতরে বাইরে নিতে হবে।
৩. ২৫ মিটার, ৫০ মিটার দৌড় বারবার অনুশীলন করতে হবে।
৪. রানিং স্ট্যান্ডের উপর দাঁড়িয়ে দৌড় অনুশীলন করতে হবে।
৫. বালির মধ্যে কিছুৰণ দৌড়ালেও মাংসপেশি সবল হবে।
শক্তি বৃদ্ধিতে করণীয়: হাতের শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য মুনিরার করণীয় কয়েকটি ব্যায়াম নিচে উলেরখ করা হলো:
১. ডাম্বেল হাত দিয় ধরে উপরে উঠানো ও নামানো।
২. চিত হয়ে শুয়ে ভার উপরে তোলা ও নামানো।
৩. মাটিতে দু'হাত কাঁধ বরাবর ফাঁক রেখে পুশ আপ। আস্তে আস্তে এক পা উপরের দিকে তুলে পুশ আপ।
৪. মেডিসিন বল ছোড়া।
৫. মাল্টি জিমে বিভিন্ন প্রকার হাতের ব্যায়াম করা।
উলিরখিত ব্যায়ামগুলো প্রশিবকের নির্দেশে নিয়মমাফিক করলে হাত ও কাঁধের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। এভাবে মুনিরা তার কাঙ্ক্ষিত লব্যে পৌঁছানোর জন্য শারীরিক সৰমতা অর্জন করতে পারবে।
Related Question
View AllAAHPER এর পূর্ণরু প হলো- American Association of Health, Physical Education and Recreation.
শারীরিক শিবার মূল উদ্দেশ্য হলো শারীরিক সবমতা অর্জন। তাই শারীরিক সৰমতার বৈশিষ্ট্য, খেলাধুলার সাথে এর সম্পর্ক, শারীরিক সৰমতার মূল্যায়ন ইত্যাদি সম্পর্কে শারীরিক শিবার ছাত্রছাত্রীদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। এসব বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে তারা মাংসপেশি সঞ্চালনের ব্যায়াম যেমন দ্রবততা, দম, শক্তি, বিপ্রতা, নমনীয়তা ইত্যাদি দ্বারা শরীরকে উপযুক্তভাবে গড়ে তুলে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনে সৰম হবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!